ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ , ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ (শরৎকাল) , ১৩ রবিউস সানি ১৪৪৮ হিজরি
সংবাদ শিরোনাম :
গাজায় ট্রাম্পের শান্তি দাবি উড়িয়ে দিয়ে একে ‘লজ্জাজনক’ বললেন ম্যাক্রো তেল ও গ্যাস সাপ্লাই চেইনের ক্ষেত্রে বিশ্বব্যাংক সহায়তা করতে রাজি আছে বোয়িংয়ের সঙ্গে আরও ১১টি উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ ট্রাম্পের দেওয়া নৈশভোজে অংশ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দম্পতি থাইল্যান্ডের দক্ষিণাঞ্চলে স্বাধীন ইসলামি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার ঘোষণা জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় বাসের ভাড়া ১৭ পয়সা বাড়ল আল-আকসার ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছে ইসরাইল:শায়খ ইকরিমা সাবরি অপ্রতিম হত্যা মামলার মূল রহস্য উদ্ঘাটন: আইফোন ছিনতাই ও পাঁচ হাজার টাকা অব্যবহৃত ২৪টি ট্রমা সেন্টার চালুর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার নয়াদিল্লির একাধিক স্কুলে ইমেইলে বোমা হামলার হুমকি: তল্লাশি অভিযান শুরু সমুদ্রের ১০ মিটার গভীরে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনে চীনা বিজ্ঞানীদের সাফল্য জাতিসংঘে ভাষণ দিতে সোমবার নিউইয়র্ক যাচ্ছেন তারেক রহমান ইসরায়েলের কাছে ৬০ হাজার ভারী বোমা বিক্রির চূড়ান্ত প্রস্তুতি ট্রাম্পের খিলক্ষেত থেকে ১২ বছরের শিশু নাঈম নিখোঁজ: অজ্ঞাত ব্যক্তির ফোনকল পরিবারে সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন বেতন কাঠামোর প্রজ্ঞাপন জারি সোমবার নিউইয়র্ক যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বেসরকারি খাতে ৯১৮ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের চুক্তি জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে ইরানের পক্ষে রাশিয়ার ও চীনের ভেটো যুক্তরাষ্ট্রের চুক্তির এলএনজি আমদানির প্রথম চালান দেশে পৌঁছেছে ভেনেজুয়েলার ৪০০ কোটি ডলারের স্বর্ণ নিউইয়র্কে যাচ্ছে

শিশুর সব আবদার মেনে নেওয়া নয়, জেদ সামলাতে প্রয়োজন সঠিক দিকনির্দেশনা

শিশুর জেদকে প্রশ্রয় দিলে আচরণগত সমস্যা বাড়তে পারে। ধৈর্য ও ইতিবাচক নির্দেশনার মাধ্যমে শিশুকে সঠিক পথে পরিচালনা করা জরুরি।
নিউজটি শুনুন
  • আপলোড সময় : ২৪-০৯-২০২৬ ০৭:৪০:১৩ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২৪-০৯-২০২৬ ০৭:৪০:১৩ অপরাহ্ন
  • ২ মিনিট পড়ার সময়
  • ৪৬ বার পঠিত
শিশুর সব আবদার মেনে নেওয়া নয়, জেদ সামলাতে প্রয়োজন সঠিক দিকনির্দেশনা প্রতীকী ছবি- ( সংগৃহীত)

শিশুরা বেড়ে ওঠার সময় নানা ধরনের আবদার ও জেদ করে থাকে। এটি তাদের স্বাভাবিক মানসিক বিকাশের একটি অংশ হলেও প্রতিটি জেদ বা দাবি মেনে নেওয়া সবসময় উপকারী নয়। শিশুর জেদকে নিয়মিত প্রশ্রয় দিলে ভবিষ্যতে আচরণগত সমস্যা তৈরি হওয়ার ঝুঁকি বাড়তে পারে।

কোনো শিশু যখন বুঝতে শেখে যে জেদ করলেই তার চাওয়া পূরণ হবে, তখন সে ধীরে ধীরে সেই আচরণকে অভ্যাসে পরিণত করতে পারে। ফলে পরিবার, স্কুল কিংবা সামাজিক পরিবেশে মানিয়ে চলার ক্ষেত্রে তার সমস্যা দেখা দিতে পারে।

তবে জেদের প্রতিক্রিয়ায় রাগ, শাস্তি বা কঠোর আচরণও সমাধান নয়। বরং শিশুর অনুভূতি বোঝার চেষ্টা করা, শান্তভাবে কথা বলা এবং কোন বিষয়টি গ্রহণযোগ্য আর কোনটি নয় তা স্পষ্টভাবে বুঝিয়ে দেওয়া বেশি কার্যকর হতে পারে।

শিশুর ভালো আচরণের প্রশংসা করা এবং নিয়ম মেনে চললে উৎসাহ দেওয়া উচিত। একই সঙ্গে পরিবারে কিছু নির্দিষ্ট সীমা ও নিয়ম থাকলে শিশুরা ধীরে ধীরে আত্মনিয়ন্ত্রণ শিখতে পারে।

শিশুর জেদকে পুরোপুরি নেতিবাচক হিসেবে দেখার প্রয়োজন নেই। অনেক সময় এটি তার ব্যক্তিত্ব, মত প্রকাশের ইচ্ছা বা স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগ্রহের প্রকাশ হতে পারে। তবে সেই প্রবণতাকে ইতিবাচক পথে পরিচালিত করাই অভিভাবকদের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব।

সন্তানের প্রতি ভালোবাসা দেখানো যেমন জরুরি, তেমনি প্রয়োজন সঠিক সীমারেখা তৈরি করা। ধৈর্য, বোঝাপড়া এবং ধারাবাহিক দিকনির্দেশনার মাধ্যমে শিশুকে দায়িত্বশীল ও ভারসাম্যপূর্ণ আচরণ শেখাতে পারলে তার সুস্থ মানসিক বিকাশে তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।


নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-১২

মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।