দলটির ২৭ সেপ্টেম্বরের ইসলামাবাদ অভিমুখে ঘোষিত দেশব্যাপী কর্মসূচির আগেই এই ধরপাকড় শুরু হলো। ইমরান খানের মুক্তি এবং সংবিধানের শ্রেষ্ঠত্ব প্রতিষ্ঠার দাবিতে পিটিআই এই কর্মসূচির ডাক দিয়েছে।
লাহোরের ডেপুটি কমিশনার (ডিসি) কার্যালয়ের ২০ সেপ্টেম্বরের নির্দেশনায় জানানো হয়, পাঞ্জাব মেইনটেন্যান্স অব পাবলিক অর্ডার (এমপিও) অধ্যাদেশ, ১৯৬০-এর আওতায় উজমা ও নওরীনকে আটক করা হয়েছে। আদেশে অভিযোগ করা হয়, তাঁরা জননিরাপত্তা ও শান্তিশৃঙ্খলার জন্য ক্ষতিকর কর্মকাণ্ড এবং ৯ মে-র সহিংসতার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। এছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও সভার মাধ্যমে কর্মীদের উসকানি দিয়ে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা ও সরকারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ ছড়াচ্ছেন বলে উল্লেখ করা হয়। আটকাদেশ অনুযায়ী, তাঁদের লাহোরের কোট লাখপত কেন্দ্রীয় কারাগারে রাখা হবে।
পিটিআইয়ের কেন্দ্রীয় তথ্যসচিব শেখ ওয়াকাস আকরাম জানান, পাঞ্জাব পুলিশ গভীর রাতে দুই বোনসহ তাঁদের সন্তান এবং আলিমা খানের ছেলেদের একটি সাঁজোয়া যানে করে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে গেছে।
ইমরান খানের ছেলে কাশিম খান সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অভিযোগ করেন, কোনো কারণ না দর্শিয়ে জোরপূর্বক তাঁর ফুফু ও আত্মীয়দের বাসা থেকে তুলে নেওয়া হয়েছে। পিটিআই চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার গওহর আলি খান এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেন, সংসদ সদস্য ও পরিবারের সদস্যদের ওপর এমন দমনপীড়ন রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে তুলবে।
এর আগে রবিবার একই আদেশে আলিমা খানকেও কোট লাখপত কারাগারে পাঠানো হয়। ২৭সেপ্টেম্বরের বিক্ষোভ ঘিরে পাঞ্জাব ও ইসলামাবাদের বিভিন্ন এলাকায় পিটিআইয়ের একাধিক সংসদ সদস্য এবং নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধমূলক আটকের অভিযান চালাচ্ছে প্রশাসন।
সূত্র: দ্য ডন