তিনি দাবি করেন, ‘আমারা নতুন অস্ত্র যুদ্ধক্ষেত্রে নিয়ে আসব এবং বিশ্ব তা দেখে বিস্মিত হবে।’ তিনি আরো বলেন, ‘ইরানের সামরিক কার্যক্রম এবার আগের তুলনায় অনেকটাই ভিন্ন হতে পারে। এই পরিবর্তন শুধু সামরিক কৌশলেই সীমাবদ্ধ থাকবে না। যুদ্ধের ভৌগোলিক পরিসর, ব্যবহৃত অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জামেও এর প্রভাব পড়বে।
মোহেব্বি বলেন, ‘এই পরিবর্তনগুলোর মধ্যে রয়েছে যুদ্ধের ভূগোলের পরিবর্তন এবং অস্ত্রশস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জামের পরিবর্তন।’
আইআরজিসির এই মুখপাত্র শুধু নতুন অস্ত্র ব্যবহারের ইঙ্গিতই দেননি, লক্ষ্যবস্তু নির্বাচনের ক্ষেত্রেও পরিবর্তনের কথা বলেছেন। তিনি বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্যবস্তুগুলোও এখন আর আগের লক্ষ্যবস্তুগুলোর মতো একই নয়। আমাদের নতুন লক্ষ্যবস্তু রয়েছে, যেগুলোতে এখনও হামলা করা হয়নি।’
তবে মোহেব্বি তার বক্তব্যে নির্দিষ্ট করে কোনো অস্ত্র, সামরিক অবস্থান বা লক্ষ্যবস্তুর নাম উল্লেখ করেননি। ফলে তার মন্তব্যকে মূলত যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি একটি সতর্কবার্তা হিসেবেই দেখা হচ্ছে।
ওয়াশিংটন ইসলামিক প্রজাতন্ত্র ইরানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে—এমন দাবি ওঠার একদিন পর আইআরজিসির পক্ষ থেকে এই সতর্কবার্তা এলো। এর পাশাপাশি ইরানও সতর্ক করে বলেছে, ‘যেকোনো ভুলের ফলে বেদনাদায়ক হামলা হবে।’