সংবাদমাধ্যম দ্য নিউজ ইন্টারন্যাশনাল বলছে, অন্য গাড়িতে থাকা দুই তরুণও দুর্ঘটনায় মারা গেছেন। একটি গাড়ি হঠাৎ দিক পরিবর্তন করায় এই সংঘর্ষ ঘটে বলে জানিয়েছে সৌদির পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশের ট্রাফিক বিভাগ। দুর্ঘটনার পর ফায়ার সার্ভিস ও সৌদি রেড ক্রিসেন্টের সদস্যসহ জরুরি উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে। গাড়ির ভেতরে আটকে পড়া ব্যক্তিদের উদ্ধারে তারা কাজ করেন।
সৌদি আরবের ট্রাফিক নিরাপত্তাবিষয়ক মন্ত্রী পর্যায়ের কমিটির ২০২৫ সালের বার্ষিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০১৬ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে দেশটিতে সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যুর হার ৬০ শতাংশের বেশি কমেছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দুর্ঘটনার প্রধান কারণ হিসেবে সবচেয়ে বেশি উল্লেখ করা হয়েছে সামনে থাকা গাড়ির সঙ্গে নিরাপদ দূরত্ব বজায় না রাখা। মোট দুর্ঘটনার ২৯ দশমিক ২ শতাংশের ক্ষেত্রে এটি কারণ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। আর হঠাৎ করে গাড়ির দিক পরিবর্তনের কারণে ঘটেছে ২৭ দশমিক ৯ শতাংশ দুর্ঘটনা।
সৌদি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সড়ক অবকাঠামোর উন্নয়ন, ট্রাফিক নজরদারিতে প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো এবং দুর্ঘটনার পর দ্রুত উদ্ধার ও জরুরি সেবা দেয়ার মতো পদক্ষেপের কারণে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি কমেছে।
তবে আল-আহসার এই দুর্ঘটনা সৌদি আরবের সড়কগুলোতে ঝুঁকির বিষয়টি সামনে এনেছে। বিশেষ করে হঠাৎ করে গাড়ির দিক পরিবর্তন দেশটিতে সড়ক দুর্ঘটনার অন্যতম প্রধান কারণ হিসেবে উঠে এসেছে।
সর্বশেষ দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিচয় বা গাড়িটি হঠাৎ কেন দিক পরিবর্তন করেছিল, সে বিষয়ে সৌদি কর্তৃপক্ষ আর কোনো বিস্তারিত তথ্য জানায়নি।