ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলারের নিচে নামল অপরিশোধিত তেলের দাম
সরবরাহ বিঘ্নের আশঙ্কা কমা এবং নতুন কূটনৈতিক তৎপরতার কারণে টানা তৃতীয় সেশনে কমেছে ব্রেন্ট ক্রুড ও ডব্লিউটিআই তেলের দাম; পাইপলাইন মেরামতের কাজও শুরু করেছে সৌদি আরব।
নিউজটি শুনুন
- আপলোড সময় : ১৮-০৯-২০২৬ ১১:৫৩:০০ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ১৮-০৯-২০২৬ ১১:৫৩:০০ অপরাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ১০০ বার পঠিত
ছবি: সংগৃহীত
অপরিশোধিত তেলের দাম শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলারের নিচে নেমেছে। মধ্যপ্রাচ্যে তেল সরবরাহে বড় ধরনের বিঘ্নের আশঙ্কা কিছুটা কমে আসা এবং সংঘাতের অবসান ও জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক করতে নতুন করে কূটনৈতিক তৎপরতার আশা তৈরি হওয়ায় টানা তৃতীয় দিনের মতো কমেছে তেলের দাম।
নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০২
আন্তর্জাতিক বাজারে নভেম্বর সরবরাহের জন্য ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ২ দশমিক ২ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ১০২ দশমিক ৫৭ ডলারে দাঁড়িয়েছে। এ নিয়ে টানা তৃতীয় সেশনে এর দাম কমল। যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) অপরিশোধিত তেলের দাম কমেছে ১ দশমিক ৯ শতাংশ, ব্যারেলপ্রতি ১০০ দশমিক ৫ ডলারে। দিনের লেনদেনে একপর্যায়ে এর দাম ১০০ ডলারের নিচেও নেমে যায়।
বৃহস্পতিবার সৌদি আরব ও হুথিদের মধ্যে সীমান্তজুড়ে নতুন করে হামলা-পাল্টা হামলার ঘটনা ঘটে। এতে মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত আরও ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়। এর ফলে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল গত ফেব্রুয়ারিতে ইরানে হামলা চালানোর পর থেকেই চাপে থাকা জ্বালানি সরবরাহ আরও ব্যাহত হওয়ার উদ্বেগ দেখা দেয়।
তবে সৌদি আরব ওমানের মাধ্যমে এশিয়ার ক্রেতাদের কাছে কিছু অপরিশোধিত তেল বিকল্প পথে পাঠানোর ব্যবস্থা করেছে এমন খবর বাজারে সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ কিছুটা কমিয়েছে। হুথিদের হামলার পর গুরুত্বপূর্ণ একটি পাইপলাইন বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বড় ধরনের সরবরাহ সংকটের আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল।
সৌদি আরব কয়েক দিনের মধ্যে ইস্ট-ওয়েস্ট পাইপলাইনের প্রায় অর্ধেক সক্ষমতা পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে কাজ করছে। পুরোপুরি সচল হতে প্রায় ছয় সপ্তাহ সময় লাগতে পারে বলে জানা গেছে। এর মধ্যে সৌদি আরব কিছু অপরিশোধিত তেল হরমুজ প্রণালি দিয়ে বিকল্প পথে পাঠাচ্ছে।
শাটল জাহাজের মাধ্যমে হরমুজ প্রণালি পার করে প্রণালির বাইরে অপেক্ষমাণ ট্যাংকারে তেল তোলা হচ্ছে। এর ফলে সম্ভাব্য ইরানি হামলার ঝুঁকিতে এসব ট্যাংকারের অবস্থানকাল কমানো সম্ভব হচ্ছে।
এদিকে সৌদি আরবের অনুরোধের পর হুথিদের নিয়ন্ত্রণে রাখতে ইরানের প্রতি চীন আহ্বান জানিয়েছে বলেও খবর পাওয়া গেছে। সৌদি আরবের জ্বালানি অবকাঠামোয় হুথিদের হামলা বাড়তে থাকায় রিয়াদ এ অনুরোধ জানায় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
অন্যদিকে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, আগামী সপ্তাহে নিউইয়র্কে উপসাগরীয় দেশগুলোর নেতাদের সঙ্গে বৈঠকের আগে ইরানে ফের হামলা চালানো হবে কি না, তা তিনি বিবেচনা করছেন।
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।