জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে ইরানের পক্ষে রাশিয়ার ও চীনের ভেটো
১৫ সদস্যের নিরাপত্তা পরিষদে যুক্তরাষ্ট্র প্রস্তাবটি তুললেও চীন ও রাশিয়ার ভেটোতে তা বাতিল হয়ে যায়; বেইজিং ও মস্কো একে রাজনৈতিক চাপ ও আইনগতভাবে ভিত্তিহীন বলে আখ্যা দিয়েছে।
নিউজটি শুনুন
- আপলোড সময় : ১৮-০৯-২০২৬ ১১:৩৩:১৬ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ১৮-০৯-২০২৬ ১১:৩৩:১৬ অপরাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ১০১ বার পঠিত
ছবি: সংগৃহীত
জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে ইরানের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা তদারককারী বিশেষজ্ঞ প্যানেলের মেয়াদ বাড়াতে যুক্তরাষ্ট্রের আনা একটি খসড়া প্রস্তাব ভেটো দিয়ে বাতিল করে দিয়েছে রাশিয়া ও চীন। নিরাপত্তা পরিষদের ১৭৩৭ নিষেধাজ্ঞা কমিটির আওতাধীন এই বিশেষজ্ঞ প্যানেলের মেয়াদ বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রস্তাবটি উত্থাপন করা হয়েছিল।
নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০২
বৃহস্পতিবার ফ্রান্সের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ভোটাভুটিতে ১৫টি সদস্য রাষ্ট্রের মধ্যে ১১টি দেশ প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দেয়। তবে ভেটো প্রদানকারী দুই স্থায়ী সদস্য রাশিয়া ও চীন বিপক্ষে অবস্থান নেওয়ায় প্রস্তাবটি বাতিল হয়ে যায়, আর পাকিস্তান ও সোমালিয়া ভোটদানে বিরত থাকে।
জাতিসংঘে চীনের প্রতিনিধি ফু চং খসড়া প্রস্তাবের তীব্র বিরোধিতা করে নিরাপত্তা পরিষদকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান। তিনি মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংকটের জন্য ইরানের ওপর মার্কিন হামলা ও সর্বোচ্চ চাপের নীতিকে দায়ী করেন এবং সতর্ক করে বলেন, নতুন করে নিষেধাজ্ঞা বা চাপ সৃষ্টির চেষ্টা সংকট আরও বাড়াবে। এছাড়া ২০২৫ সালের ১৮ অক্টোবর রেজোলিউশন ২২৩১-এর মেয়াদ শেষ হওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করে বেইজিং জানায়, ইরানের পরমাণু ইস্যু নিয়ে নিরাপত্তা পরিষদের আলাদা আলোচনার আইনি ভিত্তি আগেই সমাপ্ত হয়েছে। চীন নিরাপত্তা পরিষদকে একতরফা রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিলের মঞ্চ না বানিয়ে বহুপাক্ষিক কূটনীতির স্বার্থে গঠনমূলক পথ খোঁজার পরামর্শ দেয়।
অন্যদিকে রাশিয়ার স্থায়ী প্রতিনিধি ভাসিলি নেবেনজিয়া ১৭৩৭ কমিটিকে সম্পূর্ণ অকার্যকর ও অবৈধ বলে আখ্যায়িত করেন। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, কোনো আইনি উপায়ে ইরানের ওপর পুরনো নিষেধাজ্ঞাগুলো বা ‘স্ন্যাপব্যাক’ মেকানিজম পুনর্বহাল করা হয়নি। ফলে বিশেষজ্ঞ প্যানেলের মেয়াদ বাড়ানোর এই বৈঠক আইনগত ও কার্যপ্রণালীগতভাবে ভিত্তিহীন। নেবেনজিয়া জানান, মস্কো আগেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে সংঘাতের পথ থেকে সরে আসার বার্তা দিয়েছিল, কিন্তু ওয়াশিংটন রাজনৈতিক মুখোমুখি অবস্থানের পথই বেছে নিয়েছে।
ভোটাভুটিতে বিরত থাকা পাকিস্তানের প্রতিনিধি পরমাণু ইস্যুর সমাধানে কূটনৈতিক আলোচনা এবং আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) ভূমিকাকে প্রাধান্য দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
সূত্র: মেহের নিউজ
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।