জুয়া খেলার অভিযোগে ৪ পুলিশ সদস্য গ্রেপ্তার, অভিযানে আঙুল ভাঙল এএসপির
ঠাকুরগাঁওয়ে পরিত্যক্ত টিনশেড ঘরে জুয়ার আসরে অভিযান, পলাতক আরও দুই পুলিশ সদস্য
নিউজটি শুনুন
- আপলোড সময় : ১৭-০৯-২০২৬ ০১:৫৪:৩৮ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ১৮-০৯-২০২৬ ১০:১৯:১৩ পূর্বাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ১২১ বার পঠিত
ছবি সংগৃহিত
ঠাকুরগাঁওয়ে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের একটি পরিত্যক্ত টিনশেড ঘরে টাকার বিনিময়ে তাস খেলার অভিযোগে চার পুলিশ সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সোমবার গভীর রাতে জুয়ার আসরে অভিযান চালানোর সময় ধাওয়া ও ধাক্কাধাক্কির একপর্যায়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জুয়েল রানার ডান হাতের একটি আঙুল ভেঙে যায়। পরে গ্রেপ্তার চারজনকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, সোমবার রাত ১২টা ৪৫ মিনিটের দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের হলপাড়ায় পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের মূল ভবনের উত্তর পাশে একটি পরিত্যক্ত টিনশেড ঘরে অভিযান চালানো হয়। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ক্রাইম অ্যান্ড অপস মো. আলমগীর রহমান ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সদর সার্কেল জুয়েল রানার নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল সেখানে যায়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে জুয়ার আসরে থাকা সদস্যরা ধাক্কাধাক্কি করে পালানোর চেষ্টা করেন। এ সময় ধাওয়া ও পাল্টা ধাওয়ার মধ্যে জুয়েল রানার ডান হাতের আঙুল ভেঙে যায়।
পরে ঘটনাস্থল থেকে কনস্টেবল মো. সোহেল রানা, এএসআই শান্তি কুমার রায়, কনস্টেবল মো. আলমগীর কবির এবং ঠাকুরগাঁও শহর পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই মো. শাহাদত জামানকে গ্রেপ্তার করা হয়। অভিযানের সময় পঞ্চগড় জেলা পুলিশের এটিএসআই মো. আতাউর রহমান এবং পিবিআই ঠাকুরগাঁওয়ের কনস্টেবল মো. শহিদুল ইসলাম পালিয়ে যান। তাদের গ্রেপ্তারে অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ। ঘটনাস্থল ও গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের কাছ থেকে জুয়ার বোর্ডে থাকা ৫০ টাকা, পাঁচ সেট তাস এবং একাধিক স্মার্টফোন জব্দ করা হয়েছে। এ ছাড়া পাশের এলাকা থেকে চারটি মোটরসাইকেল পরিত্যক্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। ঠাকুরগাঁও সদর থানার এসআই মো. লিখন হোসেন বাদী হয়ে মঙ্গলবার মামলা করেন।
২০২৬ সালের জুয়া প্রতিরোধ আইনের ১৫ ধারা এবং দণ্ডবিধির ৩২৩ ও ৩২৫ ধারায় মামলাটি করা হয়েছে। এর তদন্তভার দেওয়া হয়েছে পরিদর্শক তদন্ত সুজিত কুমার পালকে। তদন্ত কর্মকর্তা সুজিত কুমার পাল বলেন, আইনের সুশাসন প্রতিষ্ঠায় পুলিশসহ কারও ক্ষেত্রেই ছাড় দেওয়ার সুযোগ নেই। গ্রেপ্তার চার আসামিকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে এবং পলাতক দুই আসামিকে গ্রেপ্তারে বিশেষ অভিযান চলছে।
নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-১৩
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, সোমবার রাত ১২টা ৪৫ মিনিটের দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের হলপাড়ায় পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের মূল ভবনের উত্তর পাশে একটি পরিত্যক্ত টিনশেড ঘরে অভিযান চালানো হয়। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ক্রাইম অ্যান্ড অপস মো. আলমগীর রহমান ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সদর সার্কেল জুয়েল রানার নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল সেখানে যায়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে জুয়ার আসরে থাকা সদস্যরা ধাক্কাধাক্কি করে পালানোর চেষ্টা করেন। এ সময় ধাওয়া ও পাল্টা ধাওয়ার মধ্যে জুয়েল রানার ডান হাতের আঙুল ভেঙে যায়।
পরে ঘটনাস্থল থেকে কনস্টেবল মো. সোহেল রানা, এএসআই শান্তি কুমার রায়, কনস্টেবল মো. আলমগীর কবির এবং ঠাকুরগাঁও শহর পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই মো. শাহাদত জামানকে গ্রেপ্তার করা হয়। অভিযানের সময় পঞ্চগড় জেলা পুলিশের এটিএসআই মো. আতাউর রহমান এবং পিবিআই ঠাকুরগাঁওয়ের কনস্টেবল মো. শহিদুল ইসলাম পালিয়ে যান। তাদের গ্রেপ্তারে অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ। ঘটনাস্থল ও গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের কাছ থেকে জুয়ার বোর্ডে থাকা ৫০ টাকা, পাঁচ সেট তাস এবং একাধিক স্মার্টফোন জব্দ করা হয়েছে। এ ছাড়া পাশের এলাকা থেকে চারটি মোটরসাইকেল পরিত্যক্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। ঠাকুরগাঁও সদর থানার এসআই মো. লিখন হোসেন বাদী হয়ে মঙ্গলবার মামলা করেন।
২০২৬ সালের জুয়া প্রতিরোধ আইনের ১৫ ধারা এবং দণ্ডবিধির ৩২৩ ও ৩২৫ ধারায় মামলাটি করা হয়েছে। এর তদন্তভার দেওয়া হয়েছে পরিদর্শক তদন্ত সুজিত কুমার পালকে। তদন্ত কর্মকর্তা সুজিত কুমার পাল বলেন, আইনের সুশাসন প্রতিষ্ঠায় পুলিশসহ কারও ক্ষেত্রেই ছাড় দেওয়ার সুযোগ নেই। গ্রেপ্তার চার আসামিকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে এবং পলাতক দুই আসামিকে গ্রেপ্তারে বিশেষ অভিযান চলছে।
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।