সৌদি জোটের জয়েন্ট ফোর্সেস কমান্ড জানায়, হুতিদের হামলায় অন্তত ১৩ জন বেসামরিক নাগরিক আহত হয়েছেন। এতে কয়েকটি বাড়িঘর ও যানবাহন ক্ষতিগ্রস্ত হয়। জোটের মুখপাত্র মেজর জেনারেল তুর্কি আল মালিকি বলেন, সৌদি আরবের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় এসব হামলার জবাব দেওয়া হবে।
এরপরের ২৪ ঘণ্টায় ইয়েমেনের লাহজ, তাইজ, আল জাউফ, মারিব ও হাজ্জাহ প্রদেশের অন্তত ৫৪টি স্থানে বিমান হামলা চালানো হয়। হুতি সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি দাবি করেন, সৌদি বিমানঘাঁটি থেকে এফ ১৫ ও টাইফুন যুদ্ধবিমান এসব হামলা চালিয়েছে।
হুতিদের দাবি অনুযায়ী, হামলায় তাইজের একটি সরকারি ভবনসহ কয়েকটি বেসামরিক স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তারা আরও জানায়, খামিস মুসাইতের কিং খালিদ বিমানঘাঁটির রাডার, রানওয়ে ও অস্ত্রের গুদাম লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে। ইয়েমেনে আগের পাঁচ দিনে সৌদি যুদ্ধবিমানের প্রায় ৩০০ হামলার জবাবে এসব হামলা চালানো হয়েছে বলেও দাবি করেছে হুতিরা।
এদিকে সম্ভাব্য হামলার আশঙ্কায় জেদ্দা, মক্কা ও তায়েফে জরুরি বিপদ সতর্কতা জারি করেছে সৌদি সিভিল ডিফেন্স। বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
জাতিসংঘ জানিয়েছে, চলতি মাসে নতুন করে সংঘাত শুরু হওয়ার পর ইয়েমেনে প্রায় ১ লাখ ২৫ হাজার মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। অন্যদিকে কাতার সতর্ক করেছে, হরমুজ প্রণালির পর বাব আল মান্দেব প্রণালিও বন্ধ হয়ে গেলে বিশ্ব অর্থনীতিতে বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।