লৌহজং নদী থেকে উৎপত্তি এই শ্যামা বাবুর খালের। দখলের কারণে বন্ধ হয়ে গেছে স্বাভাবিক পানিপ্রবাহ। ফলে সামান্য বৃষ্টিতেই তৈরি হচ্ছে জলাবদ্ধতা।
একজন এলাকাবাসী বলেন, পানি নিষ্কাশনের জন্য টাঙ্গাইল শহরের সবচেয়ে বড় একটা জায়গা ছিল এই খাল।
অন্য একজন এলাকাবাসী বলেন, সেটা এখন মার্কেট করে ফেলছে। মার্কেটের সাথে ড্রেণ বানিয়েছে। ড্রেণের থেকে যে ময়লাটা আসে সেটাতো যাইতে পারে না। ময়লাটা চাপ ধরে থাকে।
আরেকজন বলেন, বৃষ্টি হলেই জলাবদ্ধতা তৈরি হয়। অল্প বৃষ্টিতেই সব তলিয়ে যায়। ময়লা আবর্জনা সব বাসার ভিতরে যায়।
২০০৩ সালে খালের জায়গায় নির্মাণ হয় প্রথম ক্যাপসুল মার্কেট। পরে আরও কয়েকটি পৌর মার্কেট গড়ে তোলা হয়। সম্প্রতি নির্মাণ করা হয়েছে ফায়ার সার্ভিস মার্কেট-১ ও ২। এছাড়া বিভিন্ন এলাকায় খাল দখল করে গড়ে উঠেছে বহুতল ভবনসহ নানা স্থাপনা।
একজন এলাকাবাসী বলেন, ড্রেনের কারণে গন্ধ আসে। যদি ঢেকে দিত তাহলে এই যে গন্ধগুলো আসত না।
অন্য একজন বলেন, ময়লা নিষ্কাশন হলে পরিবেশ ভালো থাকবে আমরা তো এইটাই চাই সরকারের কাছে। পরিবেশ ভালো হোক, জনগণের ভালো হোক।
পৌর কর্তৃপক্ষ বলছে, খালটি পুনরুদ্ধারে দ্রুতই নেয়া হবে ব্যবস্থা।
টাঙ্গাইল পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন, আসলে অনেক আগেই এখানে কিছু মার্কেট হয়েছে। উদ্বোধনকর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলে এই খালটাকে বর্তমান সরকারের ভিশন অনুযায়ী কিভাবে পুনরুদ্ধার করা যায় সেটার জন্য আমরা ব্যবস্থা নেব।
১৯০০ সালে ভিক্টোরিয়া রোড নির্মাণের সময় খালটি খনন করা হয়। ১৯৯৬ সালে এটি ড্রেনে রূপান্তর করা হয়।