ঢাকা , শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬ , ১৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ (হেমন্তকাল) , ২০ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
সংবাদ শিরোনাম :
রূপপুরের প্রথম ইউনিটে পরীক্ষামূলক বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু সালমান শাহ হত্যা মামলায় ডনের জামিন আবেদন ফের নাকচ কর্মকর্তাদের গাড়ির জ্বালানি বরাদ্দ কমাল ডিএসসিসি বিশ্ববাজারে পণ্যের দাম ২৩ শতাংশ বাড়ার পূর্বাভাস বিশ্বব্যাংকের তুরাগ নদে সাবেক বিমানবাহিনী কর্মকর্তা তাহসিফের লাশ উদ্ধার কুষ্টিয়ায় ছয় হত্যা মামলায় হানিফের মৃত্যুদণ্ড, তিনজনের আমৃত্যু কারাদণ্ড ৪৬ বছর পর ফিরছে গ্রাম সরকার, থাকছে ১৭ সদস্য খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে হামলার মামলায় সোহাগের ৩ দিনের রিমান্ড রমজান সামনে রেখে বাড়ছে নিত্যপণ্যের আমদানি, কমেছে কয়েকটির দাম অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত ইউনিয়ন পরিষদ পুনর্গঠন ও বিভক্তকরণ সাংবাদিকদের নিয়ে মন্তব্য, এনায়েতুল্লাহ আব্বাসীকে আইনি নোটিশ শুধু আইনে সড়ক নিরাপদ হবে না, প্রয়োজন কার্যকর প্রয়োগ: ইলিয়াস কাঞ্চন টঙ্গীতে ছাত্রীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ, শিক্ষক গ্রেপ্তার দিল্লি এড়িয়ে রুবিওর ভারত সফর, বদলাচ্ছে সম্পর্কের সমীকরণ ৯৭ শতাংশ কাজ শেষ, তবু বাতিল বিআরটি প্রকল্প রাজধানীর যানজট নিরসনে সরকারের চার বড় উদ্যোগ ইউনিসেফের সঙ্গে সহযোগিতা বাড়াতে চায় বাংলাদেশ সরকার লাওসে চীনের নতুন সামরিক ঘাঁটি, বাড়ছে আঞ্চলিক উদ্বেগ সোনা-হীরা চোরাচালান মামলায় দিলীপ আগরওয়ালার এক দিনের রিমান্ড হাইকোর্টে অগ্নিনিরাপত্তা প্রশিক্ষণ ও উদ্ধার মহড়া

অডিটোরিয়াম ও পার্কের নামেই কেবল নামফলক, হদিস নেই ফান্ডের টাকার

এডিপির ১২ কোটি টাকা নিয়মনীতি উপেক্ষা করে রাজস্ব খাতে স্থানান্তরের অভিযোগ উঠেছে; আগের কর্মকর্তার নথিপত্র না দেওয়ার অজুহাত এবং বর্তমান প্রশাসকের বিরুদ্ধে সাবেক চেয়ারম্যান ও নির্বাহীর দুর্নীতির অভিযোগ।

নিউজটি শুনুন
  • আপলোড সময় : ১৫-০৯-২০২৬ ১০:৫৯:৩১ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১৫-০৯-২০২৬ ১০:৫৯:৩১ অপরাহ্ন
  • ২ মিনিট পড়ার সময়
  • ৯৯ বার পঠিত
অডিটোরিয়াম ও পার্কের নামেই কেবল নামফলক, হদিস নেই ফান্ডের টাকার ছবি: সংগৃহীত
এক হাজার আসন বিশিষ্ট অডিটোরিয়ামের চিহ্ন বলতে এই নামফলক। প্রায় পাঁচ বছর আগে শহরের ডাক বাংলোর পেছনে পুকুর ভরাট ছাড়া আর কোনো কাজ করেনি গাইবান্ধা জেলা পরিষদ। পাওয়া যায়নি বামনডাঙা শিশু পার্কের কোনো অস্তিত্ব। প্রশ্ন হলো, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় থেকে দেয়া এডিপির বরাদ্দের ১২ কোটি টাকা তাহলে গেল কোথায়?
 
সেই প্রশ্নের উত্তর জানতে জেলা পরিষদে স্টার নিউজ। হিসাব রক্ষকের মুখোমুখি হলে তার দাবি, এই টাকা শুধু নয়, প্রকল্পের নথিপত্র কোনো কিছুই বুঝিয়ে দেননি আগের হিসাব রক্ষক দেলোয়ার হোসেন।
 
গাইবান্ধা জেলা পরিষদের হিসাব রক্ষক ইসমাইল হোসেন, এই ১২ কোটি টাকা আমি দায়িত্ব নেয়ার পরে এই টাকাটা আমি পাইনি। ফান্ডে এই টাকাটা ছিল না। আর আমার আগে যিনি দায়িত্বে ছিলেন, তিনি কিভাবে এটা ট্রান্সফার করেছেন, কোথায় কোন থাকে ব্যয় করেছেন, সেই নথিপত্র আমাকে দেননি। আমি কর্তৃপক্ষকেও জানিয়েছি।
 
অনুসন্ধানে দেখা যায়, শিশুপার্ক ও অডিটোরিয়ামের জন্য বরাদ্দের টাকা নিয়মনীতি উপেক্ষা করে এডিপি থেকে সরানো হয় রাজস্ব খাতে। এরপর বিভিন্ন প্রকল্প দেখিয়ে খরচ দেখানো হলেও কোন খাতে এই টাকা বরাদ্দ হয়েছে তার সদুত্তর মেলেনি প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার কাছেও।
 
গাইবান্ধা জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বিপুল চন্দ্র দাস বলেন, এই টাকাটা রাজস্ব খাতে গেছে। রাজস্ব খাতে প্রকল্প নিয়ে ছোট উন্নয়ন প্রকল্পে, আমরা তালিকাও জানি না কোন কোন প্রকল্পে গেছে। আমার যতটুকু জানা, মনে হয় সেই খাতে ব্যয় করা হয়েছে। কারণ সেই টাকা তো আমার এডিপিতে নেই।
 
গাইবান্ধা জেলা পরিষদের তৎকালীন চেয়ারম্যান ছিলেন আতাউর রহমান সরকার। আর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ছিলেন আব্দুর রউফ তালুকদার। তাদের ওপর এই অনিয়মের দায় চাপালেন গাইবান্ধা জেলা পরিষদের বর্তমান প্রশাসক সৈয়দ মইনুল হাসান সাদিক।
 
তিনি বলেন, সেই সময়কার চেয়ারম্যান ও নির্বাহী হরিহরা আত্মা ছিলেন। যেমন ইচ্ছা তেমন জনগণের সম্পদ ব্যবহার করেছে, লুট করেছে।

নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০২

মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।