সেই প্রশ্নের উত্তর জানতে জেলা পরিষদে স্টার নিউজ। হিসাব রক্ষকের মুখোমুখি হলে তার দাবি, এই টাকা শুধু নয়, প্রকল্পের নথিপত্র কোনো কিছুই বুঝিয়ে দেননি আগের হিসাব রক্ষক দেলোয়ার হোসেন।
গাইবান্ধা জেলা পরিষদের হিসাব রক্ষক ইসমাইল হোসেন, এই ১২ কোটি টাকা আমি দায়িত্ব নেয়ার পরে এই টাকাটা আমি পাইনি। ফান্ডে এই টাকাটা ছিল না। আর আমার আগে যিনি দায়িত্বে ছিলেন, তিনি কিভাবে এটা ট্রান্সফার করেছেন, কোথায় কোন থাকে ব্যয় করেছেন, সেই নথিপত্র আমাকে দেননি। আমি কর্তৃপক্ষকেও জানিয়েছি।
অনুসন্ধানে দেখা যায়, শিশুপার্ক ও অডিটোরিয়ামের জন্য বরাদ্দের টাকা নিয়মনীতি উপেক্ষা করে এডিপি থেকে সরানো হয় রাজস্ব খাতে। এরপর বিভিন্ন প্রকল্প দেখিয়ে খরচ দেখানো হলেও কোন খাতে এই টাকা বরাদ্দ হয়েছে তার সদুত্তর মেলেনি প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার কাছেও।
গাইবান্ধা জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বিপুল চন্দ্র দাস বলেন, এই টাকাটা রাজস্ব খাতে গেছে। রাজস্ব খাতে প্রকল্প নিয়ে ছোট উন্নয়ন প্রকল্পে, আমরা তালিকাও জানি না কোন কোন প্রকল্পে গেছে। আমার যতটুকু জানা, মনে হয় সেই খাতে ব্যয় করা হয়েছে। কারণ সেই টাকা তো আমার এডিপিতে নেই।
গাইবান্ধা জেলা পরিষদের তৎকালীন চেয়ারম্যান ছিলেন আতাউর রহমান সরকার। আর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ছিলেন আব্দুর রউফ তালুকদার। তাদের ওপর এই অনিয়মের দায় চাপালেন গাইবান্ধা জেলা পরিষদের বর্তমান প্রশাসক সৈয়দ মইনুল হাসান সাদিক।
তিনি বলেন, সেই সময়কার চেয়ারম্যান ও নির্বাহী হরিহরা আত্মা ছিলেন। যেমন ইচ্ছা তেমন জনগণের সম্পদ ব্যবহার করেছে, লুট করেছে।