একজন ক্রেতা বলেন, নিম্ন শ্রেণীর লোকের হিসাব করে না। উপরের শ্রেণীর লোকের হিসাব করলে দাম ঠিক আছে। কিন্তু নিম্ন শ্রেণীর লোকের হিসাব করলে দাম ঠিক নেই।
অন্য একজন ক্রেতা বলেন, বড় বড় চাকরিজীবী যারা আছে, ধনী ব্যক্তি। ওদেরই চলবে। আমাদের চলবে না। একটা মাছ ৩০০০ টাকা যদি হয়, আপনি কিভাবে খাবেন বলেন? ৮-১০ টুকরা হবে একটা মাছে। তাহলেতো একটা পিস ৩০০ টাকার মতো পরে যায়।
বর্তমানে এক কেজির বেশি ওজনের বড় ইলিশের কেজি ২৫০০ থেকে ৩৫০০ টাকা। আর এক কেজির কাছাকাছি ওজনের ইলিশের দাম ২০০০ টাকার বেশি। আকারে ছোট ইলিশের দাম তুলনামূলক কম। ৩শ থেকে ৭শ গ্রাম ওজনের ইলিশের দাম এখন ৭০০ থেকে ২০০০ টাকা।
বিক্রেতারা বলছেন, দাম বেশি হওয়ায় ইলিশের ক্রেতা কম। তারা আশানুরুপ বেচা-বিক্রিও করতে পারছেন না।
একজন বিক্রেতা বলেন, এত দামে তো সবাই আর খেতে পারে না। ধরেন একজন মানুষের বেতন দৈনিক ১০০০ টাকা। একটা মাছ ২০০০ টাকা। তো একটা কিনে খেতে পারবে সাধারণ মানুষ? কেউ খেতে পারবে না।
অন্য একজন বিক্রেতা বলেন, গত সপ্তাহে ৭০০ টাকা বেচছি। ওটা আমাদের এবার ৯০০ টাকা বেচা লাগে। এতো দাম বাড়ছে। তো ওই হিসেবে কাস্টমারের তেমন একটা ইলিশের প্রতি চাহিদা নেই। কারণ দাম তো অনেক হয়ে গেছে। আমরা দাম বললে কাস্টমারের চেহারার দিকে তাকায় থাকা লাগে। মানে মাছের দাম এত।
বড় ইলিশের দাম বেশি হওয়ায়, বেশিরভাগ ক্রেতাই এখন ছোট ও মাঝারি আকারের ইলিশের দিকে ঝুঁকছেন।