নেপালে তীব্র স্রোতেও বাড়ি আঁকড়ে বেঁচে থাকা সেই পরিবারের কি হয়েছিল?
নেপালের ভয়াবহ বন্যায় তীব্র কাদাপানির প্রবল স্রোত ও ধ্বংসাবশেষের মাঝে একটি বাড়ির বারান্দা ও ছাদে আটকে থাকা একটি পরিবারের বেঁচে থাকার লড়াইয়ের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।
নিউজটি শুনুন
- আপলোড সময় : ৩১-০৮-২০২৬ ০৩:০১:২৮ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ৩১-০৮-২০২৬ ০৩:০১:২৮ অপরাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ১১৫ বার পঠিত
ছবি: সংগৃহীত
নেপালে ভয়াবহ বন্যার মধ্যে চারপাশ থেকে তীব্র কাদাপানির স্রোত ধেয়ে আসার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওতে দেখা যায়, প্রবল স্রোতের মধ্যে একটি হালকা সবুজ রঙের বাড়ির বারান্দায় কয়েকজন মানুষ আটকা পড়ে আছেন। বাড়িটির ছাদে থাকা একজনকে সাহায্যের জন্য লাল কাপড় নাড়তেও দেখা যায়।
নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০২
বিবিসি ভেরিফাইয়ের তথ্য অনুযায়ী, ভিডিওটি নেপালের ত্রিশূলী নদীসংলগ্ন এলাকার। বন্যার সময় ওই বাড়ির দোতলার বারান্দায় কয়েকজন আটকা পড়েছিলেন। চারপাশে তখন এতটাই তীব্র স্রোত ছিল যে, বাড়িটি যে কোনো মুহূর্তে ভেসে যেতে পারে—এমন আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে তাদের পরবর্তী পরিণতি দেখা যায়নি। তবে বন্যার পানির স্রোত কমে যাওয়ার পর স্থানীয় লোকজন সেখানে পৌঁছে তাদের সাহায্য করেন। ভিডিওতে অন্তত তিনজনকে দেখা যায়—একজন পুরুষ, একজন নারী ও একটি শিশু। শিশুটিকে দেখতে ছোট মেয়ের মতো মনে হয়েছে।
ভিডিওতে দেখা যায়, বাড়িটির চারপাশ দিয়ে তীব্র বেগে কাদামাটির স্রোত বয়ে যাচ্ছে। স্রোতের সঙ্গে বড় বড় পাথর, ধ্বংসাবশেষ এবং বাড়িঘরের টিনের চালও ভেসে যাচ্ছে। এসব ধ্বংসাবশেষ একের পর এক বাড়িটিতে আঘাত করছিল। এ সময় বাড়ির ছাদে থাকা এক নারী সাহায্যের আশায় লাল কাপড় নাড়ছিলেন। অন্যদিকে বারান্দায় থাকা ব্যক্তিদের অসহায়ভাবে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করতে দেখা যায়।
ভিডিওটি দেখে আন্তর্জাতিক বিষয়ক বিশ্লেষক এরিক চেন এটিকে সাম্প্রতিক সময়ের অন্যতম হৃদয়বিদারক দৃশ্য হিসেবে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, ‘চারপাশের সবকিছু ধ্বংস করে দেওয়া প্রবল স্রোতের মধ্যেও বাড়িটি তখনও দাঁড়িয়ে ছিল এবং মানুষগুলো বারান্দা ও ছাদে কোনোভাবে টিকে থাকার চেষ্টা করছিলেন।’
তবে ভিডিওতে দেখা পরিবারটির পরিচয় প্রকাশ করেনি বিবিসি ভেরিফাই। বন্যার পানির স্রোত কমে যাওয়ার পর লোকজন তাদের কাছে পৌঁছাতে সক্ষম হয়েছিল বলে জানানো হয়েছে।
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।