রাজশাহীর বাঘায় এক নারীর সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় খারিজাথাক উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দেলোয়ার হোসেনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শুক্রবার বিকালে বাঘা পৌরসভার গাওপাড়া এলাকার একটি বাড়ি থেকে তাকে এবং ওই নারীকে গ্রেফতার করা হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রধান শিক্ষক দেলোয়ার হোসেন দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যালয়ের এক নারী কর্মচারীর সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্কে জড়িত ছিলেন। শুক্রবার বিদ্যালয়ের অফিসের কাজের কথা বলে ওই নারীকে ডেকে নিয়ে গাওপাড়া এলাকার একটি বাড়িতে যান তিনি। বিষয়টি জানতে পেরে স্থানীয়রা তাদের দুজনকে আটক করে পুলিশে খবর দেন এবং পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের থানায় নিয়ে যায়।
ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর প্রধান শিক্ষক দেলোয়ার হোসেনের স্ত্রী নুরনাহার আক্তার মিলি থানায় গিয়ে স্বামীর সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানান। খারিজাথাক উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক সুফিয়ান হোসেন জানান, এর আগেও স্কুলে বসে তাদের একাধিকবার সতর্ক করা হয়েছিল, তবুও তারা একই আচরণ চালিয়ে যান।
বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি বজলুর রহমান জানান, ঘটনার বিষয়ে তারা অবগত হয়েছেন এবং প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে উপজেলা ও জেলা শিক্ষা কর্মকর্তাকে বিষয়টি জানানো হবে, তারাই পরবর্তী ব্যবস্থা নেবেন।
বাঘা থানার ওসি সেরাজুল হক জানান, শনিবার উভয়কে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। উল্লেখ্য, দেলোয়ার হোসেন মনিগ্রাম বাজারের দক্ষিণপাড়ার কালাচাঁন ব্যাপারির ছেলে এবং কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার পদ্মা নদীর মধ্যবর্তী চিলমারী ইউনিয়নের বাংলাবাজার চরে অবস্থিত খারিজাথাক উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।