বুধবার এ সিদ্ধান্ত নেয় দেশটি। তবে তেহরান অভিযোগটি অস্বীকার করেছে।
বুধবার (১৯ আগস্ট) আল জাজিরার প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়, বুধবার ভোরে দেওয়া এক বিবৃতিতে ইউএইর পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় নিষেধাজ্ঞার বিষয়টি জানায়। বিবৃতিতে বলা হয়, আঞ্চলিক শান্তি ও নিরাপত্তাকে ক্ষতিগ্রস্ত করে এমন সাম্প্রতিক উত্তেজনার পরিপ্রেক্ষিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ইরানের সঙ্গে সব বাণিজ্য, বাণিজ্যিক বিনিময় ও আর্থিক লেনদেন বন্ধ থাকবে।
এর আগে ইউএইর প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছিল, দেশটির আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ইরান থেকে ছোড়া দুটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্ত করেছে। এর মধ্যে একটি ইউএইর আঞ্চলিক জলসীমার বাইরে গিয়ে পড়ে এবং অন্যটি দেশটির জলসীমার মধ্যে পতিত হয়।
পরবর্তী এক বিবৃতিতে মন্ত্রণালয় দাবি করে, ক্ষেপণাস্ত্র দুটি সমুদ্রপথে চলাচলকারী জাহাজকে লক্ষ্য করে ছোড়া হয়েছিল। আঞ্চলিক সমুদ্রপথের নিরাপত্তা কিংবা দেশের নিরাপত্তা বিঘ্নিত করার যে কোনো প্রচেষ্টা কঠোরভাবে মোকাবিলা করা হবে বলেও সতর্ক করেছে আবুধাবি।
অন্যদিকে ইউএইর অভিযোগকে ‘ভিত্তিহীন’ বলে প্রত্যাখ্যান করেছে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে চলমান যুদ্ধের মধ্যে এটি একটি ‘ফলস ফ্ল্যাগ’ বা বিভ্রান্তিকর অভিযান হতে পারে।
বাঘাই বলেন, এমন অভিযোগ প্রতিবেশীসুলভ সম্পর্কের নীতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক। তিনি আঞ্চলিক দেশগুলোকে তেহরানের বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন অভিযোগ থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানান।
ইরানের এই মুখপাত্র আরও বলেন, পরিস্থিতির নিরপেক্ষ মূল্যায়ন করতে হলে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের কথিত ‘বিদ্বেষপূর্ণ কর্মকাণ্ড’ও বিবেচনায় নিতে হবে।