আঞ্চলিক ও পশ্চিমা কর্মকর্তাদের বরাতে রয়টার্স জানিয়েছে, আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে অভিযান শুরু হতে পারে। এতে সৌদি আরবের তত্ত্বাবধানে থাকা ইয়েমেনি বাহিনী স্থলপথে অভিযান চালাবে। তাদের সহায়তায় সৌদি আরব বিমান হামলা চালাতে পারে।
প্রস্তুতির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ছয়জন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, সৌদি আরব দুটি সম্ভাব্য বিকল্প বিবেচনা করছে। একটি হলো বাব আল-মান্দাবের আশপাশে সীমিত পরিসরে অভিযান। অন্যটি হলো ইয়েমেনের একাধিক এলাকায় একযোগে বড় ধরনের সামরিক অভিযান।
বৃহত্তর অভিযান হলে আল-বাইদা, মারিব, তাইজ ও আল-জাওফ প্রদেশেও একসঙ্গে হামলা চালানো হতে পারে। অভিযানের পরিধির ওপর নির্ভর করে এক লাখের বেশি ইয়েমেনি সেনা এতে অংশ নিতে পারে বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
এদিকে সৌদি অভিযানে যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি যুদ্ধে অংশ না নিলেও গোয়েন্দা তথ্য ও সামরিক পরামর্শ দিয়ে সহায়তা করছে বলে জানিয়েছেন এক পশ্চিমা কূটনীতিক। তবে সৌদি মিত্রদের সরাসরি যুদ্ধ অভিযানে অংশ নেওয়ার সম্ভাবনা নেই।
তবে পাকিস্তান ও তুরস্ক সৌদি আরবকে সামরিক সরঞ্জাম দিয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। পাকিস্তান বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, ড্রোন, ড্রোন প্রতিরোধী সরঞ্জাম ও হালকা কামান পাঠিয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে।
স্থল অভিযানের সম্ভাবনা নিয়ে ইয়েমেন বিশ্লেষক মোহাম্মদ আলবাশা বলেছেন, অনেক হুতিবিরোধী বাহিনী এখনো সুসংগঠিত হুতি বাহিনীর বিরুদ্ধে দীর্ঘস্থায়ী অভিযান চালানোর মতো প্রস্তুত নয়।
সৌদি সরকারের ঘনিষ্ঠ রাজনৈতিক বিশ্লেষক আলি শিহাবিও বলেছেন, সম্ভাব্য অভিযানের সাফল্য অনেকটাই নির্ভর করবে স্থানীয় ইয়েমেনি বাহিনীর সামরিক সক্ষমতার ওপর।
এদিকে সৌদি আরবের পরিকল্পনা নিয়ে দেশটির সরকার, ইয়েমেন সরকার, হুতি গোষ্ঠী এবং মার্কিন সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
অভিযানটি ঠিক কবে শুরু হবে, তা এখনো নিশ্চিত নয়। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ধারণা, এক সপ্তাহের মধ্যে অভিযান শুরু হতে পারে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন শেষ না হওয়া পর্যন্তও তা পিছিয়ে যেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সূত্র: রয়টার্স