কালিয়াকৈরে কারখানার পানি পান করে অসুস্থ অর্ধশতাধিক শ্রমিক, হাসপাতালে ভর্তি
- আপলোড সময় : ১৮-০৬-২০২৬ ০১:৩৪:২৫ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ১৮-০৬-২০২৬ ০১:৩৪:২৫ অপরাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ১০৮ বার পঠিত
সংগৃহীত ছবি
গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলায় একটি পোশাক কারখানায় সরবরাহকৃত পানি পান করার পর অর্ধশতাধিক শ্রমিক অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। বৃহস্পতিবার সকালে এ ঘটনা ঘটার পর অসুস্থ শ্রমিকদের দ্রুত স্থানীয় সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। প্রাথমিকভাবে সবাই শঙ্কামুক্ত রয়েছেন বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
শ্রমিক ও কারখানা সূত্রে জানা গেছে, সকালে কর্মস্থলে যোগ দেওয়ার পর কারখানার সরবরাহ করা পানি পান করেন শ্রমিকরা। কিছু সময়ের মধ্যেই তাদের অনেকের বমি, পেটব্যথা, মাথা ঘোরা, দুর্বলতা এবং শ্বাসকষ্টের মতো উপসর্গ দেখা দিতে শুরু করে। পরিস্থিতি দ্রুত অবনতির দিকে গেলে কারখানাজুড়ে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়ে এবং অসুস্থ শ্রমিকদের উদ্ধার করে কালিয়াকৈর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন হাসপাতাল ও ক্লিনিকে পাঠানো হয়।
অসুস্থ কয়েকজন শ্রমিকের দাবি, পানিতে অস্বাভাবিক দুর্গন্ধ ছিল। পানি পান করার অল্প সময়ের মধ্যেই তারা অসুস্থ বোধ করেন। পরে একই ধরনের উপসর্গ নিয়ে আরও অনেক শ্রমিক চিকিৎসা নিতে বাধ্য হন।
ড্রেসম্যান লিমিটেড কারখানার এজিএম (প্রশাসন) আতিকুল ইসলাম বলেন, শ্রমিকদের অসুস্থ হওয়ার খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। তার মতে, কয়েকদিন আগে টানা বর্ষণের ফলে আশপাশে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছিল। এতে পানির উৎস কোনোভাবে দূষিত হয়ে থাকতে পারে। তবে কারখানার পানিতে সরাসরি কোনো সমস্যা পাওয়া যায়নি বলেও তিনি দাবি করেন।
তিনি আরও জানান, কারখানা কর্তৃপক্ষের হিসাব অনুযায়ী ৪০ থেকে ৫০ জন শ্রমিক অসুস্থ হয়েছেন। তবে বিভিন্ন সূত্রে আক্রান্তের সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
কালিয়াকৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম বলেন, শ্রমিক অসুস্থ হওয়ার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে এবং অসুস্থদের চিকিৎসা নিশ্চিত করা হয়েছে। চিকিৎসকদের তথ্য অনুযায়ী, আক্রান্ত শ্রমিকদের কেউই বর্তমানে আশঙ্কাজনক অবস্থায় নেই।
ঘটনার প্রকৃত কারণ নির্ধারণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ পানির মান ও অন্যান্য সম্ভাব্য উৎস পরীক্ষা-নিরীক্ষার উদ্যোগ নিতে পারে বলে জানা গেছে।
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।