ইরান হামলায় মাস্কের এআই ‘গ্রোক’ ব্যবহার করেছে আমেরিকা, পেন্টাগনের স্বীকারোক্তি
নিউজটি শুনুন
- আপলোড সময় : ১৮-০৬-২০২৬ ০১:৫০:১২ পূর্বাহ্ন
- আপডেট সময় : ১৮-০৬-২০২৬ ০১:৫০:১২ পূর্বাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ১১০ বার পঠিত
ছবি: সংগৃহীত
ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক হামলায় ইলন মাস্কের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ‘গ্রোক’ ব্যবহার করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এতে মার্কিন সামরিক অভিযানের কার্যকারিতা বহুগুণ বেড়েছে বলে এক আইনি নথিতে স্বীকার করেছে পেন্টাগন।
গত ১৫ জুনের ওই নথিতে এই ট্রিলিয়নেয়ারের প্রতিষ্ঠান এক্সএআইয়ের একটি বিশাল ডেটা সেন্টারের গ্যাস টারবাইনের পক্ষে আইনি যুক্তি তুলে ধরা হয়েছে, যা একটি পরিবেশবাদী মামলায় বিচারের মুখে রয়েছে।
এএফপির হাতে আসা নথিতে যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ যুক্তি দিয়েছে যে, ‘এই মামলা মার্কিন জাতীয়, অর্থনৈতিক ও জ্বালানি নিরাপত্তাকে হুমকির মুখে ফেলেছে। কারণ, এটি এমন একটি বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করতে চাইছে যা যুদ্ধ দপ্তরের সামরিক অভিযানে সহায়ক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) উদ্ভাবনকে শক্তি জোগায়।’
এই যুক্তির পক্ষে পেন্টাগনের এআই প্রধান ক্যামেরন স্ট্যানলির শপথপূর্বক দেওয়া সাক্ষ্য উপস্থাপন করা হয়েছে।
সেখানে তিনি বলেছেন, মার্কিন সামরিক বাহিনীর এআই-নির্ভর টার্গেটিং প্রোগ্রাম ‘প্রজেক্ট মাভেন’–এ ‘গ্রোক’ ইতিমধ্যে ব্যবহৃত হচ্ছে। এই প্রকল্পটি শুরুতে অ্যানথ্রোপিকের ‘ক্লদ’ মডেল দিয়ে পরিচালিত হলেও পরে ‘গ্রোক’ যুক্ত করা হয়।
পরবর্তীতে তিনি মাস্কের প্রযুক্তি এবং ‘গ্রোক গভ মডেল’–এর কারণে অভিযানের কার্যকারিতা বহুগুণ বেড়েছে বলে প্রশংসা করেন।
স্ট্যানলির বিবৃতি অনুযায়ী, ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ অভিযানের ৯৬ ঘণ্টার মধ্যে ‘মাভেন স্মার্ট সিস্টেম’ (এমএসএস) ব্যবহার করে মার্কিন বাহিনী দুই হাজারের বেশি লক্ষ্যবস্তুতে দুই হাজারের বেশি গোলা নিক্ষেপ করেছে।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের কৃষ্ণাঙ্গ নাগরিকদের অধিকার রক্ষায় কাজ করা সংগঠন এনএএসিপি এক্সএআইয়ের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে। তারা অভিযোগ করেছে, কম্পানিটি বিনা অনুমতিতে কয়েক ডজন টারবাইন চালিয়ে ‘ক্লিন এয়ার অ্যাক্ট’ লঙ্ঘন করছে এবং এর ফলে কৃষ্ণাঙ্গ-অধ্যুষিত এলাকাগুলো দূষণের শিকার হচ্ছে।
তবে এক্সএআইয়ের দাবি, টারবাইনগুলো অস্থায়ী ও ভ্রাম্যমাণ হওয়ায় এগুলো সংশ্লিষ্ট বিধিনিষেধের আওতায় পড়ে না।
গত ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে অ্যানথ্রোপিক তাদের প্রযুক্তি সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয় হামলা বা মার্কিন নাগরিকদের গণ-নজরদারিতে ব্যবহার করতে অস্বীকৃতি জানালে সরকার তাদের সঙ্গে চুক্তি বাতিল করে।
এরপর পেন্টাগন গুগল, ওপেনএআই এবং এক্সএআইয়ের মতো প্রতিদ্বন্দ্বী প্রতিষ্ঠানগুলোর দিকে ঝুঁকেছে।
যদিও গুগলের ৬০০-এর বেশি কর্মী গোপনীয় সামরিক অভিযানে প্রতিষ্ঠানটির এআই সরবরাহ না করার দাবি জানিয়েছেন।
এদিকে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ মিত্র ইলন মাস্ক গত ফেব্রুয়ারিতে এক্সএআইকে তার মহাকাশ গবেষণা প্রতিষ্ঠান স্পেসএক্সের সঙ্গে একীভূত করেন বলেও জানানো হয়েছে প্রতিবেদনে।
নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০২
গত ১৫ জুনের ওই নথিতে এই ট্রিলিয়নেয়ারের প্রতিষ্ঠান এক্সএআইয়ের একটি বিশাল ডেটা সেন্টারের গ্যাস টারবাইনের পক্ষে আইনি যুক্তি তুলে ধরা হয়েছে, যা একটি পরিবেশবাদী মামলায় বিচারের মুখে রয়েছে।
এএফপির হাতে আসা নথিতে যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ যুক্তি দিয়েছে যে, ‘এই মামলা মার্কিন জাতীয়, অর্থনৈতিক ও জ্বালানি নিরাপত্তাকে হুমকির মুখে ফেলেছে। কারণ, এটি এমন একটি বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করতে চাইছে যা যুদ্ধ দপ্তরের সামরিক অভিযানে সহায়ক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) উদ্ভাবনকে শক্তি জোগায়।’
এই যুক্তির পক্ষে পেন্টাগনের এআই প্রধান ক্যামেরন স্ট্যানলির শপথপূর্বক দেওয়া সাক্ষ্য উপস্থাপন করা হয়েছে।
সেখানে তিনি বলেছেন, মার্কিন সামরিক বাহিনীর এআই-নির্ভর টার্গেটিং প্রোগ্রাম ‘প্রজেক্ট মাভেন’–এ ‘গ্রোক’ ইতিমধ্যে ব্যবহৃত হচ্ছে। এই প্রকল্পটি শুরুতে অ্যানথ্রোপিকের ‘ক্লদ’ মডেল দিয়ে পরিচালিত হলেও পরে ‘গ্রোক’ যুক্ত করা হয়।
পরবর্তীতে তিনি মাস্কের প্রযুক্তি এবং ‘গ্রোক গভ মডেল’–এর কারণে অভিযানের কার্যকারিতা বহুগুণ বেড়েছে বলে প্রশংসা করেন।
স্ট্যানলির বিবৃতি অনুযায়ী, ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ অভিযানের ৯৬ ঘণ্টার মধ্যে ‘মাভেন স্মার্ট সিস্টেম’ (এমএসএস) ব্যবহার করে মার্কিন বাহিনী দুই হাজারের বেশি লক্ষ্যবস্তুতে দুই হাজারের বেশি গোলা নিক্ষেপ করেছে।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের কৃষ্ণাঙ্গ নাগরিকদের অধিকার রক্ষায় কাজ করা সংগঠন এনএএসিপি এক্সএআইয়ের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে। তারা অভিযোগ করেছে, কম্পানিটি বিনা অনুমতিতে কয়েক ডজন টারবাইন চালিয়ে ‘ক্লিন এয়ার অ্যাক্ট’ লঙ্ঘন করছে এবং এর ফলে কৃষ্ণাঙ্গ-অধ্যুষিত এলাকাগুলো দূষণের শিকার হচ্ছে।
তবে এক্সএআইয়ের দাবি, টারবাইনগুলো অস্থায়ী ও ভ্রাম্যমাণ হওয়ায় এগুলো সংশ্লিষ্ট বিধিনিষেধের আওতায় পড়ে না।
গত ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে অ্যানথ্রোপিক তাদের প্রযুক্তি সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয় হামলা বা মার্কিন নাগরিকদের গণ-নজরদারিতে ব্যবহার করতে অস্বীকৃতি জানালে সরকার তাদের সঙ্গে চুক্তি বাতিল করে।
এরপর পেন্টাগন গুগল, ওপেনএআই এবং এক্সএআইয়ের মতো প্রতিদ্বন্দ্বী প্রতিষ্ঠানগুলোর দিকে ঝুঁকেছে।
যদিও গুগলের ৬০০-এর বেশি কর্মী গোপনীয় সামরিক অভিযানে প্রতিষ্ঠানটির এআই সরবরাহ না করার দাবি জানিয়েছেন।
এদিকে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ মিত্র ইলন মাস্ক গত ফেব্রুয়ারিতে এক্সএআইকে তার মহাকাশ গবেষণা প্রতিষ্ঠান স্পেসএক্সের সঙ্গে একীভূত করেন বলেও জানানো হয়েছে প্রতিবেদনে।
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।