রাফাহ সীমান্ত বন্ধ রাখা হচ্ছে — বেঁধে দেওয়া শর্ত: ‘বন্দীদের মৃতদেহ ফেরত না দিলে খুলব না’
নিউজটি শুনুন
- আপলোড সময় : ১৪-১০-২০২৫ ১১:৩৬:৪৭ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ১৪-১০-২০২৫ ১১:৩৬:৪৭ অপরাহ্ন
- ১ মিনিট পড়ার সময়
- ৪৬ বার পঠিত
ছবি: সংগৃহীত
ইসরায়েল ঘোষণা করেছে, হামাস বন্দিদের মৃতদেহ পুরোপুরি ফিরিয়ে না দিলে রাফাহ ক্রসিং খোলা হবে না এবং গাজার দিকে মানবিক সহায়তা সীমিত রাখা হবে — এমন সিদ্ধান্তে শুক্রবার থেকে ক্রসিং বন্ধ থাকবে বলে জানানো হয়েছে।
নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০২
সূত্রগুলো বলছে, এই সিদ্ধান্তটি একটি সাম্প্রতিক চুক্তির শর্তের অংশ—বন্দিদের দেহ প্রত্যাহারের প্রক্রিয়া বিলম্বিত হওয়ায় ইসরায়েল সীমান্ত পুনরায় খুলতে অনীহা প্রকাশ করেছে। রেড ক্রিসেন্ট ও মধ্যস্থতাকারী দেশগুলো চেষ্টা করে আসছিলেন দ্রুত দেহ হস্তান্তরের জন্য, কিন্তু বিস্তীর্ণ ধ্বংসস্তূপ ও নিরাপত্তাজটিলতার কারণে মৃতদেহ উদ্ধার ও শনাক্তকরণে সময় লাগছে।
এতে সরাসরি প্রভাব পড়ছে গাজার দক্ষিণে রাফাহ দিয়ে প্রবাহিত ত্রাণচক্রে—আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো জানিয়েছে, প্রত্যাশিত হারে কনভয় ঢুকছে না এবং কয়েকশ’ হাজার লোক এখনও তীব্র সহায়তার অপেক্ষায়। সাহায্যের পরিমাণ কমানো ও ক্রসিং বন্ধ রাখার ফলে দুর্ভিক্ষ-ঝুঁকি ও স্বাস্থ্যসেবা সংকট বাড়তে পারে বলে সতর্ক করেছেন মানবিক সংস্থাগুলো।
ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ বলছে, দেহ হস্তান্তর ইস্যুতে চুক্তিভঙ্গ হলে তারা "চাপে" থেকে প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়ন করবে না; অন্যদিকে মধ্যস্থতাকারী দেশ ও আন্তর্জাতিক সংগঠন জোর দিয়ে বলছে—মানবিক চ্যানেলগুলো খোলা রাখা উচিত যাতে সাধারণ মানুষকে জরুরি সহায়তা পৌঁছে দেয়া যায়। এ বিবাদ কিভাবে সমাধান হবে, তা এখনও অনিশ্চিত।
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।