ঢাকা , শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬ , ২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ (হেমন্তকাল) , ৬ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
সংবাদ শিরোনাম :
নভেম্বরের মধ্যে রূপপুর থেকে ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে মক্কায় মসজিদের ভেতরে ‘অনৈতিক কাজ’ করার দায়ে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড মাদক, কিশোর গ্যাং ও র‍্যাগ ডে রোধে মাউশির নির্দেশ হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা সর্বকালের রেকর্ড ছাড়িয়েছে চুয়েটে ৩০ ঘণ্টা পর অবরুদ্ধ উপাচার্যকে উদ্ধার, ক্যাম্পাসে না আসার শর্তে রেলখাতের উন্নয়নে ৮০টি নতুন ইঞ্জিন আমদানির উদ্যোগ: রেলমন্ত্রী কুমিল্লায় কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে আরও ৩৫৩ জন আটক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রস্তুতি শেষে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের সুপারিশ তৃতীয় টার্মিনালের গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ে প্রস্তাব ৪ বিদেশি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ ভারত বাণিজ্য বৈঠক শেষ আজ, আলোচনায় শুল্ক ও বাণিজ্য ঘাটতি রূপপুর পারমাণবিক কেন্দ্রের প্রথম ইউনিটে নিয়ন্ত্রিত বিক্রিয়া শুরু বিমানের বহরে যুক্ত হচ্ছে এয়ারবাসের ১০ উড়োজাহাজ এশিয়ার বাজারগুলোতে বাড়ছে বাংলাদেশের রপ্তানি অবসরভাতা পেতে শিক্ষকদের ভোগান্তি বন্ধের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর বাংলাদেশকে খাদ্য নিরাপত্তায় ৩০০ মিলিয়ন ডলার দেবে বিশ্বব্যাংক পাকিস্তান ও ভারতীয়দের তুলনায় বাংলাদেশিদের গড় আয়ু বেশি: WHO যানজট নিরসনে বৃত্তাকার সড়ক নির্মাণের গতি বাড়ানোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রী কেন সম্ভাব্য মার্কিন হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে কানাডা? অক্টোবরে বেতনের সঙ্গে ৩ মাসের বকেয়া পেতে পারেন সরকারি চাকরিজীবীরা রোহিঙ্গা সংকটের সমাধান মিয়ানমারেই হতে হবে: তারেক রহমান

বিকৃত নামে ডাকা: ইসলামে কেন মারাত্মক গুনাহ

নিউজটি শুনুন
  • আপলোড সময় : ০৮-১০-২০২৫ ০৯:৫১:৫২ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ০৮-১০-২০২৫ ০৯:৫১:৫২ অপরাহ্ন
  • ২ মিনিট পড়ার সময়
  • ৭৫ বার পঠিত
বিকৃত নামে ডাকা: ইসলামে কেন মারাত্মক গুনাহ ছবি সংগৃহীত

ইসলাম পারস্পরিক সম্মান ও মর্যাদা রক্ষাকে অতি গুরুত্ব দেয়। অন্যকে বিকৃত বা ব্যঙ্গাত্মক নামে ডাকা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ, যা কেবল মানসিক কষ্টই নয়, বরং কোরআন ও হাদিসে ‘কবিরা গুনাহ’ হিসেবে বর্ণিত হয়েছে।
 

কোরআনে আল্লাহ তাআলা নির্দেশ দিয়েছেন, “হে ইমানদাররা! কোনো সম্প্রদায় যেন অন্য সম্প্রদায়কে উপহাস না করে; হতে পারে, উপহাসের পাত্ররাই তাদের চেয়ে উত্তম... আর তোমরা একে অপরকে মন্দ নামে ডেকো না; ঈমানের পর মন্দ নাম অত্যন্ত নিকৃষ্ট। আর যারা তাওবা করে না, তারাই তো জালিম।” (সুরা হুজরাত: ১১) এই আয়াত স্পষ্টভাবে দেখায়, অন্যকে অপমানজনক নামে ডাকা আল্লাহর কাছে জালিমের কাজ।
 

হাদিসেও উপহাস ও ব্যঙ্গের ভয়াবহ পরিণতি উল্লেখ আছে। রাসুলুল্লাহ (স.) বলেছেন, “সে-ই প্রকৃত মুসলিম, যার জিহ্বা ও হাত থেকে অন্য মুসলিম নিরাপদ।” (তিরমিজি: ২৬২৭) তিনি আরও বলেছেন, “উপহাসকারীর জন্য জান্নাতের দরজা খুলে দেওয়া হবে, কিন্তু প্রবেশ করতে চাইলে তা বন্ধ হয়ে যাবে।” (কানজুল উম্মাল: ৮৩২৮)
 

ডিজিটাল যুগে সামাজিক মাধ্যম স্বল্পতাচ্ছিল্যকে ছড়িয়ে দিয়েছে। ফেসবুক বা অন্যান্য প্ল্যাটফর্মে কারও নাম বিকৃত করে মিম বা ট্রল করা শুধু মানহানি নয়, নিজের আমলও ক্ষতিগ্রস্ত করে।
 

ইসলামের দৃষ্টিতে অন্যকে তুচ্ছ করা, উপহাস করা বা বিকৃত নামে ডাকা গিবতের সমান মারাত্মক। রাসুলুল্লাহ (স.) বলেছেন, “যে তার ভাইয়ের সম্মান অনুপস্থিতিতে রক্ষা করে, আল্লাহ কেয়ামতের দিন তার মুখ আগুন থেকে রক্ষা করবেন।” (তিরমিজি: ১৯৩১) অন্যের প্রতি সম্মান প্রদর্শন, প্রকৃত নামে ডাকা ও শালীন আচরণ প্রত্যেক মুসলমানের ঈমানি দায়িত্ব।
 

অতএব, জিহ্বা সংযত রাখা এবং অন্যের মর্যাদা রক্ষা করা আমাদের জন্য অপরিহার্য। আল্লাহ তাআলা সকলকে জিহ্বার গুনাহ থেকে রক্ষা করুন। আমিন।


নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০৬

মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।