পল্লবী ও রূপনগরে আতঙ্ক ছড়ানো গ্রুপের ৮ সদস্য গ্রেপ্তার
পল্লবীর দুই এলাকায় অভিযানে আটজন গ্রেপ্তার, উদ্ধার বিদেশি পিস্তল, গুলি ও মাদক। জমি দখল ও চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগ।
- আপলোড সময় : ১৪-১০-২০২৬ ০৯:৫৪:০৭ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ১৪-১০-২০২৬ ০৯:৫৪:০৭ অপরাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ১২ বার পঠিত
ছবি—সংগৃহীত
বুধবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসআরবি-৪ জানায়, গত সোমবার দিবাগত রাতে পল্লবী থানার সিরামিক এলাকা ও ১২ নম্বর ঝিলপাড়ায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। অভিযুক্ত ব্যক্তিরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অস্ত্রের মহড়া ও শোডাউনের ভিডিও ছড়িয়ে এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করতেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন জুয়েল রানা (২৬), সায়মন (২০), রমজান (২২), বিজয় (২৩), ফজলে রাব্বি চিকু (২৩), আফসার হোসেন জিম (১৯), জাহাঙ্গীর হোসেন এবং মিশন ইসলাম ওরফে মিনহাজুল ইসলাম। তাঁদের মধ্যে রমজানের বিরুদ্ধে দুটি, ফজলে রাব্বির বিরুদ্ধে একটি, মিশনের বিরুদ্ধে দুটি এবং বিজয়ের বিরুদ্ধে দুটি মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে এসআরবি।
সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, আফসার ‘ফোর স্টার’ গ্রুপের মশিউর-মামুন অংশের শুটার হিসেবে পরিচিত। আফসার ও সায়মনের কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল ও একটি গুলি উদ্ধার করা হয়েছে। সায়মন অস্ত্র বহন ও গুলিবর্ষণের সময় আফসারের সঙ্গে সামনের সারিতে থাকতেন বলে জানিয়েছে এসআরবি।
জাহাঙ্গীর পল্লবী এলাকায় মাদক নিয়ন্ত্রণ করতেন বলে অভিযোগ করেছে সংস্থাটি। তাঁকে গ্রেপ্তারের সময় ২৫টি ইয়াবা বড়ি ও ১৬ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়। তাঁর বিরুদ্ধে দুটি মাদক মামলা রয়েছে।
এসআরবি আরও জানায়, জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মশিউর-মামুন ও মোক্তার গ্রুপের হয়ে জমি ও স্থাপনা দখল, চাঁদাবাজি, অস্ত্রের মহড়া এবং বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার তথ্য পাওয়া গেছে বলে দাবি করা হয়েছে। বিজয় ও ফজলে রাব্বি চিকু অস্ত্রধারী সদস্য হিসেবে পরিচিত। রমজানও গ্রুপটির সক্রিয় সদস্য বলে জানিয়েছে সংস্থাটি। মিশন ওরফে চোর মিশনের বিরুদ্ধে চোরাই মালামাল কেনাবেচার সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগ রয়েছে। অন্যদিকে, জুয়েল রানা মোক্তার গ্রুপের সক্রিয় অস্ত্রধারী সদস্য এবং সাবু ও পাগলা মামুনের হয়ে কাজ করতেন বলে দাবি করেছে এসআরবি।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মিরপুর, পল্লবী ও রূপনগর এলাকায় কিশোর গ্যাংয়ের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড নিয়ে গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশের পর বিষয়টি ব্যাপক আলোচনায় আসে। এসব অপরাধের খবর প্রকাশ করায় এক সাংবাদিকের বাসায় হামলা ও গুলিবর্ষণের ঘটনাও ঘটে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট থানায় পাঠানো হয়েছে। কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে এসআরবি।
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।