১০ বছরের কারাদণ্ডের রায়ের বিরুদ্ধে ইনুর আপিল
সাজা বাতিল চেয়ে সুপ্রিম কোর্টে আপিল করেছেন সাবেক তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু।
- আপলোড সময় : ১৪-১০-২০২৬ ১১:৪২:০৭ পূর্বাহ্ন
- আপডেট সময় : ১৪-১০-২০২৬ ১১:৪২:০৭ পূর্বাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ১৩ বার পঠিত
ছবি সংগৃহীত
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ১০ বছরের কারাদণ্ডের রায়ের বিরুদ্ধে খালাস চেয়ে আপিল করেছেন জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) সভাপতি ও সাবেক তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু।
বুধবার (১৪ অক্টোবর) সুপ্রিম কোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় আপিলটি করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তাঁর আইনজীবী সিফাত মাহমুদ শুভ।
এর আগে, গত ৩০ জুন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ ইনুকে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ১০ বছরের কারাদণ্ড দেন। তাঁর বিরুদ্ধে আনা আটটি অভিযোগের মধ্যে তিনটি—তৃতীয়, ষষ্ঠ ও সপ্তম—প্রমাণিত হওয়ায় প্রতিটিতে ১০ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। তবে সাজাগুলো একসঙ্গে কার্যকর হওয়ার নির্দেশ দেওয়ায় তাঁকে মোট ১০ বছর কারাগারে থাকতে হবে।
ট্রাইব্যুনালের রায়ে বলা হয়, রাইসুল হকসহ কয়েকজনকে গুরুতর আহত করা, নির্যাতন এবং রাজনৈতিক কারণে নিপীড়নের অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। এ ছাড়া মানবতাবিরোধী অপরাধে ষড়যন্ত্র, প্ররোচনা ও সহযোগিতার অভিযোগেও তাঁকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়। এসব অভিযোগে কারাদণ্ডের পাশাপাশি পৃথক অভিযোগে এক লাখ টাকা করে জরিমানাও করা হয়।
অন্যদিকে, ইনুর বিরুদ্ধে আনা প্রথম, দ্বিতীয়, চতুর্থ, পঞ্চম ও অষ্টম অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় ট্রাইব্যুনাল তাঁকে এসব অভিযোগ থেকে খালাস দেন।
যেসব অভিযোগে সাজা হয়েছে
তৃতীয় অভিযোগে বলা হয়, ২০২৪ সালের ২০ জুলাই দুপুরে কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপারকে ফোন করে আন্দোলনকারীদের ভিডিও দেখে শনাক্ত করার পাশাপাশি তাঁদের দমন, আটক, নির্যাতন ও হত্যার নির্দেশ দিয়েছিলেন ইনু।
ষষ্ঠ অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, ২৯ জুলাই ১৪ দলীয় জোটের সভায় উপস্থিত থেকে তিনি আন্দোলনকারীদের ‘জামায়াত, সন্ত্রাসী, সাম্প্রদায়িক’ হিসেবে আখ্যায়িত করেন। একই সভায় জামায়াতে ইসলামীকে নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্তের মাধ্যমে আন্দোলনকারীদের ওপর চালানো হত্যা ও নির্যাতনকে বৈধতা দেওয়ার চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
সপ্তম অভিযোগে বলা হয়, ৪ আগস্ট বিকেলে আন্দোলনকারীদের ‘জঙ্গি’ আখ্যা দিয়ে কারফিউ জারির মাধ্যমে গুলি চালানোর কঠোর সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং তা বাস্তবায়নে অধস্তনদের নির্দেশ দিয়েছিলেন ইনু।
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।