ঢাকা , রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬ , ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ (হেমন্তকাল) , ২১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
সংবাদ শিরোনাম :
ছাদে সোলার প্যানেল বসালেই মিলবে কর ছাড় হাসিনার দেশত্যাগের ভিডিও ছড়ানোয় তাহসিফকে হত্যার সন্দেহ লংমার্চ বাদ দিয়ে আলোচনায় বসার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর রূপপুরের প্রথম ইউনিটে পরীক্ষামূলক বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু সালমান শাহ হত্যা মামলায় ডনের জামিন আবেদন ফের নাকচ কর্মকর্তাদের গাড়ির জ্বালানি বরাদ্দ কমাল ডিএসসিসি বিশ্ববাজারে পণ্যের দাম ২৩ শতাংশ বাড়ার পূর্বাভাস বিশ্বব্যাংকের তুরাগ নদে সাবেক বিমানবাহিনী কর্মকর্তা তাহসিফের লাশ উদ্ধার কুষ্টিয়ায় ছয় হত্যা মামলায় হানিফের মৃত্যুদণ্ড, তিনজনের আমৃত্যু কারাদণ্ড ৪৬ বছর পর ফিরছে গ্রাম সরকার, থাকছে ১৭ সদস্য খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে হামলার মামলায় সোহাগের ৩ দিনের রিমান্ড রমজান সামনে রেখে বাড়ছে নিত্যপণ্যের আমদানি, কমেছে কয়েকটির দাম অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত ইউনিয়ন পরিষদ পুনর্গঠন ও বিভক্তকরণ সাংবাদিকদের নিয়ে মন্তব্য, এনায়েতুল্লাহ আব্বাসীকে আইনি নোটিশ শুধু আইনে সড়ক নিরাপদ হবে না, প্রয়োজন কার্যকর প্রয়োগ: ইলিয়াস কাঞ্চন টঙ্গীতে ছাত্রীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ, শিক্ষক গ্রেপ্তার দিল্লি এড়িয়ে রুবিওর ভারত সফর, বদলাচ্ছে সম্পর্কের সমীকরণ ৯৭ শতাংশ কাজ শেষ, তবু বাতিল বিআরটি প্রকল্প রাজধানীর যানজট নিরসনে সরকারের চার বড় উদ্যোগ ইউনিসেফের সঙ্গে সহযোগিতা বাড়াতে চায় বাংলাদেশ সরকার

জুস নয়, পুরো ফল খাওয়ার অভ্যাস কেন বেশি উপকারী?

ফলের জুস জনপ্রিয় হলেও স্বাভাবিক অবস্থায় পুরো ফল খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।

নিউজটি শুনুন
  • আপলোড সময় : ১৭-০৯-২০২৬ ০৮:০৬:২০ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১৭-০৯-২০২৬ ০৮:০৬:২০ অপরাহ্ন
  • ২ মিনিট পড়ার সময়
  • ৯০ বার পঠিত
জুস নয়, পুরো ফল খাওয়ার অভ্যাস কেন বেশি উপকারী? প্রতীকী ছবি- ( সংগৃহীত)

ফল আমাদের দৈনন্দিন খাদ্যতালিকার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ভিটামিন, খনিজ, পানি ও বিভিন্ন উপকারী উদ্ভিজ্জ উপাদানে সমৃদ্ধ ফল শরীরের সুস্থতা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তবে আধুনিক সময়ে অনেকেই পুরো ফল খাওয়ার পরিবর্তে ফলের জুস পান করতে বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। অনেকের ধারণা, জুস ও পুরো ফলের পুষ্টিগুণ প্রায় একই। বাস্তবে বিষয়টি পুরোপুরি এমন নয়। অধিকাংশ ক্ষেত্রে পুরো ফল খাওয়া জুসের চেয়ে বেশি উপকারী।

ফলের জুসে সাধারণত ফলের অনেক ভিটামিন ও খনিজ উপাদান থেকে যায়, কিন্তু ফলের স্বাভাবিক গঠনের কারণে প্রাপ্ত আঁশ অনুপস্থিত রয়ে যায়। এ কারণেই নিয়মিত খাদ্যতালিকায় পুরো ফলকে অগ্রাধিকার দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।

আঁশ বা ফাইবার পুরো ফলের অন্যতম উপাদান গুলোর একটি
ফলের ভেতরে থাকা খাদ্যআঁশ বা ফাইবার হজম প্রক্রিয়াকে স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে। ফলের আঁশ অন্ত্রের কার্যক্রমকে সহায়তা করে, কোষ্ঠকাঠিন্য কমাতে ভূমিকা রাখে এবং দীর্ঘ সময় পেট ভরা অনুভূতি দিতে পারে। জুস তৈরির সময় ফলের শাঁস ও আঁশের একটি বড় অংশ বাদ পড়ে যায়। ফলে জুস পান করলে সেই গুরুত্বপূর্ণ উপকারিতা পুরোপুরি পাওয়া যায় না। এছাড়া আঁশযুক্ত খাবার সাধারণত বেশি তৃপ্তি দেয়, ফলে অতিরিক্ত খাওয়ার প্রবণতাও কমতে পারে।

তবে এর অর্থ এই নয় যে ফলের জুস সম্পূর্ণ অপ্রয়োজনীয়। বিশুদ্ধ ফলের জুসেও কিছু ভিটামিন, খনিজ ও উদ্ভিজ্জ পুষ্টি উপাদান থাকে। কিন্তু দৈনন্দিন খাদ্যাভ্যাসে ফল গ্রহণের ক্ষেত্রে জুসের পরিবর্তে পুরো ফলকে অগ্রাধিকার দিলে শরীর সাধারণত বেশি উপকার পেতে পারে। বিশেষ করে শিশু, কিশোর-কিশোরী এবং স্বাস্থ্য সচেতন প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য পুরো ফল খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তোলা দীর্ঘমেয়াদে উপকারী হতে পারে।

ফল খাওয়ার সবচেয়ে ভালো উপায় হলো ফলকে তার স্বাভাবিক রূপে গ্রহণ করা। এতে ফলের পানি, ভিটামিন, খনিজ, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও খাদ্যআঁশ একসঙ্গে পাওয়া যায়। তাই বিশেষ কোনো প্রয়োজন না থাকলে ফলের জুসের বদলে পুরো ফল খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তোলা সুস্বাস্থ্যের জন্য একটি ভালো পদক্ষেপ হতে পারে।


নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-১২

মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।