২০৩০ সালের মধ্যে ৬৮৯ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের উদ্যোগ পিডিবির
রামপালে ৪৪২ ও সোনাগাজীতে ২২২ মেগাওয়াটের প্রকল্পসহ ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ সম্প্রসারণে কাজ করছে পিডিবি।
নিউজটি শুনুন
- আপলোড সময় : ১৬-০৯-২০২৬ ১০:১১:১৩ পূর্বাহ্ন
- আপডেট সময় : ১৬-০৯-২০২৬ ১০:১৪:১৪ পূর্বাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ১১৫ বার পঠিত
ছবি— সংগৃহীত
নিজস্ব অর্থায়নে ২০৩০ সালের মধ্যে দেশে ৬৮৯ মেগাওয়াট ক্ষমতার বিভিন্ন সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি)। এর আওতায় গ্রিড সংযুক্ত সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের জন্য সম্ভাব্যতা সমীক্ষা, প্রকল্প প্রস্তাব প্রণয়ন এবং জমি নির্বাচনসহ বিভিন্ন প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে।
নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-১৯
বিপিডির এক কর্মকর্তা জানান, রামপালে ৪৪২ মেগাওয়াট ক্ষমতার একটি সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের বিস্তারিত প্রকল্প প্রস্তাব অনুমোদনের জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। ২০৩০ সালের মধ্যে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের লক্ষ্য রয়েছে।
এ ছাড়া ফেনীর সোনাগাজীতে ২২২ মেগাওয়াট ক্ষমতার গ্রিড সংযুক্ত সৌর ফটোভোলটাইক বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা করেছে ইনফ্রাস্ট্রাকচার ইনভেস্টমেন্ট ফ্যাসিলিটেশন কোম্পানি। প্রকল্পটি ২০২৮ সালের মধ্যে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কাজ চলছে।
পিডিবির তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের নভেম্বর থেকে চলতি বছরের ১২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নিজস্ব অর্থায়নে ৬৮৮ কিলোওয়াট পিক ক্ষমতার ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপন করা হয়েছে। এর মধ্যে কাপ্তাইয়ের ইঞ্জিনিয়ারিং একাডেমিতে ১৭০ কিলোওয়াট পিকের ব্যবস্থা ২০২৫ সালের নভেম্বর থেকে উৎপাদনে রয়েছে। চট্টগ্রাম প্রশিক্ষণকেন্দ্রে ১৩০ কিলোওয়াট পিকের ব্যবস্থা জুনে এবং রাজশাহী প্রশিক্ষণকেন্দ্রে ১২০ কিলোওয়াট পিকের ব্যবস্থা ৫ সেপ্টেম্বর চালু হয়েছে। ১২ সেপ্টেম্বর খুলনা পাওয়ার প্ল্যান্টে চালু হয়েছে ২৬৮ কিলোওয়াট পিকের আরেকটি ব্যবস্থা।
চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে আরও ৪ হাজার ১৯৫ কিলোওয়াট পিক ক্ষমতার সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা চালুর লক্ষ্যে কাজ করছে পিডিবি। এসব প্রকল্পের মধ্যে সিদ্ধিরগঞ্জ পাওয়ার স্টেশনে ৩০০ কিলোওয়াট পিক, কাটাখালীতে ৭৩ কিলোওয়াট পিক, বাঘাবাড়ী পাওয়ার স্টেশনে ৬৫ কিলোওয়াট পিক, ভোলা ২২৫ মেগাওয়াট পাওয়ার প্ল্যান্টে ১৯০ কিলোওয়াট পিক এবং কক্সবাজার প্রশিক্ষণকেন্দ্রে ২৩০ কিলোওয়াট পিকের প্রকল্প রয়েছে।
এ ছাড়া কাপ্তাই জলবিদ্যুৎকেন্দ্রে ৩৩২ কিলোওয়াট পিক, ঘোড়াশাল পাওয়ার স্টেশনের ভবনগুলোতে ১ হাজার ৩০০ কিলোওয়াট পিক, চাঁপাইনবাবগঞ্জে ১৮৭ কিলোওয়াট পিক, চট্টগ্রাম পাওয়ার স্টেশনে ৩৯০ কিলোওয়াট পিক, দোহাজারী কালীআইশ ১০০ মেগাওয়াট পাওয়ার প্ল্যান্টে ১২২ কিলোওয়াট পিক, শিকলবাহা পাওয়ার প্ল্যান্টে ৭৫০ কিলোওয়াট পিক, হাটহাজারী ১০০ মেগাওয়াট পাওয়ার প্ল্যান্টে ৮৬ কিলোওয়াট পিক এবং ঘোড়াশাল প্রশিক্ষণকেন্দ্রে ১৭০ কিলোওয়াট পিকের ব্যবস্থা স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে।
পিডিবির চেয়ারম্যান প্রকৌশলী রেজাউল করিম বলেন, সংস্থাটির মালিকানাধীন অব্যবহৃত ছাদ ও জমিতে নিজস্ব অর্থায়নে এসব সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প নির্মাণ করা হবে। তাঁর মতে, প্রকল্পগুলো বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশের জলবায়ু বিষয়ক অঙ্গীকার পূরণে সহায়তার পাশাপাশি পরিবেশের ওপর চাপ কমবে এবং ব্যক্তিপর্যায়ে বাড়ির ছাদে সৌর প্যানেল স্থাপনে উৎসাহ তৈরি হবে।
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।