পুরান ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় তীব্র গ্যাস সংকট ও কম সরবরাহের কারণে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক শিক্ষার্থী। বিশেষ করে যারা মেস বা সাবলেটে থেকে পড়াশোনা করছেন, তাদের দৈনন্দিন জীবনযাত্রায় এর প্রভাব স্পষ্টভাবে দেখা যাচ্ছে।
দিনের বিভিন্ন সময় গ্যাসের চাপ এতটাই কম থাকে যে স্বাভাবিকভাবে রান্না করা সম্ভব হয় না। অনেক ক্ষেত্রে রান্নার জন্য দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে। এতে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাজের সময়সূচিও ব্যাহত হওয়ার সম্ভাবনা থেকে যায়।
সময়মতো রান্না করতে না পারা
গ্যাস সংকট এবং সরবরাহের এই চরম অব্যবস্থাপনার কারণে নির্ধারিত সময়ে খাবার প্রস্তুত করা সম্ভব না হওয়ায় অনেককে নানা সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে।
খাবারে নিয়মহীনতা বাড়ছে
গ্যাস সংকটের কারণে অনেক সময় শিক্ষার্থীরা যথাসময়ে খাবার গ্রহণ করতে পারছেন না। কখনো দেরিতে খাবার খাওয়া, আবার কখনো বাইরে থেকে খাবার কিনে খাওয়ার প্রয়োজন হচ্ছে। এতে ব্যয় বাড়ার পাশাপাশি খাদ্যাভ্যাসেও অনিয়ম দেখা দিচ্ছে।
অর্থনৈতিক চাপও বাড়ছে
কখনো কখনো মেস বা বাসায় রান্না করতে না পারলে অনেক শিক্ষার্থীকে রেস্টুরেন্ট বা হোটেলের খাবারের ওপর নির্ভর করতে হয়। যা মাসিক খরচের উপর প্রভাব ফেলে।
পড়াশোনায় প্রভাব পড়ার আশঙ্কা
কারো কারো দৈনন্দিন প্রয়োজনীয় রান্নার জন্য অতিরিক্ত সময় ব্যয় হওয়ায় পড়াশোনার জন্য সময়ও কমে যাচ্ছে। দীর্ঘদিন এ পরিস্থিতি চলতে থাকলে শিক্ষাজীবনেও এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা থেকে যায়।
ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীদের আশা দ্রুত গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কার্যকর পদক্ষেপ নেবেন। কর্তৃপক্ষের সদিচ্ছা, প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে এই ভোগান্তির অবসান ঘটবে এবং স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে।