গত মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) ক্যামেরুন সীমান্তবর্তী জাম্বোয়ে এলাকার ওই খনিতে এ দুর্ঘটনা ঘটে। ভূগর্ভস্থ একাধিক সুড়ঙ্গ ধসে পড়ার পর চাপা পড়েন সেখানে কর্মরত শ্রমিকেরা।
ধসে পড়া ভবন ও ধ্বংসস্তূপ থেকে ইতোমধ্যে শতাধিক মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। গতকাল বুধবার অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন ত্রাণ কার্যক্রমে জড়িত রেড ক্রসের স্বেচ্ছাসেবক জার্ভাইস গানাগোরোহ।
স্থানীয় একটি খনি সমিতির একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা রয়টার্সকে জানান, দুর্ঘটনায় ১০০ জনেরও বেশি মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে। একাধিক স্থানীয় সূত্র আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা এএফপিকেও এই খবরের সত্যতা নিশ্চিত করেছে।
দেশটির বাবুয়া শহরের সরকারি কৌঁসুলির মতে, শ্রমিকরা যে কয়েকটি ভূগর্ভস্থ সুড়ঙ্গে কাজ করছিলেন, সেগুলো ধসে পড়ায় এবং ওপর থেকে মাটির ঢিবি নিচে থাকা মানুষের ওপর ধসে পড়ায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
বাবুয়া শহরের সরকারি কৌঁসুলির বরাতে জানা গেছে, খনি শ্রমিকরা যখন মাটির নিচে একাধিক সুড়ঙ্গে কাজ করছিলেন, ঠিক তখনই সুড়ঙ্গগুলো ধসে পড়ে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, মাটির একটি বিশাল ঢিবি হঠাৎ ধসে নিচে দাঁড়িয়ে থাকা শ্রমিকদের ওপর পড়ে। দুর্ঘটনাস্থলে উদ্ধার অভিযান এখনও অব্যাহত রয়েছে। তল্লাশি চলায় মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
বুধবার বাবুয়া শহরের স্থানীয় জনপ্রতিনিধি লরেন্ট এনগন বাবা বার্তাসংস্থাকে এএফপিকে বলেন, ‘উদ্ধারকাজ চলায় এই মুহূর্তে আনুষ্ঠানিকভাবে সুনির্দিষ্ট মৃতের সংখ্যা নিশ্চিত করা কঠিন।’
সীমান্তবর্তী এলাকায় দুর্ঘটনাটি ঘটায় প্রতিবেশী দেশ ক্যামেরুনও সহায়তার হাত বাড়িয়েছে। ক্যামেরুনের পূর্বাঞ্চলীয় গভর্নর গ্রেগোয়ার মভোঙ্গো জানিয়েছেন, পরিস্থিতি মোকাবিলা এবং উদ্ধারকাজ জোরদারে মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্রের কর্তৃপক্ষের সঙ্গে তারা কাজ করছেন।