আগামীকাল রোববার ১৬ আগস্ট কিশোরগঞ্জ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সফরে তিনি প্রথমবারের মতো ঢাকার বাইরে জাতীয় মৎস্য পক্ষের উদ্বোধন করবেন। পাশাপাশি মাছের পোনা অবমুক্তকরণ, ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ এবং বিভিন্ন ধর্মীয় উপাসনালয়ে কর্মরতদের সম্মানি ভাতা প্রদান কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন। প্রধানমন্ত্রীর সফর ঘিরে জেলায় উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হয়েছে এবং প্রশাসনের পক্ষ থেকে নেওয়া হয়েছে ব্যাপক প্রস্তুতি।
রোববার সকাল সাড়ে ১১টায় পাকুন্দিয়া উপজেলার মির্জাপুর চেয়ারম্যানবাড়ি ঘাটে ব্রহ্মপুত্র নদে মাছের পোনা অবমুক্ত করবেন প্রধানমন্ত্রী। পরে কটিয়াদীর আচমিতা জর্জ ইনস্টিটিউশন মিনি স্টেডিয়ামে জাতীয় মৎস্য পক্ষের উদ্বোধন ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন তিনি।
বিকেলে কিশোরগঞ্জ শহরের পুরাতন স্টেডিয়ামে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ এবং বিভিন্ন ধর্মীয় উপাসনালয়ে কর্মরতদের মাসিক সম্মানি ভাতা প্রদান কার্যক্রমের উদ্বোধন করার কথা রয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর সফরকে কেন্দ্র করে স্থানীয়দের মধ্যে উৎসাহ দেখা দিয়েছে। স্থানীয় নেতাকর্মীদের দাবি, জেলার ছয়টি সংসদীয় আসনের উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রীর সফর নতুন গতি আনবে।
কিশোরগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল খান বলেন, জেলার হাওর ও বাঁওড় এলাকায় ব্যাপক মাছ চাষ হয়। মাছ চাষের সঙ্গে যুক্তদের উৎসাহিত করতেই প্রধানমন্ত্রীর এ সফর গুরুত্বপূর্ণ।
কিশোরগঞ্জ ১ আসনের সংসদ সদস্য মো. মাজহারুল ইসলাম বলেন, প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে ঘিরে সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে এবং তাঁর সফর কৃষকদের উন্নয়নে সহায়ক হবে।
সফর সফল করতে বিভিন্ন ভেন্যু পরিদর্শনসহ প্রস্তুতি তদারক করছেন প্রশাসনের কর্মকর্তা ও দলীয় নেতারা। পাট ও বস্ত্র প্রতিমন্ত্রী মো. শরিফুল আলম জানান, জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন এবং দলীয় নেতাকর্মীরা সমন্বিতভাবে সফরের প্রস্তুতি সম্পন্ন করছেন।
কর্মসূচি শেষে রোববার সন্ধ্যায় সড়কপথে ঢাকায় ফেরার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর।