ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬ , ২৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ (বর্ষাকাল) , ৩০ সফর ১৪৪৮ হিজরি
সংবাদ শিরোনাম :
নিঝুম দ্বীপের বালুতে মিলল মূল্যবান ভারী খনিজ দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর উন্মুক্ত হলো বান্দরবানের পর্যটন স্পট বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে রাত ৮টার মধ্যে শপিংমল ও দোকানপাট বন্ধের নির্দেশ জরুরি গ্যাসের চাহিদা মেটাতে আট কার্গো এলএনজিসহ চার প্রস্তাবের অনুমোদন ঢাবির শেখ মুজিবুর রহমান হলের দুই শিক্ষার্থীর আবাসিক সিট বাতিল যুদ্ধোত্তর আফগানিস্তানে পুনর্গঠন ও অর্থনৈতিক অগ্রগতির চিত্র গ্যাস সংকটে বিদ্যুৎ উৎপাদন কমেছে, বেড়েছে লোডশেডিং পানামা খালে লাইন ভাঙতে এক জাহাজেরই খরচ হলো ৪০ লাখ ডলার ফেনীতে ৮ মাসে চুরি শতাধিক ট্রান্সফরমার, বাড়ছে সংকট কলম্বিয়ায় ভয়াবহ ভূমিকম্পের পর দফায় দফায় আফটারশক ইরানের নতুন নিরাপত্তাপ্রধান কে এই মহসেন রেজাই? মানবিকে অর্ধেকেরও বেশি শিক্ষার্থী ফেল, বিজ্ঞানে পাসের হার ৮০ শতাংশের ব ১৯ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন এসএসসি পাসের হার এসএসসি ও সমমানের ফল প্রকাশ, পাসের হার ৬২.২৫ শতাংশ সৌদি আরব আগুন ১৭ জনের মৃত্যু: ৭ জনই নওগাঁর আত্রাইয়ের ৪২ ঋণখেলাপীর অর্থ উদ্ধারে আন্তর্জাতিক ৮ প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি ঢাকা-গোপালগঞ্জ রুটে কাল থেকে চালু হচ্ছে ‘অভিযাত্রী কমিউটার’ ট্রেন গ্রামের মানুষকে শহরমুখী হতে হবে না: স্বাস্থ্যমন্ত্রী দুই দেশের সরকারপ্রধান একসঙ্গে বসলে সমস্যার সমাধান সম্ভব: হাইকমিশনার নাজিরগঞ্জে অনুমতি ছাড়াই চলছে অবৈধ খেয়া নৌকা টোল আদায়

অগ্রণী ব্যাংকের ভল্টে ৪ কোটি ৩৮ লাখ টাকার ঘাটতি, গ্রেফতার ২

ক্যাশ ইনচার্জসহ দুজন কারাগারে, টাকা আত্মসাতের মামলা তদন্তাধীন
নিউজটি শুনুন
  • আপলোড সময় : ১৩-০৮-২০২৬ ০৭:৪০:৪৫ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১৩-০৮-২০২৬ ০৭:৪০:৪৫ অপরাহ্ন
  • ৩ মিনিট পড়ার সময়
  • ৩১ বার পঠিত
অগ্রণী ব্যাংকের ভল্টে ৪ কোটি ৩৮ লাখ টাকার ঘাটতি, গ্রেফতার ২ ছবি সংগৃহীত

চট্টগ্রামের লালদীঘির পাড়ে অগ্রণী ব্যাংকের লালদীঘি পূর্ব কর্পোরেট শাখার ক্যাশ ভল্টে ৪ কোটি ৩৮ লাখ টাকার ঘাটতির ঘটনায় ব্যাংকের এক কর্মকর্তাসহ দুজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতার ব্যক্তিদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
 

বৃহস্পতিবার ১৩ আগস্ট সিএমপির কোতোয়ালী থানার পরিদর্শক তদন্ত মো. ইকবাল হোসেন এ তথ্য জানান। গ্রেফতার ব্যক্তিরা হলেন ব্যাংকের সিনিয়র অফিসার ও ক্যাশ ইনচার্জ মো. কামরুল হোসেন ৪১ এবং জাফরুল্লাহ তানভীর ২৫। তাদের কাছ থেকে দুটি মোবাইল ফোন, হোয়াটসঅ্যাপে যোগাযোগ ও তথ্যের রেকর্ড এবং ৬৪ জিবির একটি পেনড্রাইভ জব্দ করা হয়েছে।
 

পুলিশ জানায়, গ্রাহকের ৪ কোটি ৩৮ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে গত ১০ আগস্ট কোতোয়ালী থানায় মামলা করেন অগ্রণী ব্যাংকের লালদীঘি পূর্ব কর্পোরেট শাখার জেনারেল ম্যানেজার মোস্তাক আহমেদ। মামলায় কামরুল হোসেন ও জাফরুল্লাহ তানভীরের পাশাপাশি অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে।
 

মামলার এজাহার অনুযায়ী, ৯ আগস্ট নিয়মিত ব্যাংকিং কার্যক্রম শেষে নগদ অর্থ ও ভল্টে থাকা টাকার হিসাব মেলানোর সময় বড় ধরনের গরমিল ধরা পড়ে। পরে সংশ্লিষ্ট নথি ও রেকর্ড যাচাই করে ভল্টে ৪ কোটি ৩৮ লাখ টাকার ঘাটতি পাওয়া যায়। ওই ভল্ট ও ক্যাশের দায়িত্বে ছিলেন কামরুল হোসেন।
 

ব্যাংক কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, টাকার ঘাটতি সম্পর্কে কামরুল হোসেন সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দিতে পারেননি। জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযোগ করা হয়, জাফরুল্লাহ তানভীরসহ কয়েকজনের সহায়তায় ভল্টের টাকা সরিয়ে ব্যবসায় বিনিয়োগ করা হয়েছে।
 

এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ভল্টে টাকা রাখার সময় ১ হাজার টাকার নোটের বান্ডিলের মধ্যে ১০০ টাকা বা তার কম মূল্যমানের নোট ঢুকিয়ে বান্ডিল তৈরি করা হতো। এতে বাইরে থেকে বান্ডিল দেখে নির্ধারিত পরিমাণ টাকা রয়েছে বলে মনে হলেও প্রকৃত অর্থের পরিমাণ কম থাকত।
 

মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, সরিয়ে নেওয়া অর্থ জাফরুল্লাহ তানভীরের দেখাশোনার শর্তে বিনিয়োগ করে হাটহাজারীর উত্তর বুড়িশ্চর এলাকায় ইশরাত এগ্রো নামে একটি গরুর খামার গড়ে তোলা হয়। সেখানে বর্তমানে বিভিন্ন জাতের ৫০ থেকে ৬০টি গরু রয়েছে বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
 

তবে ব্যাংকের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন জাফরুল্লাহ তানভীরের বাবা আজিম উল্লাহ। তার দাবি, তার ছেলে ব্যাংকের কর্মকর্তা বা কর্মচারী নন এবং অগ্রণী ব্যাংকের ওই শাখার গ্রাহকও নন। তিনি আগে থেকেই গরুর খামারের ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত। তার ছেলেকে ৪ কোটি ৩৮ লাখ টাকা দেওয়া হয়েছিল এমন কোনো ব্যাংক রেকর্ড বা প্রমাণ পরিবারকে দেখানো হয়নি বলেও দাবি করেন তিনি।
 

আজিম উল্লাহ আরও দাবি করেন, কামরুল হোসেন বিভিন্ন সময়ে তার ছেলেকে লাভের ভিত্তিতে ব্যবসার জন্য টাকা দিতেন এবং পরে লাভসহ সেই অর্থ নিয়ে নিতেন। তার ছেলেকে পরিকল্পিতভাবে মামলায় জড়ানো হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
 

এদিকে চট্টগ্রাম জজ কোর্টের আইনজীবী আনোয়ার হোসেন বলেন, ভল্টে এত বড় অঙ্কের অর্থের ঘাটতির ঘটনায় শুধু ক্যাশ ইনচার্জের দায় বিবেচনা করলেই হবে না। শাখা ব্যবস্থাপনার তদারকি, ভল্ট পরিচালনার নিয়ম এবং ব্যাংকের অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা যথাযথভাবে কার্যকর ছিল কি না, সেগুলোও তদন্ত করা প্রয়োজন।


নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০৬

মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।