ঢাকা , মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ , ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ (শরৎকাল) , ৪ রবিউস সানি ১৪৪৮ হিজরি
সংবাদ শিরোনাম :
পশ্চিমবঙ্গে ২৫২টি মাদ্রাসা বন্ধের নোটিশ: আরও ১০০ প্রতিষ্ঠানকে নোটিশ পদ্মা জেনারেলে শিশুর মৃত্যুর অভিযোগ: ডাক্তারহীন এনআইসিইউ বাগেরহাটের রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের একটি ইউনিটের উৎপাদন বন্ধ নাগরিকদের ব্যক্তিগত তথ্য বেচাকেনার অভিযোগে কেরানীগঞ্জে গ্রেপ্তার ১ ভারতকে পেছনে রেখে বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বাণিজ্যে যুক্তরাষ্ট্র তরুণ আলেম মো. জুনায়েদ আল হাবিব ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে ইন্তেকাল করেছেন সম্পত্তি হস্তান্তর বিল-২০২৬ কুরআন ও সুন্নাহর পরিপন্থী দাবি হেফাজতের আল-আকসা মসজিদ প্রাঙ্গণে ঢুকে পড়েছে ৫০০ ইসরায়েলি কেশমের কাছে ইরানি জাহাজে মার্কিন হামলার দাবি, নিহত ১ আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপন নিয়ে রিট খারিজ নবম পে স্কেলে বেতন পেতে তথ্য দিতে হবে আইবাসে চীনে বাড়ছে পেট্রোল ডিজেলের দাম সরকারি দামের চেয়ে বেশি দামে ইউরিয়া সার বিক্রির অভিযোগ আওয়ামী লীগ আমলে ঋণের হিসাবেও গড়মিল হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী ইউরোপে গ্যাসের দাম ২০২৩ সালের পর সর্বোচ্চ ব্রিকস সম্মেলনে যাচ্ছেন না প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণ ছাড়াল ৬ লাখ কোটি টাকা, শীর্ষে ইসলামী ব্যাংক ভাইভার নম্বর বাড়ানোর সিদ্ধান্তে জামায়াত সেক্রেটারির গভীর উদ্বেগ মিথ্যা ঘোষণায় চকবাজারের প্রতিষ্ঠানের সাড়ে পাঁচ হাজার কেজি প্রসাধনী আটক আত্মহত্যার হার শূন্যের কোটায় নামিয়ে আনার আহ্বান: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

হুডি ও শর্টস পরে নেতানিয়াহুর সঙ্গে মার্কিন সিনেটর ফেটারম্যানের বৈঠক

ওয়াশিংটনের ব্লেয়ার হাউসে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ডেমোক্র্যাট সিনেটর জন ফেটারম্যানের এই অানুষ্ঠানিক বৈঠক এবং পোশাকের ধরন নিয়ে শুরু হয়েছে নানা বিতর্ক।
নিউজটি শুনুন
  • আপলোড সময় : ০১-০৮-২০২৬ ০৬:৩০:০৮ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ০১-০৮-২০২৬ ০৬:৩০:০৮ পূর্বাহ্ন
  • ৩ মিনিট পড়ার সময়
  • ১৩১ বার পঠিত
হুডি ও শর্টস পরে নেতানিয়াহুর সঙ্গে মার্কিন সিনেটর ফেটারম্যানের বৈঠক ছবি: সংগৃহীত
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বৈঠক করেছেন মার্কিন সিনেটর জন ফেটারম্যানের সঙ্গে। বৈঠকের ছবি ও ভিডিও সামাজিকমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। একইসঙ্গে ওই ছবি নিয়ে দেখা গেছে নানারকম আলোচনা-সমালোচনা।
 
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনের ব্লেয়ার হাউসে তাদের বৈঠক হয়।
 
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ওয়েবসাইটেও ওই বৈঠকের ছবি ও ভিডিও প্রকাশ হয়। এতে দেখা যায়, বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু যথারীতি স্যুট-টাই পরা থাকলেও মার্কিন সিনেটর জন ফেটারম্যান বৈঠক করছেন হুডি এবং শর্টস পরে। আলোচনা তৈরি হয় মূলত এ নিয়েই।
 
বৈঠকে নেতানিয়াহুকে বলতে শোনা যায়, ‘সিনেটর, আবার আপনাকে দেখে ভালো লাগছে। আপনি একজন অসাধারণ দেশপ্রেমিক। আপনি আমেরিকার জন্য কী ভালো, আমাদের জোটের জন্য কী ভালো, সে বিষয়ে কথা বলেছেন এবং এর একজন দৃঢ় সমর্থক ছিলেন। আপনি নির্ভয়ে সত্য কথা বলে গেছেন এবং সত্যের প্রতি অক্লান্ত ও সাহসী অঙ্গীকার দেখিয়েছেন। ইসরায়েলের জনগণের পক্ষ থেকে আমি আপনাকে ধন্যবাদ জানাতে চাই। আসলে, সারা বিশ্বের স্বাধীন মানুষের পক্ষ থেকেও আমি আপনাকে ধন্যবাদ জানাতে চাই। কারণ, আপনার সাহস ও স্পষ্ট অবস্থানের জন্য আমি সারা বিশ্ব থেকে প্রশংসা পেয়ে আসছি। তাই আপনাকে ধন্যবাদ। ধন্যবাদ।’
 
এ সময় ফেটারম্যান বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, সিনেটে আমার সময়ের মধ্যে এটি ছিল সর্বোচ্চ সম্মানের একটি। ইসরায়েলের দৃষ্টিভঙ্গি এবং ইসরায়েল নামের এই অলৌকিক রাষ্ট্রের পাশে দাঁড়াতে পেরে আমি গর্বিত। কয়েকবার সেখানে যাওয়ার সুযোগ আমার হয়েছে এবং সেখানে গেলে বোঝা যায়, এটি কতটা বিস্ময়কর। ডেমোক্রেটিক পার্টির একজন রাজনীতিক হিসেবে আমাদের দলের আচরণ আমাকে হতাশ করেছে। আমরা এর চূড়ান্ত রূপও দেখেছি, যখন নিউইয়র্কের ওই মূল্যহীন মেয়র এ ধরনের হাস্যকর দাবি করেছেন। আমার জানা মতে, আমিই সম্ভবত একমাত্র ডেমোক্র্যাট, যে গর্বের সঙ্গে ওই আবর্জনাপূর্ণ বক্তব্যের প্রতিবাদ করেছে। আমি সব পরিস্থিতিতেই ইসরায়েলের পাশে দাঁড়াতে পেরে গর্বিত।’
 
নেতানিয়াহু বলেন, ‘আপনার মতো একজন বন্ধুকে পেয়ে আমরা দ্বিগুণ গর্বিত। ইতিহাস সত্য ও ন্যায়বিচারের জন্য আপনার অবদান স্মরণে রাখবে। এগুলো শুধু আমার মুখের কথা নয়, এগুলো আমার হৃদয় থেকে এবং গভীর বিশ্বাস থেকে উঠে আসা কথা। আমরা আপনার অবস্থান নিয়ে অত্যন্ত গর্বিত। এটি আমার স্মৃতিতে থাকবে, ইতিহাসের পাতায় থাকবে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছেও স্মরণীয় হয়ে থাকবে। তাই আপনাকে ধন্যবাদ।’
 
ফেটারম্যান বলেন, ‘কংগ্রেসে, শুধু সিনেটে নয়, পুরো ডেমোক্রেটিক পার্টির বিবেক হিসেবে থাকতে পেরে আমি গর্বিত। গত বছরের 'মিডনাইট হ্যামার'-এর মতো পদক্ষেপ কিংবা গাজায় আপনারা যেসব পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছেন, সেগুলোকে আমি সব সময় সমর্থন করেছি। হামাস ও হিজবুল্লাহকে ধ্বংস করা এবং ইরানের সক্ষমতার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি ছিল। আমার কাছে এটি সব সময়ই একটি ন্যায্য যুদ্ধ ছিল। মানুষ ভুলে গেছে, কেন এটি প্রয়োজনীয় ছিল। এসব সংগঠন এবং ইরান যেভাবে কাজ করেছে, তা দেখুন। রাজনৈতিকভাবে, অন্তত আমার দলের ক্ষেত্রে, আমরা কীভাবে এই অবস্থায় এসে পৌঁছেছি, আমি তা বুঝতে পারি না। তবে এ নিয়ে আমার কোনো অনুশোচনা নেই। তাই আপনার সদয় কথার জন্য ধন্যবাদ। ৭ অক্টোবরের ঘটনার পর থেকে ইসরায়েল ও ইহুদি সম্প্রদায় যে দুর্ভোগের শিকার হয়েছে, সে জন্য আমি গভীরভাবে দুঃখিত।’

নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০২

মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।