চলতি বছরের জুলাই মাসের প্রথম ২৮ দিনে দেশে ২৬২ কোটি ১০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি নির্দেশ করছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বুধবার ২৯ জুলাই এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, গত বছরের একই সময়ে রেমিট্যান্স এসেছিল ২১৮ কোটি ৭০ লাখ ডলার। সে হিসাবে বছর ব্যবধানে প্রবাসী আয় বেড়েছে ১৯ দশমিক ৮০ শতাংশ। চলতি মাসে প্রতিদিন গড়ে দেশে এসেছে প্রায় ৯ কোটি ৩৬ লাখ ডলার।
এর আগে জুন মাসে দেশে মোট ২৮১ কোটি ৭০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স আসে। এর মধ্যে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে ৫১ কোটি ৫১ লাখ ডলার, বিশেষায়িত ব্যাংকের মাধ্যমে ৪৪ কোটি ১৬ লাখ ৮০ হাজার ডলার, বেসরকারি ব্যাংকের মাধ্যমে ১৮৫ কোটি ৩৫ লাখ ৮০ হাজার ডলার এবং বিদেশি ব্যাংকের মাধ্যমে আসে ৬৬ লাখ ১০ হাজার ডলার।
গত কয়েক মাসের ধারাবাহিকতাতেও রেমিট্যান্স প্রবাহ শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে। মে মাসে ৩৪২ কোটি ৫০ লাখ ৩০ হাজার ডলার রেমিট্যান্স আসে, যা দেশের ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ মাসিক প্রবাসী আয়। এপ্রিল মাসে ছিল ৩১২ কোটি ৭৩ লাখ ডলার এবং মার্চে ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ৫০ হাজার ডলার, যা একক মাসে সর্বোচ্চ রেকর্ড।
এর আগে ফেব্রুয়ারি ও জানুয়ারি মাসে যথাক্রমে ৩০২ কোটি ৭ লাখ ৬০ হাজার এবং ৩১৭ কোটি ৯ লাখ ৪০ হাজার ডলার রেমিট্যান্স আসে। গত বছরের শেষ দিকেও প্রবাহ ইতিবাচক ছিল, ডিসেম্বর মাসে ৩২২ কোটি ৬৭ লাখ ডলার এবং নভেম্বরে ২৮৮ কোটি ৯৫ লাখ ২০ হাজার ডলার রেমিট্যান্স দেশে আসে।
এছাড়া অক্টোবর মাসে ২৫৬ কোটি ৩৪ লাখ ৮০ হাজার, সেপ্টেম্বর মাসে ২৬৮ কোটি ৫৮ লাখ ৮০ হাজার, আগস্টে ২৪২ কোটি ১৮ লাখ ৯০ হাজার এবং জুলাই মাসে ২৪৭ কোটি ৮০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স এসেছিল।
সর্বশেষ ২০২৫ থেকে ২০২৬ অর্থবছরে প্রবাসীরা দেশে মোট ৩ হাজার ৫৫৬ কোটি ২০ লাখ বা ৩৫ দশমিক ৫৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার পাঠিয়েছেন, যা দেশের ইতিহাসে কোনো অর্থবছরে সর্বোচ্চ প্রবাসী আয়ের রেকর্ড হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
ডেস্ক রিপোর্ট