ঢাকা , রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ , ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ (শরৎকাল) , ২ রবিউস সানি ১৪৪৮ হিজরি
সংবাদ শিরোনাম :
কেশমের কাছে ইরানি জাহাজে মার্কিন হামলার দাবি, নিহত ১ আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপন নিয়ে রিট খারিজ নবম পে স্কেলে বেতন পেতে তথ্য দিতে হবে আইবাসে চীনে বাড়ছে পেট্রোল ডিজেলের দাম সরকারি দামের চেয়ে বেশি দামে ইউরিয়া সার বিক্রির অভিযোগ আওয়ামী লীগ আমলে ঋণের হিসাবেও গড়মিল হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী ইউরোপে গ্যাসের দাম ২০২৩ সালের পর সর্বোচ্চ ব্রিকস সম্মেলনে যাচ্ছেন না প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণ ছাড়াল ৬ লাখ কোটি টাকা, শীর্ষে ইসলামী ব্যাংক ভাইভার নম্বর বাড়ানোর সিদ্ধান্তে জামায়াত সেক্রেটারির গভীর উদ্বেগ মিথ্যা ঘোষণায় চকবাজারের প্রতিষ্ঠানের সাড়ে পাঁচ হাজার কেজি প্রসাধনী আটক আত্মহত্যার হার শূন্যের কোটায় নামিয়ে আনার আহ্বান: স্বাস্থ্যমন্ত্রী নয়াদিল্লিতে ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিচ্ছেন না প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রাশিয়ার সঙ্গে সীমান্ত সুরক্ষায় নিরাপত্তা বেড়া নির্মাণ করল ফিনল্যান্ড সেফটি ভালভ জটিলতা ও অগ্নিকাণ্ডে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে আন্তর্জাতিক বাজারমূল্যের চেয়ে বেশি দামে এলএনজি কিনছে পেট্রোবাংলা চাঁদপুরের ঐতিহাসিক বড় স্টেশন মাছঘাটে ইলিশের তীব্র সংকট ক্যাশলেস লেনদেন বাড়লে দুর্নীতি কমবে এবং ব্যবসার খরচ কমবে: অর্থমন্ত্রী উত্তরায় শাহজালাল বিমানবন্দর এলাকার শপিং মলে ভয়াবহ আগুন হাটহাজারীতে ফিল্ড ফায়ারিং অনুশীলনে দুর্ঘটনায় দুই সেনাসদস্য নিহত

এজেন্ট ব্যাংকিংয়ে হিসাব বেড়ে ২ কোটি ৭২ লাখ

নারী ও গ্রামীণ গ্রাহকের অংশগ্রহণের পাশাপাশি বাড়ছে আমানত ও ঋণ বিতরণ
নিউজটি শুনুন
  • আপলোড সময় : ১৩-০৯-২০২৬ ০২:১৩:০৬ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১৩-০৯-২০২৬ ০২:১৩:০৬ অপরাহ্ন
  • ৩ মিনিট পড়ার সময়
  • ৮ বার পঠিত
এজেন্ট ব্যাংকিংয়ে হিসাব বেড়ে ২ কোটি ৭২ লাখ ছবি সংগৃহিত
দেশে এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে খোলা হিসাবের সংখ্যা বাড়তে বাড়তে ২০২৬ সালের জুন শেষে ২ কোটি ৭২ লাখ ২৪ হাজার ২৫৬টিতে পৌঁছেছে। আগের প্রান্তিকের তুলনায় হিসাবের সংখ্যা বেড়েছে ২ দশমিক ৭৭ শতাংশ। বাংলাদেশ ব্যাংকের ‘এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের ত্রৈমাসিক প্রতিবেদন, এপ্রিল-জুন ২০২৬’ থেকে এ তথ্য জানা গেছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ৩০ জুন পর্যন্ত ৩০টি ব্যাংক ১৫ হাজার ৪২৪ জন এজেন্টের মাধ্যমে ২০ হাজার ৫৯৭টি আউটলেটে এজেন্ট ব্যাংকিং সেবা দিচ্ছিল। তিন মাসে এজেন্টের সংখ্যা ১ দশমিক ৫৮ শতাংশ এবং আউটলেটের সংখ্যা ১ দশমিক ২৭ শতাংশ বেড়েছে। মোট হিসাবের মধ্যে ১ কোটি ৩৫ লাখ ৫৮ হাজার ৯১৮টি, অর্থাৎ প্রায় ৫০ শতাংশ নারীদের নামে খোলা। আর ২ কোটি ৩০ লাখ ২৭ হাজার ৭৫৫টি হিসাব বা প্রায় ৮৫ শতাংশ গ্রামীণ এলাকার গ্রাহকদের। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের হিসাব বৃদ্ধির মাধ্যমে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে এ সেবার চাহিদা বাড়ার বিষয়টি প্রতিফলিত হচ্ছে। এ প্রান্তিকে নারী গ্রাহকের হিসাব ৩ দশমিক ৬ শতাংশ বেড়েছে, যা পুরুষ গ্রাহকদের হিসাব বৃদ্ধির চেয়ে বেশি। এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে আমানত সংগ্রহও বেড়েছে। জুন শেষে এ খাতে মোট আমানতের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৫১৯,০৭২.৯২ মিলিয়ন টাকা। আগের প্রান্তিকের তুলনায় আমানত বেড়েছে ১ দশমিক ৯৬ শতাংশ এবং এক বছরের ব্যবধানে ১৩ দশমিক ৮২ শতাংশ। ঋণ বিতরণে প্রবৃদ্ধি হয়েছে আরও বেশি। জুন শেষে এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে মোট ৪০৮,৭০৩.৯৭ মিলিয়ন টাকা ঋণ বিতরণ করা হয়েছে। মার্চের তুলনায় তা ৮ দশমিক ২৬ শতাংশ এবং এক বছরের ব্যবধানে ৪০ দশমিক ৮৯ শতাংশ বেশি। এ সময় ঋণ-আমানত অনুপাত ৭৪ দশমিক ১৬ শতাংশ থেকে বেড়ে ৭৮ দশমিক ৭৪ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। এজেন্ট ব্যাংকিংয়ে যুক্ত ৩০টি ব্যাংকের মধ্যে ২৩টি ব্যাংক ঋণ বিতরণ করছে। মোট বিতরণ করা ঋণের ৬৪ দশমিক ১৭ শতাংশ বা ২৬২,২৬৩.৯৯ মিলিয়ন টাকা পেয়েছেন গ্রামীণ এলাকার গ্রাহকরা। বিপরীতে নারীদের কাছে গেছে ৫২,০০২.০৬ মিলিয়ন টাকা, যা মোট ঋণের ১২ দশমিক ৭২ শতাংশ। ফলে এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে নারী গ্রাহকদের ঋণপ্রাপ্তির সুযোগ আরও বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তা রয়েছে বলে প্রতিবেদনে প্রতীয়মান হয়েছে। রেমিট্যান্স বিতরণেও এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের ভূমিকা বাড়ছে। জুন শেষে এজেন্টদের মাধ্যমে বিতরণ করা মোট অভ্যন্তরীণ রেমিট্যান্সের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২,১৪৯.০৪১ মিলিয়ন টাকা। আগের প্রান্তিকের তুলনায় এটি ১ দশমিক ৭৬ শতাংশ এবং এক বছরের ব্যবধানে ১৬ দশমিক ৮৭ শতাংশ বেশি। বিতরণ করা রেমিট্যান্সের ৯০ দশমিক ৪৪ শতাংশ পেয়েছেন গ্রামীণ এলাকার সুবিধাভোগীরা। বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ব্যাংকিং সুবিধাবঞ্চিত ও দুর্গম এলাকার মানুষের কাছে আর্থিক সেবা পৌঁছে দিতে এজেন্ট ব্যাংকিং গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। ঋণ-আমানত অনুপাত বৃদ্ধির ফলে এজেন্ট আউটলেটের মাধ্যমে উদ্যোক্তাদের অর্থায়নের সুযোগও বাড়ছে। এ ব্যবস্থার আওতায় কটেজ, মাইক্রো, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগ বা সিএমএসএমই এবং নারী উদ্যোক্তাদের ঋণ দেওয়ার পাশাপাশি প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য পুনঃঅর্থায়ন স্কিম বাস্তবায়নে ব্যাংকগুলোকে উৎসাহিত করছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের উদ্যোক্তা হিসেবেও নারীদের অংশগ্রহণ বাড়ছে। জুন পর্যন্ত ২৮টি ব্যাংক ১ হাজার ৭৭৬ জন নারী উদ্যোক্তার মালিকানাধীন ২ হাজার ১০৬টি আউটলেটের মাধ্যমে সেবা দিচ্ছিল। এসব আউটলেট মোট এজেন্ট ব্যাংকিং আউটলেটের ১০ দশমিক ২২ শতাংশ। নারী উদ্যোক্তাদের পরিচালিত এসব আউটলেটে রয়েছে ২৩ লাখ ৪০ হাজার হিসাব, যার মধ্যে ১৯ লাখ ৪০ হাজার হিসাব গ্রামীণ এলাকার গ্রাহকদের। বাংলাদেশে ২০১৩ সালে এজেন্ট ব্যাংকিং ব্যবস্থা চালু হয়। দুর্গম ও ব্যাংকিং সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর কাছে আর্থিক সেবা পৌঁছে দেওয়ার বিকল্প মাধ্যম হিসেবে এটি চালু করা হয়েছিল। বর্তমানে এজেন্ট ব্যাংকিং আউটলেটের মাধ্যমে আমানত, ঋণ, রেমিট্যান্স, বিভিন্ন বিল পরিশোধ এবং সরকারি সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির সুবিধা নেওয়া যায়।

নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-১৩

মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।