পদ্মার নাকি গুজরাটের, বাজারে ইলিশ চেনার সহজ উপায়
চোখ, গড়ন, রং ও পেট দেখে ইলিশ বাছাইয়ে মিলতে পারে ধারণা
নিউজটি শুনুন
- আপলোড সময় : ১৩-০৯-২০২৬ ০১:৫৩:০৭ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ১৩-০৯-২০২৬ ০১:৫৩:০৭ অপরাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ৯ বার পঠিত
ছবি সংগৃহিত
ইলিশ কিনতে গিয়ে অনেকেরই প্রশ্ন থাকে মাছটি পদ্মা বা মেঘনার, নাকি ভারতের গুজরাট উপকূলের। দেখতে প্রায় একই রকম হলেও পরিবেশভেদে ইলিশের গড়ন, স্বাদ ও ঘ্রাণে কিছুটা পার্থক্য থাকতে পারে। বাজারে মাছ বাছাইয়ের সময় চোখ, গড়ন, রং, পেট ও লেজের কিছু বৈশিষ্ট্য খেয়াল করলে প্রাথমিকভাবে ধারণা পাওয়া যায়।
পদ্মা ও মেঘনার ইলিশের পাশাপাশি ভারতের গুজরাটের ভারুচসহ পশ্চিম উপকূলীয় এলাকা থেকেও ইলিশ আসে। বিশেষ করে ডিমওয়ালা ইলিশের চাহিদা থাকায় এসব অঞ্চল থেকে মাছ আমদানি করা হয়। গুজরাটের ইলিশ অনেক সময় আকারে বড় ও ওজনে ভারী হলেও স্বাদ ও ঘ্রাণে নদীর ইলিশের সঙ্গে পার্থক্য থাকতে পারে।
সাধারণভাবে নদীর ইলিশ তুলনামূলক চওড়া, মোটা ও গোলগাল হয়। পেটও বেশ ভরাট থাকে। অন্যদিকে উপকূলীয় বা সামুদ্রিক পরিবেশের ইলিশ অনেক সময় তুলনামূলক লম্বাটে ও সরু গড়নের হয়ে থাকে। তবে মাছের বয়স, প্রজননের সময় ও শারীরিক অবস্থার কারণে এসব বৈশিষ্ট্যে পরিবর্তন হতে পারে। তাই শুধু গড়ন দেখে উৎস নিশ্চিত করা যায় না।
ইলিশের উজ্জ্বল রুপালি রংও মাছের সতেজতার একটি সাধারণ ইঙ্গিত। তবে দীর্ঘ সময় বরফে সংরক্ষণ করা হলে শরীরের ঔজ্জ্বল্য কমে যেতে পারে। তাই রংয়ের পাশাপাশি চোখ ও শরীরের দৃঢ়তাও পরীক্ষা করা প্রয়োজন।
মাছের চোখের দিকেও নজর দেওয়া যেতে পারে। পদ্মার ইলিশের চোখ সাধারণত পরিষ্কার ও স্বচ্ছ দেখা যায়। গুজরাটের ইলিশের চোখের চারপাশ কিছু ক্ষেত্রে কালচে লাল বা রক্তবর্ণ হতে পারে বলে উল্লেখ করা হয়। মাথা ও লেজের গড়নেও কিছু পার্থক্য দেখা যেতে পারে। পদ্মার ইলিশের মাথা সাধারণত শরীরের তুলনায় সরু ও ছোট দেখায়।
ইলিশ কেনার সময় মাছের সতেজতাও গুরুত্ব দিয়ে দেখা উচিত। গায়ে কালচে বা তামাটে ছোপ, ফ্যাকাশে কানকো, নরম লেজ কিংবা ঘোলাটে চোখ থাকলে মাছটি না কেনাই ভালো। অতিরিক্ত লম্বা বা অস্বাভাবিক চ্যাপ্টা গড়নের মাছের ক্ষেত্রেও সতর্ক থাকা যায়।
তবে শুধু আকার, রং বা গড়নের ওপর ভিত্তি করে ইলিশের উৎস শতভাগ নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। মাছের সতেজতা, বাহ্যিক বৈশিষ্ট্য এবং সম্ভব হলে বিক্রেতার কাছ থেকে উৎস সম্পর্কে তথ্য জেনে তারপর কেনা ভালো। এতে চড়া দামে মাছ কেনার পর প্রত্যাশিত স্বাদ ও ঘ্রাণ না পাওয়ার ঝুঁকি কিছুটা কমানো সম্ভব।
নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-১৩
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।
সর্বশেষ সংবাদ
এ জাতীয় আরো খবর