পদত্যাগের কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, তার শারীরিক অসুস্থতাই দায়িত্ব ছাড়ার প্রধান কারণ। এ বিষয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক মাধ্যমে প্রচারিত নানা গুঞ্জনকে তিনি ভিত্তিহীন ও কল্পনাপ্রসূত বলে দাবি করেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, পদত্যাগের পেছনে কোনো ফোনকল, বাহ্যিক চাপ বা অন্য কোনো প্রভাব ছিল না এবং এসব তথ্য জনমনে বিভ্রান্তি তৈরির উদ্দেশ্যে ছড়ানো হয়েছে।
বঙ্গভবন ছাড়ার প্রসঙ্গে তিনি জানান, আইনি বিধান অনুযায়ী পদত্যাগের পর আরও এক মাস সেখানে থাকার সুযোগ থাকলেও তিনি সেই সময় পর্যন্ত অবস্থান করবেন না। যত দ্রুত সম্ভব তিনি গুলশানে নিজের বাসভবনে ফিরে যাবেন বলে জানান।
দায়িত্ব পালনকালীন অবদানের বিষয়ে সাবেক রাষ্ট্রপতি বলেন, সংকটকালীন সময়ে সংবিধান অক্ষুণ্ণ রেখে নতুন সরকার গঠনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করাকে তিনি নিজের গুরুত্বপূর্ণ অর্জন হিসেবে দেখেন। তার দাবি, সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা প্রয়োগ করে তিনি একটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন করেছিলেন। পরবর্তীতে সেই সরকারের অধীনে রাষ্ট্র পরিচালনা, নির্বাচন আয়োজন এবং নির্বাচিত সরকারের কাছে দায়িত্ব হস্তান্তরের মধ্য দিয়ে দেশের রাজনৈতিক ধারাবাহিকতা ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে তিনি ভূমিকা রেখেছেন বলে মন্তব্য করেন।
ডেস্ক রিপোর্ট