রূপপুর থেকে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ যুক্ত করতে ভারনোভার চুক্তি
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে জাতীয় গ্রিডে নির্ভরযোগ্যভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদনের তথ্য প্রেরণের লক্ষ্যে বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন ও জিই ভারনোভার মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ কারিগরি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।
নিউজটি শুনুন
- আপলোড সময় : ০৩-০৯-২০২৬ ০১:২০:২৬ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ০৩-০৯-২০২৬ ০১:২০:২৬ অপরাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ১৫০ বার পঠিত
ছবি: সংগৃহীত
রূপপুর থেকে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহের প্রস্তুতিতে বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন ও জিই ভারনোভার মধ্যে চুক্তি একটি গুরুত্বপূর্ণ কারিগরি মাইলফলক বলে জানিয়েছেন প্রকল্প পরিচালক ড. কবির হোসেন।
নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০২
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) ঢাকায় পরমাণু শক্তি কমিশনের কার্যালয়ে চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
ড. কবির হোসেন বলেন, রূপপুর থেকে জাতীয় গ্রিডে নির্ভরযোগ্যভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদনের তথ্য প্রেরণে এই চুক্তি একটি গুরুত্বপূর্ণ কারিগরি মাইলফলক। এটি কেন্দ্রটির কমিশনিং প্রক্রিয়া ও ভবিষ্যৎ বাণিজ্যিক কার্যক্রম পরিচালনায় বড় ভূমিকা রাখবে।
রূপপুরের উপ-প্রকল্প পরিচালক ড. মো. খালেকুজ্জামান বলেন, এনএলডিসির এসসিএডিএ ব্যবস্থার সঙ্গে সংযোগের ফলে রূপপুর ও জাতীয় গ্রিডের মধ্যে তাৎক্ষণিক তথ্য আদান-প্রদান করা যাবে। এতে কেন্দ্র ও গ্রিডের মধ্যে সমন্বয় করে বিদ্যুৎ সরবরাহ সহজ হবে।
চুক্তি অনুযায়ী, রূপপুরের প্রথম ও দ্বিতীয় ইউনিটের বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইনের তথ্য জাতীয় লোড ডিসপ্যাচ সেন্টারের (এনএলডিসি) কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থায় যুক্ত করা হবে। দুই ইউনিটের মোট আটটি সঞ্চালন লাইনের তথ্য এই ব্যবস্থার আওতায় আসবে। পাশাপাশি কেন্দ্রের দুটি উপকেন্দ্রের গুরুত্বপূর্ণ তথ্যও এনএলডিসিতে পাওয়া যাবে।
এনএলডিসি দেশের বিদ্যুৎ গ্রিডের কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণকেন্দ্র। কোথায় কত বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে, কোন পথে কত বিদ্যুৎ যাচ্ছে এবং গ্রিডের কোথায় কতটা চাহিদা রয়েছে, এসব তথ্য এখান থেকে পর্যবেক্ষণ ও নিয়ন্ত্রণ করা হয়। রূপপুরকে এনএলডিসির সঙ্গে যুক্ত করার ফলে কেন্দ্রটির বিদ্যুৎ উৎপাদন ও সঞ্চালনের তথ্যও তাৎক্ষণিকভাবে এখান থেকে দেখা যাবে।
এদিকে রূপপুরের প্রথম ইউনিটে বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রস্তুতিও এগিয়ে চলছে। গত ২৮ এপ্রিল সেখানে জ্বালানি লোডিং শেষ হয়েছে। এখন চলছে বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা। এরপর ধাপে ধাপে বিদ্যুৎ উৎপাদনে যাওয়ার কথা রয়েছে।
নিয়ম অনুযায়ী, শুরুতে প্রথম ইউনিট থেকে ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে দেওয়া হবে। পরে ধীরে ধীরে উৎপাদন বাড়ানো হবে।
রূপপুরে ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার দুটি ইউনিট রয়েছে। দুটি ইউনিট চালু হলে মোট ২ হাজার ৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পাওয়া যাবে। গ্যাস সংকট ও জ্বালানি ঘাটতির কারণে দেশে যখন বিদ্যুৎ সরবরাহে চাপ রয়েছে তখন রূপপুরের বিদ্যুৎ পরিস্থিতি সামাল দিতে বড় ভূমিকা রাখবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।