লিবিয়া উপকূলে নৌকাডুবি, অন্তত ৫০ অভিবাসী নিখোঁজের আশঙ্কা
- আপলোড সময় : ১৫-০৭-২০২৬ ১১:৩১:৪৩ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ১৫-০৭-২০২৬ ১১:৩১:৪৩ অপরাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ১৩৫ বার পঠিত
ছবি সংগৃহীত
লিবিয়ার পূর্ব উপকূলের কাছে ভূমধ্যসাগরে অভিবাসীবাহী একটি কাঠের নৌকা ডুবে অন্তত ৫০ জন নিখোঁজ হয়েছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। স্থানীয় নিরাপত্তা সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, নৌকাটিতে প্রায় ৬০ জন আরোহী ছিলেন, যাদের মধ্যে ১০ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে।
নিরাপত্তা সূত্রের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, সোমবার (১৪ জুলাই) এল-বারদা দ্বীপের কাছে এ দুর্ঘটনা ঘটে। দ্বীপটি লিবিয়ার তবরুক শহর থেকে প্রায় ৭০ কিলোমিটার পশ্চিমে এবং মিসর সীমান্তের কাছাকাছি অবস্থিত।
উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের বরাত দিয়ে জানা গেছে, নৌকাটি ভোরের দিকে যাত্রা শুরু করেছিল। নৌকায় থাকা অভিবাসীরা সাব-সাহারা আফ্রিকার বিভিন্ন দেশের নাগরিক বলে জানিয়েছে নিরাপত্তা সূত্র। তবে ঘটনার সংবেদনশীলতার কারণে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা তাদের পরিচয় প্রকাশ করেননি।
এদিকে একই দিনে তবরুক উপকূলে পৃথক আরেকটি উদ্ধার অভিযানে চার অভিবাসীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে লিবিয়ার জলসীমায় ভাসমান একটি নৌকা থেকে আরও ২৪ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়।
নিরাপত্তা সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, ওই নৌকায় মোট ২৮ জন অভিবাসী ছিলেন। দীর্ঘ সময় সাগরে আটকে থেকে খাদ্য ও প্রয়োজনীয় সহায়তার অভাবে চারজনের মৃত্যু হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। জীবিত উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করা হয়েছে।
এর আগে গত জুন মাসেও তবরুক উপকূলের কাছে পৃথক এক নৌকাডুবির ঘটনায় প্রায় ২৬ জন অভিবাসীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছিল।
বিশ্লেষকদের মতে, ২০১১ সালে মুয়াম্মার গাদ্দাফির পতনের পর থেকে লিবিয়া ইউরোপগামী অভিবাসীদের অন্যতম প্রধান ট্রানজিট রুটে পরিণত হয়েছে। আফ্রিকার বিভিন্ন দেশের মানুষ সংঘাত, দারিদ্র্য ও অনিশ্চয়তা থেকে মুক্তি পেতে ঝুঁকিপূর্ণ সমুদ্রপথে ইউরোপে পৌঁছানোর চেষ্টা করেন। এ কারণে ভূমধ্যসাগরে প্রায়ই প্রাণঘাতী নৌকাডুবির ঘটনা ঘটে।
সূত্র: ইনফোমাইগ্রেন্টস ও রয়টার্স
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।