ট্রাম্পের ট্রানজিট ফি পরিকল্পনাকে ‘জলদস্যুতা’ বললেন লুলা দা সিলভা
নিউজটি শুনুন
- আপলোড সময় : ১৫-০৭-২০২৬ ১২:০১:৪৭ পূর্বাহ্ন
- আপডেট সময় : ১৫-০৭-২০২৬ ১২:০১:৪৭ পূর্বাহ্ন
- ১ মিনিট পড়ার সময়
- ১০৪ বার পঠিত
ছবি: সংগৃহীত
হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী জাহাজের ওপর ২০ শতাংশ ফি আরোপের মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পরিকল্পনার তীব্র সমালোচনা করেছেন ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভা। তার ভাষায়, এ ধরনের পদক্ষেপ ‘জলদস্যুতার’ শামিল।
আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাও পাওলোতে এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে প্রেসিডেন্ট লুলা বলেন, 'একসময় এ ধরনের কর্মকাণ্ডকে জলদস্যুতা বলা হতো।'
তিনি আরও বলেন, 'যুক্তরাষ্ট্রের মতো একটি বড় দেশ দীর্ঘদিন ধরে জলদস্যুতার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে বলে আমি বিশ্বাস করি। অথচ তারাই এখন জলদস্যু হতে চাচ্ছে।'
এর আগে, সোমবার (১৩ জুলাই) ট্রাম্প ঘোষণা দেন, হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবহন করা সব ধরনের পণ্যের ওপর ২০ শতাংশ নিরাপত্তা ফি আরোপ করতে চায় যুক্তরাষ্ট্র। দাবি, এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথে জাহাজ চলাচলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মার্কিন সামরিক বাহিনীর যে ব্যয় হচ্ছে, সেই অর্থের অংশ হিসেবে এই ফি আদায় করা হবে।
ট্রাম্পের এ প্রস্তাব ইতোমধ্যেই আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, এটি কার্যকর হলে বৈশ্বিক জ্বালানি ও পণ্য পরিবহন ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যেতে পারে এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০২
আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাও পাওলোতে এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে প্রেসিডেন্ট লুলা বলেন, 'একসময় এ ধরনের কর্মকাণ্ডকে জলদস্যুতা বলা হতো।'
তিনি আরও বলেন, 'যুক্তরাষ্ট্রের মতো একটি বড় দেশ দীর্ঘদিন ধরে জলদস্যুতার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে বলে আমি বিশ্বাস করি। অথচ তারাই এখন জলদস্যু হতে চাচ্ছে।'
এর আগে, সোমবার (১৩ জুলাই) ট্রাম্প ঘোষণা দেন, হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবহন করা সব ধরনের পণ্যের ওপর ২০ শতাংশ নিরাপত্তা ফি আরোপ করতে চায় যুক্তরাষ্ট্র। দাবি, এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথে জাহাজ চলাচলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মার্কিন সামরিক বাহিনীর যে ব্যয় হচ্ছে, সেই অর্থের অংশ হিসেবে এই ফি আদায় করা হবে।
ট্রাম্পের এ প্রস্তাব ইতোমধ্যেই আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, এটি কার্যকর হলে বৈশ্বিক জ্বালানি ও পণ্য পরিবহন ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যেতে পারে এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।