মধ্যপ্রাচ্য সংকট: ইরানকে ট্রাম্প প্রশাসনের কড়া শর্ত দিলেন জেডি ভ্যান্স
নিউজটি শুনুন
- আপলোড সময় : ১৫-০৪-২০২৬ ১১:১২:৩৭ পূর্বাহ্ন
- আপডেট সময় : ১৫-০৪-২০২৬ ১১:১২:৩৭ পূর্বাহ্ন
- ১ মিনিট পড়ার সময়
- ৫৭ বার পঠিত
ছবি: সংগৃহীত
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ শেষ করতে ইরানের সঙ্গে আলোচনায় নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে যুক্তরাষ্ট্র। গতকাল (সোমবার) মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স বলেছেন, এখন পদক্ষেপ নেওয়ার পালা তেহরানের।
খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।
ভ্যান্সের নেতৃত্বে একটি মার্কিন প্রতিনিধি দল চলতি সপ্তাহে ইরানি কর্মকর্তাদের সঙ্গে পাকিস্তানে বৈঠক করে। তবে পাঁচ সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে চলা যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলি হামলা বন্ধে আলোচনায় কোনো চুক্তি হয়নি।
ফক্স নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ভ্যান্স বলেন, ‘আমার মনে হয় বল এখন ইরানের কোর্টে। আমরা অনেক কিছুই খোলাখুলিভাবে তুলে ধরেছি। আমাদের শর্তগুলো অত্যন্ত স্পষ্টভাবে জানিয়েছি, এখন সিদ্ধান্ত নেওয়ার ভার ইরানের।’
ভ্যান্স বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প স্পষ্ট করে জানিয়ে দিয়েছেন যে দুটি বিষয়ে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না। প্রথমত ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করা। দ্বিতীয়ত, ভবিষ্যতে ইরান যেন পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে না পারে, তা নিশ্চিতে একটি কার্যকর যাচাই প্রক্রিয়া নিশ্চিত করা।
তিনি আরও বলেন, ‘ইরান বলছে তারা পারমাণবিক অস্ত্র বানাবে না। কিন্তু বাস্তবেও যেন এমন ঘটে সেটি আমরা নিশ্চিত করতে চাই।’
গত সপ্তাহে দু’পক্ষের মধ্যে হওয়া দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির বিনিময়ে ইরান সম্পূর্ণভাবে হরমুজ প্রণালি খুলে দেবে বলে আশা প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। কৌশলগত এ জলপথ কার্যত বন্ধ করে রেখেছে তেহরানের বাহিনী।
নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০২
খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।
ভ্যান্সের নেতৃত্বে একটি মার্কিন প্রতিনিধি দল চলতি সপ্তাহে ইরানি কর্মকর্তাদের সঙ্গে পাকিস্তানে বৈঠক করে। তবে পাঁচ সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে চলা যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলি হামলা বন্ধে আলোচনায় কোনো চুক্তি হয়নি।
ফক্স নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ভ্যান্স বলেন, ‘আমার মনে হয় বল এখন ইরানের কোর্টে। আমরা অনেক কিছুই খোলাখুলিভাবে তুলে ধরেছি। আমাদের শর্তগুলো অত্যন্ত স্পষ্টভাবে জানিয়েছি, এখন সিদ্ধান্ত নেওয়ার ভার ইরানের।’
ভ্যান্স বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প স্পষ্ট করে জানিয়ে দিয়েছেন যে দুটি বিষয়ে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না। প্রথমত ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করা। দ্বিতীয়ত, ভবিষ্যতে ইরান যেন পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে না পারে, তা নিশ্চিতে একটি কার্যকর যাচাই প্রক্রিয়া নিশ্চিত করা।
তিনি আরও বলেন, ‘ইরান বলছে তারা পারমাণবিক অস্ত্র বানাবে না। কিন্তু বাস্তবেও যেন এমন ঘটে সেটি আমরা নিশ্চিত করতে চাই।’
গত সপ্তাহে দু’পক্ষের মধ্যে হওয়া দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির বিনিময়ে ইরান সম্পূর্ণভাবে হরমুজ প্রণালি খুলে দেবে বলে আশা প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। কৌশলগত এ জলপথ কার্যত বন্ধ করে রেখেছে তেহরানের বাহিনী।
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।