জেট ফুয়েলের মূল্যবৃদ্ধিতে বড় লোকসানের মুখে অস্ট্রেলিয়ার কোয়ান্টাস এয়ারওয়েজ
নিউজটি শুনুন
- আপলোড সময় : ১৫-০৪-২০২৬ ১০:২৬:৫৯ পূর্বাহ্ন
- আপডেট সময় : ১৫-০৪-২০২৬ ১০:২৬:৫৯ পূর্বাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ৬০ বার পঠিত
ছবি: সংগৃহীত
জেট ফুয়েলের দাম দ্রুত বাড়তে থাকায় অস্ট্রেলিয়ার জাতীয় বিমান সংস্থা ‘কোয়ান্টাস’ চলতি বছরের দ্বিতীয়ার্ধে প্রায় ৮০০ মিলিয়ন অস্ট্রেলিয়ান ডলার (৫৭০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার) পর্যন্ত বাড়তি খরচের মুখে পড়তে পারে। মঙ্গলবার এক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে সংস্থাটি।
খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের কারণে জেট ফুয়েলের দাম দ্বিগুণেরও বেশি বেড়েছে। পরিস্থিতি এখনো ‘অত্যন্ত অস্থিতিশীল’ বলে জানিয়েছে কোয়ান্টাস। সংস্থাটির ধারণা, চলতি বছরের দ্বিতীয়ার্ধে জেট ফুয়েলের মোট খরচ ৩ দশমিক ১ থেকে ৩ দশমিক ৩ বিলিয়ন অস্ট্রেলিয়ান ডলারে পৌঁছাতে পারে। আগের পূর্বাভাসে এই অঙ্ক ছিল প্রায় আড়াই বিলিয়ন ডলার।
কোয়ান্টাস জানিয়েছে, তারা অস্ট্রেলিয়া সরকার ও জ্বালানি সরবরাহকারীদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে যাচ্ছে। সরবরাহকারীরা চলতি এপ্রিলের বাকি সময় ও মে মাসের একটি বড় অংশে জ্বালানি সরবরাহ স্থিতিশীল থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছে।
সংস্থাটি বলেছে, ‘বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায় চলমান অনিশ্চয়তার কারণে আমরা পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছি।’
তবে একটি ইতিবাচক দিকও উঠে এসেছে। যাত্রীরা মধ্যপ্রাচ্যের রুটগুলো এড়িয়ে চলায় ইউরোপমুখী ফ্লাইটের চাহিদা বেড়েছে। এতে লাভবান হচ্ছে কোয়ান্টাস।
সংস্থাটি জানায়, ‘আমরা যুক্তরাষ্ট্র ও অভ্যন্তরীণ রুট থেকে কিছু ফ্লাইট সরিয়ে প্যারিস ও রোমে ফ্লাইট সংখ্যা বাড়িয়েছি।’
কোয়ান্টাস আশা করছে, চলতি বছরের দ্বিতীয়ার্ধে আন্তর্জাতিক রুটে আয় গত বছরের তুলনায় ৪ থেকে ৬ শতাংশ বাড়বে। আগের পূর্বাভাসের তুলনায় এটি দ্বিগুণ। দেশীয় রুটেও আয় প্রায় ৫ শতাংশ বাড়তে পারে, যেখানে আগে ৩ শতাংশ বৃদ্ধির পূর্বাভাস ছিল।
তবে জ্বালানি খরচ আরও বাড়লে অতিরিক্ত পদক্ষেপ নেওয়ার প্রয়োজন হতে পারে বলেও সতর্ক করেছে সংস্থাটি।
কোয়ান্টাস বলেছে, ‘পরিস্থিতি দ্রুত পরিবর্তনশীল হওয়ায় আমরা তা পর্যবেক্ষণ করছি এবং জ্বালানি খরচ কমাতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে।’
নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০২
খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের কারণে জেট ফুয়েলের দাম দ্বিগুণেরও বেশি বেড়েছে। পরিস্থিতি এখনো ‘অত্যন্ত অস্থিতিশীল’ বলে জানিয়েছে কোয়ান্টাস। সংস্থাটির ধারণা, চলতি বছরের দ্বিতীয়ার্ধে জেট ফুয়েলের মোট খরচ ৩ দশমিক ১ থেকে ৩ দশমিক ৩ বিলিয়ন অস্ট্রেলিয়ান ডলারে পৌঁছাতে পারে। আগের পূর্বাভাসে এই অঙ্ক ছিল প্রায় আড়াই বিলিয়ন ডলার।
কোয়ান্টাস জানিয়েছে, তারা অস্ট্রেলিয়া সরকার ও জ্বালানি সরবরাহকারীদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে যাচ্ছে। সরবরাহকারীরা চলতি এপ্রিলের বাকি সময় ও মে মাসের একটি বড় অংশে জ্বালানি সরবরাহ স্থিতিশীল থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছে।
সংস্থাটি বলেছে, ‘বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায় চলমান অনিশ্চয়তার কারণে আমরা পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছি।’
তবে একটি ইতিবাচক দিকও উঠে এসেছে। যাত্রীরা মধ্যপ্রাচ্যের রুটগুলো এড়িয়ে চলায় ইউরোপমুখী ফ্লাইটের চাহিদা বেড়েছে। এতে লাভবান হচ্ছে কোয়ান্টাস।
সংস্থাটি জানায়, ‘আমরা যুক্তরাষ্ট্র ও অভ্যন্তরীণ রুট থেকে কিছু ফ্লাইট সরিয়ে প্যারিস ও রোমে ফ্লাইট সংখ্যা বাড়িয়েছি।’
কোয়ান্টাস আশা করছে, চলতি বছরের দ্বিতীয়ার্ধে আন্তর্জাতিক রুটে আয় গত বছরের তুলনায় ৪ থেকে ৬ শতাংশ বাড়বে। আগের পূর্বাভাসের তুলনায় এটি দ্বিগুণ। দেশীয় রুটেও আয় প্রায় ৫ শতাংশ বাড়তে পারে, যেখানে আগে ৩ শতাংশ বৃদ্ধির পূর্বাভাস ছিল।
তবে জ্বালানি খরচ আরও বাড়লে অতিরিক্ত পদক্ষেপ নেওয়ার প্রয়োজন হতে পারে বলেও সতর্ক করেছে সংস্থাটি।
কোয়ান্টাস বলেছে, ‘পরিস্থিতি দ্রুত পরিবর্তনশীল হওয়ায় আমরা তা পর্যবেক্ষণ করছি এবং জ্বালানি খরচ কমাতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে।’
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।