ঢাকা , সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ , ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ (শরৎকাল) , ৩ রবিউস সানি ১৪৪৮ হিজরি
সংবাদ শিরোনাম :
পশ্চিমবঙ্গে ২৫২টি মাদ্রাসা বন্ধের নোটিশ: আরও ১০০ প্রতিষ্ঠানকে নোটিশ পদ্মা জেনারেলে শিশুর মৃত্যুর অভিযোগ: ডাক্তারহীন এনআইসিইউ বাগেরহাটের রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের একটি ইউনিটের উৎপাদন বন্ধ নাগরিকদের ব্যক্তিগত তথ্য বেচাকেনার অভিযোগে কেরানীগঞ্জে গ্রেপ্তার ১ ভারতকে পেছনে রেখে বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বাণিজ্যে যুক্তরাষ্ট্র তরুণ আলেম মো. জুনায়েদ আল হাবিব ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে ইন্তেকাল করেছেন সম্পত্তি হস্তান্তর বিল-২০২৬ কুরআন ও সুন্নাহর পরিপন্থী দাবি হেফাজতের আল-আকসা মসজিদ প্রাঙ্গণে ঢুকে পড়েছে ৫০০ ইসরায়েলি কেশমের কাছে ইরানি জাহাজে মার্কিন হামলার দাবি, নিহত ১ আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপন নিয়ে রিট খারিজ নবম পে স্কেলে বেতন পেতে তথ্য দিতে হবে আইবাসে চীনে বাড়ছে পেট্রোল ডিজেলের দাম সরকারি দামের চেয়ে বেশি দামে ইউরিয়া সার বিক্রির অভিযোগ আওয়ামী লীগ আমলে ঋণের হিসাবেও গড়মিল হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী ইউরোপে গ্যাসের দাম ২০২৩ সালের পর সর্বোচ্চ ব্রিকস সম্মেলনে যাচ্ছেন না প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণ ছাড়াল ৬ লাখ কোটি টাকা, শীর্ষে ইসলামী ব্যাংক ভাইভার নম্বর বাড়ানোর সিদ্ধান্তে জামায়াত সেক্রেটারির গভীর উদ্বেগ মিথ্যা ঘোষণায় চকবাজারের প্রতিষ্ঠানের সাড়ে পাঁচ হাজার কেজি প্রসাধনী আটক আত্মহত্যার হার শূন্যের কোটায় নামিয়ে আনার আহ্বান: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

মধ্যপ্রাচ্য উত্তেজনার মাঝে যুক্তরাষ্ট্রের নিখোঁজ ৬ পারমাণবিক ওয়ারহেড নিয়ে নতুন উদ্বেগ

নিউজটি শুনুন
  • আপলোড সময় : ১১-০৩-২০২৬ ১১:৪৫:২১ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১১-০৩-২০২৬ ১১:৪৫:২১ পূর্বাহ্ন
  • ২ মিনিট পড়ার সময়
  • ৩৮ বার পঠিত
মধ্যপ্রাচ্য উত্তেজনার মাঝে যুক্তরাষ্ট্রের নিখোঁজ ৬ পারমাণবিক ওয়ারহেড নিয়ে নতুন উদ্বেগ সংগৃহীত ছবি
 

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনা ও সামরিক সংঘাতের প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্রের অতীতে হারিয়ে যাওয়া কয়েকটি পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, কয়েক দশক আগে দুর্ঘটনায় নিখোঁজ হওয়া অন্তত ছয়টি মার্কিন পারমাণবিক ওয়ারহেডের এখনো কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, এসব অস্ত্রের অবস্থান অজানা থাকায় সম্ভাব্য ঝুঁকি নিয়ে আলোচনা আবার সামনে এসেছে।
 

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ডেইলি মিরর–এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত কয়েক দশকে যুক্তরাষ্ট্রের পারমাণবিক অস্ত্র সম্পর্কিত একাধিক দুর্ঘটনা ঘটেছে। মার্কিন সামরিক পরিভাষায় এ ধরনের দুর্ঘটনাকে বলা হয় ‘ব্রোকেন অ্যারো’। এর অর্থ হলো এমন পরিস্থিতি, যেখানে দুর্ঘটনার কারণে পারমাণবিক অস্ত্র হারিয়ে যায় অথবা সামরিক নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়।
 

উপলব্ধ নথি অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রে এ ধরনের মোট ৩২টি ‘ব্রোকেন অ্যারো’ ঘটনার রেকর্ড রয়েছে। এর মধ্যে অন্তত ছয়টি ঘটনায় পারমাণবিক ওয়ারহেড এখনো উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। মার্কিন কর্তৃপক্ষের যুক্তি হলো, যদি তাদের পক্ষেই এসব অস্ত্র খুঁজে পাওয়া কঠিন হয়, তবে অন্য কোনো পক্ষের পক্ষেও সেগুলো খুঁজে পাওয়া সহজ হবে না।
 

এ ধরনের অন্যতম আলোচিত ঘটনা ঘটে ১৯৫৮ সালে। সে সময় যুক্তরাষ্ট্রের টাইবি দ্বীপের আকাশসীমায় দুটি মার্কিন সামরিক বিমানের সংঘর্ষ হয়। দুর্ঘটনার সময় একটিবি-৪৭ স্ট্রাটোজেট বোমারু বিমান একটি মার্ক-১৫ পারমাণবিক বোমা বহন করছিল। সংঘর্ষের পর বিমানটি গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হলে সম্ভাব্য বিস্ফোরণের ঝুঁকি এড়াতে পাইলট জর্জিয়ার উপকূলবর্তী ওয়াসাউ সাউন্ড এলাকায় সমুদ্রে বোমাটি ফেলে দেন।
 

প্রায় ৭ হাজার ৬০০ পাউন্ড ওজনের এই হাইড্রোজেন বোমার বিস্ফোরণ ক্ষমতা প্রায় ৩ দশমিক ৮ মেগাটন বলে উল্লেখ করা হয়। তুলনামূলকভাবে এটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় নাগাসাকিতে পারমাণবিক বোমাতে ব্যবহৃত পারমাণবিক বোমার তুলনায় অনেক বেশি শক্তিশালী ছিল বলে বিশ্লেষকেরা উল্লেখ করেন। দুর্ঘটনার পর একাধিকবার অনুসন্ধান চালানো হলেও বোমাটি আজ পর্যন্ত উদ্ধার করা যায়নি।
 

প্রাথমিকভাবে মার্কিন বিমানবাহিনী জানিয়েছিল, বোমাটির প্লুটোনিয়াম ওয়ারহেড উড্ডয়নের আগে সরিয়ে ফেলা হয়েছিল। তবে পরবর্তীতে ১৯৯৪ সালে প্রকাশিত কংগ্রেসনাল নথিতে ইঙ্গিত পাওয়া যায় যে টাইবি দ্বীপের কাছে হারিয়ে যাওয়া মার্ক-১৫ বোমাটি আসলে সম্পূর্ণ অবস্থাতেই ছিল।
 

আরেকটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা ঘটে ১৯৬৬ সালে, যখন দুটি মার্কিন সামরিক বিমানের সংঘর্ষের পর একটি থার্মোনিউক্লিয়ার বোমা ভূমধ্যসাগরে হারিয়ে যায় এবং এর ওয়ারহেড আজও নিখোঁজ রয়েছে।
 

এদিকে সাম্প্রতিক সময়ে ইরান ও ইসরাইলকে ঘিরে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বাড়তে থাকায় পারমাণবিক নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। কিছু বিশ্লেষকের মতে, অতীতে হারিয়ে যাওয়া পারমাণবিক অস্ত্রগুলো নিয়ে উদ্বেগ নতুন করে সামনে আসার এটিও একটি কারণ।
 

পারমাণবিক নিরাপত্তা বিশ্লেষক জেফ্রি লুইস বলেছেন, সামরিক হামলা কোনো দেশের শাসনব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন আনতে না পারলে সংশ্লিষ্ট দেশ ভবিষ্যতে আবারও পারমাণবিক কর্মসূচি পুনর্গঠনের চেষ্টা করতে পারে। তার মতে, প্রযুক্তিটি পুরোনো হলেও রাজনৈতিক সিদ্ধান্তই অনেক সময় পারমাণবিক কর্মসূচির ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করে।


নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০৪

মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।