ঢাকা , বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬ , ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ (শরৎকাল) , ৩ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
সংবাদ শিরোনাম :
মাদক, কিশোর গ্যাং ও র‍্যাগ ডে রোধে মাউশির নির্দেশ হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা সর্বকালের রেকর্ড ছাড়িয়েছে চুয়েটে ৩০ ঘণ্টা পর অবরুদ্ধ উপাচার্যকে উদ্ধার, ক্যাম্পাসে না আসার শর্তে রেলখাতের উন্নয়নে ৮০টি নতুন ইঞ্জিন আমদানির উদ্যোগ: রেলমন্ত্রী কুমিল্লায় কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে আরও ৩৫৩ জন আটক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রস্তুতি শেষে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের সুপারিশ তৃতীয় টার্মিনালের গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ে প্রস্তাব ৪ বিদেশি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ ভারত বাণিজ্য বৈঠক শেষ আজ, আলোচনায় শুল্ক ও বাণিজ্য ঘাটতি রূপপুর পারমাণবিক কেন্দ্রের প্রথম ইউনিটে নিয়ন্ত্রিত বিক্রিয়া শুরু বিমানের বহরে যুক্ত হচ্ছে এয়ারবাসের ১০ উড়োজাহাজ এশিয়ার বাজারগুলোতে বাড়ছে বাংলাদেশের রপ্তানি অবসরভাতা পেতে শিক্ষকদের ভোগান্তি বন্ধের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর বাংলাদেশকে খাদ্য নিরাপত্তায় ৩০০ মিলিয়ন ডলার দেবে বিশ্বব্যাংক পাকিস্তান ও ভারতীয়দের তুলনায় বাংলাদেশিদের গড় আয়ু বেশি: WHO যানজট নিরসনে বৃত্তাকার সড়ক নির্মাণের গতি বাড়ানোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রী কেন সম্ভাব্য মার্কিন হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে কানাডা? অক্টোবরে বেতনের সঙ্গে ৩ মাসের বকেয়া পেতে পারেন সরকারি চাকরিজীবীরা রোহিঙ্গা সংকটের সমাধান মিয়ানমারেই হতে হবে: তারেক রহমান দক্ষিণ এশিয়ায় ভয়াবহ খাদ্যসংকটের আশঙ্কা প্রকাশ এস জয়শঙ্করের রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের নতুন জ্বালানি আজ দেশে আসছে

অভিবাসন আটক কেন্দ্র গড়তে ৩৮৩০ কোটি ডলার বরাদ্দের পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের

নিউজটি শুনুন
  • আপলোড সময় : ১৪-০২-২০২৬ ১০:৩৬:৪৭ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১৪-০২-২০২৬ ১০:৩৬:৪৭ অপরাহ্ন
  • ১ মিনিট পড়ার সময়
  • ৩৯ বার পঠিত
অভিবাসন আটক কেন্দ্র গড়তে ৩৮৩০ কোটি ডলার বরাদ্দের পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধ অভিবাসীদের নিয়ন্ত্রণ ও আটকের সক্ষমতা বাড়াতে ৩ হাজার ৮৩০ কোটি (৩৮.৩ বিলিয়ন) ডলারের একটি বিশাল বাজেট পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে দেশটির অভিবাসন ও শুল্ক প্রয়োগকারী সংস্থা (আইসিই)। সম্প্রতি প্রকাশিত একটি ফেডারেল বাজেট নথিতে এই বিপুল অর্থ বরাদ্দের প্রস্তাব উল্লেখ করা হয়েছে। এই বাজেটের মূল লক্ষ্য হলো দেশজুড়ে নতুন অভিবাসন আটক কেন্দ্র বা কারাগার নির্মাণ, বিদ্যমান কেন্দ্রগুলোর সম্প্রসারণ এবং সেগুলোর নিয়মিত পরিচালনা নিশ্চিত করা।

 

​বাজেট নথির তথ্য অনুযায়ী, প্রস্তাবিত এই অর্থের বড় একটি অংশ ব্যয় হবে নতুন অবকাঠামো নির্মাণ এবং আধুনিকায়ন কাজে। এছাড়া আটক কেন্দ্রগুলোর দৈনন্দিন পরিচালনা ব্যয়, নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য প্রশাসনিক খরচও এই বরাদ্দের অন্তর্ভুক্ত। মূলত ট্রাম্প প্রশাসনের ‘গণ-বহিষ্কার’ বা ম্যাস ডিপোর্টেশন কর্মসূচি বাস্তবায়নের প্রাথমিক ধাপ হিসেবে এই বিশাল অবকাঠামো উন্নয়নের পরিকল্পনা করা হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা।

 

​মানবাধিকার সংস্থাগুলো এই বিশাল বাজেটের সমালোচনা করলেও আইসিই কর্মকর্তাদের দাবি, সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত এবং অবৈধভাবে বসবাসকারীদের আইনি প্রক্রিয়ার আওতায় আনতে আটক কেন্দ্রের সংখ্যা বাড়ানো জরুরি হয়ে পড়েছে। এই বাজেট পরিকল্পনাটি কার্যকর হলে যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন আটক কেন্দ্রগুলোর সক্ষমতা আগের চেয়ে কয়েক গুণ বৃদ্ধি পাবে, যা দেশটির অভিবাসন ইতিহাসে এক নজিরবিহীন ঘটনা হিসেবে চিহ্নিত হচ্ছে।


নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০২

মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।