মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন বিমানবাহী রণতরী মোতায়েন, উত্তেজনা চরম শিখরে
- আপলোড সময় : ২৭-০১-২০২৬ ০৪:২০:৪৬ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ২৭-০১-২০২৬ ০৪:২০:৪৬ অপরাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ৪৭ বার পঠিত
সংগৃহীত ছবি
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের একটি বিমানবাহী রণতরী ও একাধিক সহায়ক যুদ্ধজাহাজ পৌঁছানোর ফলে সেখানে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি আরও জোরদার হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, এতে করে আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি প্রয়োজনে ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার ক্ষেত্রে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কৌশলগত সক্ষমতা আরও বাড়বে।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) যুক্তরাষ্ট্রের দুই কর্মকর্তা ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে জানান, ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন বিমানবাহী রণতরীসহ কয়েকটি গাইডেড মিসাইল ডেস্ট্রয়ার যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ডের আওতাধীন মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলে প্রবেশ করেছে। এসব নৌযান সাম্প্রতিক সময়ে এশিয়া–প্যাসিফিক অঞ্চল থেকে ধাপে ধাপে মোতায়েন করা হয়।
এর আগে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইরানের উদ্দেশে এক বক্তব্যে জানান, যুক্তরাষ্ট্রের একটি নৌবহর ওই অঞ্চলের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। যদিও তিনি একই সঙ্গে আশা প্রকাশ করেন, এই সামরিক শক্তি ব্যবহার করার প্রয়োজন নাও হতে পারে। তবে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ও সরকারবিরোধী বিক্ষোভ দমনের ঘটনাকে ঘিরে ওয়াশিংটনের উদ্বেগ স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।
এই পরিস্থিতিতে ইরানও পাল্টা হুঁশিয়ারি দিয়েছে। গত সপ্তাহে দেশটির এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেন, ইরানের ওপর যেকোনো ধরনের হামলাকে তারা পূর্ণমাত্রার যুদ্ধ হিসেবে বিবেচনা করবে। এতে করে উত্তেজনা আরও বেড়েছে।
এদিকে সংযুক্ত আরব আমিরাত স্পষ্ট করে জানিয়েছে, তারা তাদের আকাশসীমা, ভূখণ্ড কিংবা আঞ্চলিক জলসীমা ইরানের বিরুদ্ধে কোনো সামরিক অভিযানে ব্যবহারের অনুমতি দেবে না। উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোর অবস্থানও এ সংকটে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে বলে মনে করছেন কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা।
উল্লেখযোগ্যভাবে, অতীতেও যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা বাড়লে মধ্যপ্রাচ্যে অতিরিক্ত সেনা ও সামরিক সরঞ্জাম পাঠিয়েছে ওয়াশিংটন। অধিকাংশ ক্ষেত্রে এসব মোতায়েন প্রতিরক্ষামূলক হলেও, গত বছর জুনে ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাকে লক্ষ্য করে চালানো অভিযানের আগে যুক্তরাষ্ট্র উল্লেখযোগ্য সামরিক শক্তি একত্র করেছিল। বর্তমান মোতায়েন সেই অভিজ্ঞতার আলোকে নতুন করে আন্তর্জাতিক উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।