গ্রিনল্যান্ডে মার্কিন ঘাঁটি: নতুন চুক্তিতে মডেল হচ্ছে যুক্তরাজ্য–সাইপ্রাস কাঠামো
নিউজটি শুনুন
- আপলোড সময় : ২৩-০১-২০২৬ ০৩:৪৬:০৬ পূর্বাহ্ন
- আপডেট সময় : ২৩-০১-২০২৬ ০৩:৫৫:৪২ পূর্বাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ৩৫ বার পঠিত
ছবি: সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্র ও গ্রিনল্যান্ডের মধ্যে প্রস্তাবিত নতুন নিরাপত্তা চুক্তির কাঠামো হতে যাচ্ছে যুক্তরাজ্য ও সাইপ্রাসের মধ্যকার ঐতিহাসিক চুক্তির আদলে। প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম ‘দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস’-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই চুক্তির ফলে গ্রিনল্যান্ডের কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ কিছু নির্দিষ্ট অঞ্চল যুক্তরাষ্ট্রের সার্বভৌমত্বের অধীনে চলে আসতে পারে। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র, ডেনমার্ক এবং সামরিক জোট ন্যাটো-এর শীর্ষ কর্মকর্তারা এই বিশেষ প্রশাসনিক কাঠামো নিয়ে নিবিড় আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন। প্রস্তাবিত এই ব্যবস্থার লক্ষ্য হলো ওই অঞ্চলগুলোতে স্থায়ী মার্কিন সামরিক অবকাঠামো নির্মাণ ও অবাধ পরিচালনার অধিকার নিশ্চিত করা।
নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০২
এই নতুন ভূ-রাজনৈতিক সমীকরণটি মূলত সাইপ্রাসে যুক্তরাজ্যের পরিচালিত দুটি সার্বভৌম সামরিক ঘাঁটির অনুকরণে তৈরি করা হচ্ছে। ওই কাঠামোতে সাইপ্রাসের ভূখণ্ডের নির্দিষ্ট অংশ যেমন ব্রিটিশ সার্বভৌমত্বের অধীনে থাকে, গ্রিনল্যান্ডের ক্ষেত্রেও যুক্তরাষ্ট্র তেমনটি চাচ্ছে। সূত্রের খবর অনুযায়ী, ন্যাটোর নবনিযুক্ত মহাসচিব মার্ক রুটে এই আলোচনার নেপথ্যে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। মূলত তার সক্রিয় উদ্যোগেই বিষয়টি আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে জোরালো আলোচনায় এসেছে।
কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ আর্কটিক অঞ্চলে প্রভাব বাড়াতে যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘ দিন ধরেই গ্রিনল্যান্ডের ভূখণ্ড ব্যবহারে আগ্রহী। ডেনমার্কের স্বায়ত্তশাসিত এই দ্বীপটি ন্যাটোর প্রতিরক্ষা ব্যুহ তৈরিতে অপরিহার্য হিসেবে বিবেচিত। এই চুক্তির ফলে উত্তর মেরু অঞ্চলে পশ্চিমা শক্তির অবস্থান যেমন সুসংহত হবে, তেমনি সামরিক অবকাঠামোর ওপর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ পাওয়ার পথ প্রশস্ত হবে ওয়াশিংটনের জন্য। যদিও সার্বভৌমত্ব হস্তান্তরের মতো স্পর্শকাতর বিষয়ে স্থানীয় এবং আন্তর্জাতিক মহলে নানা প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
(সূত্র: দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস)।
(সূত্র: দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস)।
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।