উলামা মাশায়েখ আইম্মা পরিষদের ১০১ সদস্যের কমিটি ঘোষণা
সভাপতি মুফতি মিজানুর রহমান সাঈদ, সাধারণ সম্পাদক মুফতি রেজাউল করীম আবরার; অপরাধ নিয়ন্ত্রণে উলামায়ে কেরামের ভূমিকার কথা তুলে ধরে সতর্ক থাকার আহ্বান সভাপতির।
- আপলোড সময় : ২৫-১০-২০২৬ ০৬:৪৪:৪৪ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ২৫-১০-২০২৬ ০৬:৪৪:৪৪ অপরাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ৩৭ বার পঠিত
ছবি সংগৃহিত
জাতীয় উলামা মাশায়েখ আইম্মা পরিষদের ১০১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। রোববার (২৫ অক্টোবর) বিএমএ মিলনায়তনে কমিটি ঘোষণা করেন পরিষদের সভাপতি মুফতি মিজানুর রহমান সাঈদ। কমিটিতে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন মুফতি রেজাউল করীম আবরার।
এর আগে গত ৮ অক্টোবর ন্যাশনাল ওলামা সামিটের মাধ্যমে পরিষদের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ প্রাথমিক কমিটি ঘোষণা করা হয়েছিল।
পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণার অনুষ্ঠানে মুফতি মিজানুর রহমান সাঈদ বলেন, সমাজে অপরাধ নিয়ন্ত্রণ ও সামাজিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় উলামায়ে কেরামের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। তাঁর দাবি, মাদ্রাসায় পড়াশোনা করেছেন বা মাদ্রাসার সঙ্গে সম্পৃক্ত ব্যক্তিদের মধ্যে অপরাধপ্রবণতা তুলনামূলক কম।
তিনি জানান, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নয় মাসে দেশে ১ লাখ ৫১ হাজার ৫৯৬টি মামলা নথিভুক্ত হয়েছে। এসব মামলায় উলামা ও মাদ্রাসাসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সম্পৃক্ততার সংখ্যা খুবই নগণ্য বলে মন্তব্য করেন তিনি।
মুফতি মিজানুর রহমান সাঈদ বলেন, বিচ্ছিন্ন কয়েকটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে উলামায়ে কেরামকে সামগ্রিকভাবে দোষারোপ করা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। একই সঙ্গে তিনি মাদ্রাসা ও উলামায়ে কেরামকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। তাঁর ভাষ্য, তাঁদের কোনো কর্মকাণ্ডের কারণে যেন মানুষের মনে উলামায়ে কেরামের মর্যাদা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি না হয়।
ঘোষিত কমিটিতে সভাপতি হিসেবে রয়েছেন মুফতি মিজানুর রহমান সাঈদ এবং সাধারণ সম্পাদক মুফতি রেজাউল করীম আবরার। এ ছাড়া সিনিয়র সহ-সভাপতি, সহ-সভাপতি, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদকসহ বিভিন্ন পদে দায়িত্ব বণ্টন করা হয়েছে। কমিটির বাকি সদস্যদের মধ্যে বিভিন্ন বিষয়ভিত্তিক সম্পাদক ও সদস্য রয়েছেন।
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।