শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুযায়ী ফেরত চেয়েছে সরকার
ডিসেম্বরে দেশে ফেরার গুঞ্জন নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য, অস্থিরতা সৃষ্টির চেষ্টা প্রতিহত করার কথা জানাল সরকার।
- আপলোড সময় : ২৫-১০-২০২৬ ০৩:১৩:৫৫ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ২৫-১০-২০২৬ ০৩:১৩:৫৫ অপরাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ২৬ বার পঠিত
ছবি: সংগৃহীত
ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুযায়ী দেশে ফেরত চেয়ে প্রতিবেশী দেশের কাছে কয়েক দফা অনুরোধ পাঠিয়েছে বাংলাদেশ সরকার। ডিসেম্বরে তাঁর দেশে ফেরার গুঞ্জনের বিষয়ে রোববার (২৫ অক্টোবর) স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জানিয়েছেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ ধরনের আলোচনা তাঁরাও শুনেছেন। একই সঙ্গে দেশে কোনো ধরনের অস্থিরতা সৃষ্টির সুযোগ দেওয়া হবে না বলেও সতর্ক করেন তিনি।
রোববার বাংলাদেশ সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা বলেন। তিনি জানান, শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট প্রতিবেশী দেশের কাছে প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুসারে একাধিকবার অনুরোধ পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে সরকারের অবস্থান স্পষ্ট বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
ডিসেম্বরে শেখ হাসিনার দেশে ফেরার সম্ভাবনা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া আলোচনা এবং এ বিষয়ে সরকারের প্রস্তুতি সম্পর্কে জানতে চাইলে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, অতীতের ফ্যাসিবাদী শক্তির পক্ষ থেকে অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা আগেও হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, এ ধরনের তৎপরতার মাধ্যমে দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করে রাজনৈতিকভাবে সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, কোনো অপশক্তি, পতিত শক্তি, ফ্যাসিস্ট কিংবা পলাতক অপরাধীর তৎপরতার মাধ্যমে বাংলাদেশে অস্থিরতা সৃষ্টির সুযোগ দেওয়া হবে না। গণহত্যার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের অপতৎপরতাও বরদাশত করা হবে না বলে তিনি মন্তব্য করেন।
তিনি আরও বলেন, গণঅভ্যুত্থানের মুখে যাঁরা দেশ ছেড়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছেন এবং যাঁদের বিরুদ্ধে শত শত নাগরিক হত্যার অভিযোগ রয়েছে, তাঁদের কোনো ধরনের অপতৎপরতা বাংলাদেশে চলতে দেওয়া হবে না।
তবে ডিসেম্বরে শেখ হাসিনা দেশে ফিরবেন—এমন আলোচনার বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যে কোনো নির্দিষ্ট প্রত্যাবর্তনের তারিখ বা প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার তথ্য জানানো হয়নি। ফলে তাঁর সম্ভাব্য প্রত্যাবর্তন নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চলা আলোচনা এবং সরকারের আনুষ্ঠানিক অবস্থানকে পৃথকভাবে বিবেচনা করা প্রয়োজন।
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।