জ্ঞানেশের পর প্রধানমন্ত্রী ও অমিত শাহের পালা, বললেন রাহুল
এসআইআর প্রক্রিয়ায় ভোটারের নাম বাদ দেওয়া ও অনিয়মের অভিযোগে বিরোধীদের আবেদন, সুপ্রিম কোর্টমুখী মিছিলে পুলিশি বাধা।
- আপলোড সময় : ১২-১০-২০২৬ ১০:২৬:২৩ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ১২-১০-২০২৬ ১০:২৬:২৩ অপরাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ৩৭ বার পঠিত
ছবি—সংগৃহীত
মিছিলে রাহুল গান্ধীর সঙ্গে ছিলেন কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়াঙ্কা গান্ধী ভদ্র এবং অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি নেহা বোরাও। সুপ্রিম কোর্টে আবেদনকারীদের মধ্যে রয়েছেন কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে, তৃণমূল কংগ্রেসের সৌগত রায়, সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদব এবং রাষ্ট্রীয় জনতা দলের নেতা তেজস্বী প্রসাদ যাদব।
আবেদনে অভিযোগ করা হয়েছে, এসআইআর প্রক্রিয়ায় বিপুলসংখ্যক ভোটারের নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে এবং পুরো প্রক্রিয়ায় বিভিন্ন অনিয়ম ঘটেছে।
রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বে মিছিলটি তিলক মার্গ হয়ে সুপ্রিম কোর্টের দিকে এগোলে ভগবান দাস রোডে পুলিশ বাধা দেয়। ফলে মিছিলটি আদালত পর্যন্ত পৌঁছাতে পারেনি। এ সময় ভগবান দাস রোড ও আশপাশের এলাকায় বহু মানুষ অবস্থান করছিলেন।
মিছিল শুরুর আগে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় রাহুল গান্ধী বলেন, জ্ঞানেশ কুমারকে সরানোর দাবিতে একটি ধারাবাহিক প্রতিবাদ চলছে। তিনি বলেন, ‘এরপর প্রধানমন্ত্রী, অমিত শাহের পালা। আমরা থামব না।’ রাহুলের অভিযোগ, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ও জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভালের চাপে কাজ করছেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে তাঁদের বক্তব্য প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।
এদিকে, গত রোববার ককরোচ জনতা পার্টির নেতা সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কা দিল্লি পুলিশের কাছে চিঠি দিয়ে জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভের জন্য নতুন তারিখ চেয়েছিলেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশ বিক্ষোভের জন্য তিনটি বিকল্প স্থান নির্ধারণ করে। সেগুলো হলো রামলীলা ময়দান, বুরারি গ্রাউন্ড এবং পূর্ব দিল্লির সিবিডি গ্রাউন্ড।
বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে সোমবার দিল্লির ছয়টি মেট্রোস্টেশনের প্রবেশ ও বের হওয়ার গেট বিকেল চারটা পর্যন্ত বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। স্টেশনগুলো হলো জনপথ, মান্ডি হাউস, বারাখাম্বা রোড, সেন্ট্রাল সেক্রেটারিয়েট, রাজীব চক ও প্যাটেল চক। দিল্লি মেট্রোরেল করপোরেশন জানিয়েছে, এসব স্টেশনে এক লাইন থেকে অন্য লাইনে ট্রেন বদলের সুবিধা চালু ছিল। পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা জানিয়েছিল নিরাপত্তা সংস্থাগুলো।
এর আগে রোববার ভারতের সুপ্রিম কোর্ট কেন্দ্রীয় সরকারকে দিল্লির মেট্রো পরিষেবা স্বাভাবিক রাখা এবং ইন্টারনেট সংযোগ নিরবচ্ছিন্ন রাখার নির্দেশ দেন। আদালত বলেন, কোনো বিধিনিষেধ আরোপ করা হলে তা সংবিধানের ১৯(২) অনুচ্ছেদে জনশৃঙ্খলা রক্ষার বিধানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হতে হবে।
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।