রাশিয়ায় হামলা বন্ধে ইউক্রেনকে মার্কিন সহায়তা স্থগিতের হুমকি
জ্বালানি স্থাপনায় হামলা অব্যাহত থাকলে গোয়েন্দা তথ্য ও অস্ত্র কেনার সহায়তা বন্ধ করতে পারে ট্রাম্প প্রশাসন।
নিউজটি শুনুন
- আপলোড সময় : ১২-১০-২০২৬ ০১:১৬:২৫ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ১২-১০-২০২৬ ০১:১৬:২৫ অপরাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ৫৮ বার পঠিত
ছবি— সংগৃহীত
রাশিয়ার জ্বালানি অবকাঠামোয় ইউক্রেনের হামলা অব্যাহত থাকলে কিয়েভের সঙ্গে গোয়েন্দা তথ্য বিনিময় বন্ধ এবং ইউরোপীয় দেশগুলোর মাধ্যমে মার্কিন অস্ত্র কেনার প্রক্রিয়া স্থগিত করার হুমকি দিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন। সোমবার (১২ অক্টোবর) সিএনএনের এক প্রতিবেদনে ইউরোপীয় দুই কর্মকর্তার বরাতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-১৫
প্রতিবেদন অনুযায়ী, সপ্তাহান্তে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর ও পেন্টাগন ইউক্রেন এবং ইউরোপের কর্মকর্তাদের কাছে এ বিষয়ে সতর্কবার্তা পাঠায়। এর মধ্যে মার্কিন সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে সরাসরি ইউক্রেনীয় কমান্ডারদের কাছে পাঠানো বার্তাও রয়েছে। এর আগে ফাইন্যান্সিয়াল টাইমস গোয়েন্দা তথ্য বিনিময় ও অস্ত্র কেনাকাটা স্থগিতের হুমকির বিষয়টি প্রকাশ করে।
রাশিয়ার তেল শোধনাগারগুলোতে ইউক্রেনের ধারাবাহিক হামলায় ক্ষুব্ধ ট্রাম্প। আন্তর্জাতিক বাজারে ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধির জন্য তিনি রাশিয়া ও ইউক্রেনের সংঘাতকে দায়ী করে আসছেন। একই সঙ্গে দুই দেশকে জ্বালানি স্থাপনায় হামলা বন্ধের আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। তবে ট্রাম্পের ঘোষিত ‘জ্বালানি যুদ্ধবিরতি’ ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভোলোদিমির জেলেনস্কির কাছে অপ্রত্যাশিত ছিল বলে তাঁর ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র জানিয়েছে।
ইউরোপীয় কর্মকর্তাদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সহায়তা ও অস্ত্র কেনার ব্যবস্থা বন্ধ হয়ে গেলে ইউক্রেনের প্রতিরক্ষাব্যবস্থা গুরুতর সংকটে পড়তে পারে। বিশেষ করে মার্কিন গোয়েন্দা তথ্য রুশ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের অবস্থান শনাক্ত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। পাশাপাশি পিইউআরএল প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কেনা প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্রের সরবরাহ ব্যাহত হলে ইউক্রেনের আকাশ প্রতিরক্ষার সক্ষমতা দুর্বল হয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
এর আগে ২০২৫ সালের মার্চে ওভাল অফিসে ট্রাম্প ও জেলেনস্কির মধ্যে বাকবিতণ্ডার পর সাময়িকভাবে ইউক্রেনের সঙ্গে গোয়েন্দা তথ্য বিনিময় স্থগিত করেছিল যুক্তরাষ্ট্র। সাম্প্রতিক সময়ে যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার মধ্যে ডিজেলসংক্রান্ত চুক্তি এবং ইউক্রেনে নতুন নেতা নির্বাচনের বিষয়ে ট্রাম্পের পরামর্শ দুই দেশের সম্পর্ককে আরও তিক্ত করেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।