চাঁদপুরে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দগ্ধ শিশুর মৃত্যু, আশঙ্কাজনক অপরজন
বারান্দায় ৩৩ হাজার ভোল্টের বিদ্যুৎ লাইনের সংস্পর্শে দগ্ধ হয়েছিল দুই শিশু
- আপলোড সময় : ০৮-১০-২০২৬ ১১:৫৯:৪৯ পূর্বাহ্ন
- আপডেট সময় : ০৮-১০-২০২৬ ১১:৫৯:৪৯ পূর্বাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ২৭ বার পঠিত
ছবি সংগৃহীত
চাঁদপুর শহরের নিউ ট্রাক রোডে আত্মীয়ের বাসায় বেড়াতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দগ্ধ দুই শিশুর মধ্যে মো. রাব্বি (৪) মারা গেছে। ঘটনার পাঁচ দিন পর বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) ভোরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। একই ঘটনায় দগ্ধ ফাইজা আক্তার (৬) এখনো আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন।
রাব্বির খালা ইয়াছমিন আক্তার জানান, ভোর ৪টার দিকে রাব্বির মৃত্যুর খবর তার মা ইমা তাকে ফোন করে জানান। বিকেলে শিশুটির মরদেহ বাড়িতে নেওয়ার কথা রয়েছে। অপর শিশু ফাইজার অবস্থাও সংকটাপন্ন বলে জানান তিনি।
এর আগে ৩ অক্টোবর বেলা ২টার দিকে চাঁদপুর শহরের আরএস টাওয়ারের পঞ্চম তলার পশ্চিম পাশের ফ্ল্যাটের বারান্দায় খেলতে গিয়ে ৩৩ হাজার ভোল্টের বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইনের সংস্পর্শে আসে ফাইজা ও রাব্বি। এতে দুজনই গুরুতর দগ্ধ হয়। প্রথমে তাদের চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে পাঠানো হয়।
চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. আসিবুল হাসান জানিয়েছিলেন, ফাইজার শরীরের প্রায় ৫০ শতাংশ এবং রাব্বির প্রায় ৬০ শতাংশ পুড়ে যায়। রাব্বির অবস্থা শুরু থেকেই আশঙ্কাজনক ছিল।
নিহত রাব্বি ও ফাইজা খালাতো ভাইবোন। ঘটনার দিন তারা মায়ের সঙ্গে চাঁদপুর শহরের ওই বাসায় বেড়াতে এসেছিল। তাদের বাড়ি লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলায়।
ঘটনার পর আরএস টাওয়ারের মালিকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। শিশুদের খালা ইয়াছমিন প্রায় আড়াই বছর ধরে ওই বাসায় ভাড়া থাকেন। তার স্বামী সোহেল দেওয়ান সৌদি আরবে থাকেন। শিশুদের চিকিৎসা নিয়ে ব্যস্ত থাকায় এখনো কোনো আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি বলে জানান ইয়াছমিন।
চাঁদপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফয়েজ আহমেদ জানান, এ ঘটনায় থানায় এখন পর্যন্ত কেউ অভিযোগ করেনি।
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।