সেন্টমার্টিনে খতনার পর ২২ শিশুর ক্ষতস্থানে ইনফেকশন
খতনার পর ক্ষতস্থানে রক্ত-পুঁজ, হাসপাতালে ভর্তি আক্রান্ত শিশুরা
- আপলোড সময় : ০৮-১০-২০২৬ ০৯:৩৭:০৬ পূর্বাহ্ন
- আপডেট সময় : ০৮-১০-২০২৬ ০৯:৩৭:০৬ পূর্বাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ১৫ বার পঠিত
ছবি সংগৃহীত
কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিনে বিনামূল্যে খতনা করানোর দুদিন পর অন্তত ২২ শিশুর ক্ষতস্থানে তীব্র ইনফেকশন ও রক্তক্ষরণ দেখা দিয়েছে। শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় আক্রান্ত শিশুদের দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বেসরকারি সংস্থা ‘আল মোমিন সমাজ কল্যাণ ফাউন্ডেশন’-এর উদ্যোগে সেন্টমার্টিনে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা, মসজিদ-মাদ্রাসায় আর্থিক সহায়তা এবং শিশুদের সুন্নতে খতনার কর্মসূচি নেওয়া হয়। কর্মসূচির আওতায় দ্বীপের ৫ থেকে ১৫ বছর বয়সী মোট ২১০ শিশুর খতনা করা হয়। পরে তাদের বিনামূল্যে ওষুধও দেওয়া হয়।
তবে খতনা করানোর দুই দিনের মধ্যেই অনেক শিশুর ক্ষতস্থানে সমস্যা দেখা দেয়। পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, অস্ত্রোপচারের পর থেকেই অনেক শিশুর ক্ষতস্থান ফুলে যায় এবং তীব্র ব্যথা শুরু হয়। পরে অন্তত ২২ শিশুর ক্ষতস্থান থেকে রক্ত ও পুঁজ বের হতে থাকে। এতে আতঙ্কিত অভিভাবকরা দ্রুত সন্তানদের চিকিৎসার জন্য স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।
এ বিষয়ে টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস এম অনীক চৌধুরী জানান, আল মোমিন সমাজ কল্যাণ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে প্রায় ১২০ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল সেন্টমার্টিনে গিয়েছিল। তাদের মধ্যে একজন নিবন্ধিত এমবিবিএস চিকিৎসকের নেতৃত্বে ১৪ সদস্যের একটি স্বাস্থ্য টিম ২১০ শিশুর খতনা কার্যক্রম সম্পন্ন করে।
ইউএনও আরও জানান, প্রাথমিক তথ্যানুযায়ী অস্ত্রোপচারের পর সঠিক নিয়মে ড্রেসিং না করা এবং পারিবারিকভাবে যথাযথ স্বাস্থ্য সচেতনতা ও পরিচ্ছন্নতা বজায় না রাখার কারণে ক্ষতস্থানে ইনফেকশন ও রক্তক্ষরণ হয়ে থাকতে পারে। বর্তমানে আক্রান্ত শিশুদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে স্থানীয় স্বাস্থ্য বিভাগ বিষয়টি তদারকি করছে।
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।