ঢাকা , বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ , ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ (শরৎকাল) , ২০ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
সংবাদ শিরোনাম :
তারেক রহমানের সঙ্গে শিগগিরই সাক্ষাতের আশা প্রকাশ ট্রাম্পের নতুন বেতন কাঠামোয় মূল্যস্ফীতির ঝুঁকি রয়েছে: তথ্য উপদেষ্টা নবম পে স্কেলে এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীরাও আসছেন নেপালে বন্যায় মৃত ৯৩৯, এক বাড়ি থেকেই উদ্ধার ২৩ লাশ ৪৫ বছর পর জিয়া হত্যার পুনঃতদন্তে নতুন সূত্র ইসলামকে ‘অন্য সব ধর্মের চেয়ে শ্রেষ্ঠ’ বলায় মন্ত্রীর পদত্যাগ দাবী ইরানের পালটা হামলায় মধ্যপ্রাচ্যে বাড়ছে যুদ্ধের শঙ্কা আদানির বিদ্যুৎ কমায় দেশজুড়ে লোডশেডিং তীব্র মহেশখালীর ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল থেকে গ্যাস সরবরাহ ৭০০ মিলিয়নে স্থির শাহজালাল বিমানবন্দরে কাস্টমস ক্লিয়ারেন্স ছাড়াই ৩০ কোটি টাকার পণ্য উধাও দেশে শিশু নিখোঁজের ঘটনা উদ্বেগজনক: ৭ মাসে জিডি প্রায় ১৬ হাজার ২০২৮ সালে বড় সংস্কার, ২০২৭ থেকেই নতুন শিক্ষাক্রম তিব্বতে ভূমিধসে নতুন হ্রদ, ঝুঁকিতে গিরিওং বন্দর সেপ্টেম্বর থেকে ২ লাখ বাংলাদেশি শ্রমিক নেবে মালয়েশিয়া অটোরিকশাচালক থেকে কোটিপতি, বাগমারায় নানা অভিযোগ ফিরোজের নেপালে হিমবাহ ধসের বন্যায় প্রাণহানি বেড়ে ৬৩৩, তিব্বতে নিহত ৭ কক্সবাজারে বারে সংঘর্ষে যুবক নিহত, অভিযুক্তেরও মৃত্যু নেপালে সহায়তায় ৩১ মিলিয়ন ডলার চাইলো রেড ক্রস সৌদি আরবে অবৈধভাবে কাজ করলে ৫০ হাজার রিয়াল জরিমানা ও কারাদণ্ড তারেক রহমানের সম্ভাব্য দিল্লি সফর ও ঢাকা-দিল্লি কূটনৈতিক সমীকরণ

সংকটে থাকা পাঁচ ব্যাংক থেকে দুই হাজার কোটির বেশি ঋণ বিতরণ!

আমানতকারীদের টাকা ফেরত দিতে ব্যর্থ হয়ে একীভূত হওয়ার পরও সংকটে থাকা শরিয়াহভিত্তিক পাঁচ ব্যাংক থেকে গত বছরের ৩০ নভেম্বর থেকে চলতি বছরের ২ জুন পর্যন্ত ২ হাজার ১২৫ কোটি টাকারও বেশি ঋণ বা বিনিয়োগ বিতরণ করা হয়েছে।
নিউজটি শুনুন
  • আপলোড সময় : ০১-০৯-২০২৬ ১০:২৮:০৫ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ০১-০৯-২০২৬ ১০:২৮:০৫ অপরাহ্ন
  • ৩ মিনিট পড়ার সময়
  • ২৩ বার পঠিত
সংকটে থাকা পাঁচ ব্যাংক থেকে দুই হাজার কোটির বেশি ঋণ  বিতরণ! ছবি: সংগৃহীত
বিপুল পরিমাণ খেলাপি ঋণ, আমানতকারীদের অর্থ ফেরত দিতে না পারা, কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে তারল্য সহায়তা পেয়েও ঘুরে দাঁড়াতে ব্যর্থ হওয়ার কারণে অন্তর্বর্তী সরকারের সময় শরীয়াহ ধারার পাঁচটি ব্যাংককে একীভূত করার সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। এজন্য সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক নামে একটি নতুন ব্যাংকের লাইসেন্স দেয়া হয়।
 
গত বছরের ৩০ নভেম্বর এক্সিম, ফার্স্ট সিকিউরিটি, সোশ্যাল ইসলামী, ইউনিয়ন ও গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংককে একীভূত করতে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের লাইসেন্স দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। একীভূত এসব ব্যাংক আমানতকারীদের অর্থ ফেরত দিতে পারছে না। এখনো চাহিদা অনুযায়ী জমা রাখা টাকা ফেরত পাচ্ছেন না আমানতকারীরা। তবে এই সংকটের মধ্যেও ব্যাংকগুলোর ‍ঋণ বিতরণ থেমে থাকেনি।
 
 হাতে আসা তথ্য বলছে, একীভূত প্রক্রিয়ায় আসার পর থেকে চলতি বছরের ২ জুন পর্যন্ত পাঁচ ব্যাংক থেকে বিনিয়োগ বা ঋণ বিতরণ করা হয়েছে ২ হাজার ১২৫ কোটি ৭৭ লাখ টাকা। এর মধ্যে আমানতকারীরা তাদের আমানতের বিপরীতে ঋণ পেয়েছেন ৩৫৬ কোটি ৫৩ লাখ টাকা।
 
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, সবচেয়ে বেশি ঋণ বিতরণ করেছে এক্সিম ব্যাংক। ব্যাংকটি একীভূত প্রক্রিয়ায় থাকা অবস্থায় ২ জুন পর্যন্ত ১ হাজার ১৪১ কোটি ২৯ লাখ টাকার ঋণ বিতরণ করেছে। এর মধ্যে দেড় শ’ কোটি টাকা আমানতকারীরা তাদের জমা রাখা টাকার বিপরীতে ঋণ পেয়েছেন।
 
দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৭৪৪ কোটি ২৭ লাখ টাকা ঋণ বিতরণ করেছে সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক। এই ব্যাংকের আমানতকারীরা আমানতের বিপরীতে ঋণ পেয়েছে ৫৮ কোটি ৮৬ লাখ টাকা। এছাড়া, ১২৪ কোটি ৫৮ লাখ টাকা ঋণ দিয়েছে ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক। গ্লোবাল ইসলামী ৯২ কোটি ও ইউনিয়ন ব্যাংক গেল ২ জুন পর্যন্ত ঋণ বিতরণ করেছে ২৩ কোটি টাকা।
 
সংকটকালীন সময়ে পাঁচ ব্যাংকের ঋণ বিতরণের সমালোচনা করছেন খাত বিশ্লেষকরা। বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্টের (বিআইবিএম) সাবেক মহাপরিচালক ড. তৌফিক আহমদ চৌধুরী বলেন, ‘এই ঋণ বিতরণকে আমি ভালো চোখে দেখছি না। কোনোভাবেই পাঁচ ব্যাংকের ঋণ বিতরণ করা ঠিক হয়নি। হয়তো তারা নিজেদের লোকজনকে ঋণ দিয়েছে। একদিকে তো তাদের তারল্য নেই, মূলধনও সংকট। বাংলাদেশ ব্যাংক এই ঋণ বিতরণের অনুমোদন কীভাবে দিল? যেখানে আমানতকারীদের অর্থ ফেরত দিতে পারছে না, সেখানে ঋণ বিতরণ অনৈতিক ব্যাংকিং।’
 
তবে বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, স্বাভাবিক ব্যাংকিং চালু রাখতেই ঋণ বিতরণ করেছে একীভূত পাঁচ ব্যাংক। সংস্থাটির মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান স্টার নিউজকে বলেন, ‘এই ব্যাংককে ভালো কিছু গ্রাহকও ছিল। তাদের নার্সিং করা গেলে ব্যাংকগুলো ভালো ব্যবসা করতে পারে। সমালোচকরা প্রশ্ন তুলতে পারে আমানতকারীদের অর্থ ফেরত না দিয়ে কেন নতুন বিনিয়োগ করা হচ্ছে? বিনিয়োগ করার মূল উদ্দেশ্যই হচ্ছে, অর্জিত মুনাফা দিয়ে যেন অধিক সংখ্যক আমানতকারীর স্বার্থ সংরক্ষণ করা যায়। ব্যাংক হিসাবে টিকে থাকতে হলে শুধু আমানতকারীদের স্বার্থ নয়, বিনিয়োগের ক্ষেত্রেও ভূমিকা রাখতে হবে। তা না হলে ব্যাংক অস্তিত্ব সংকটে পড়বে।’

নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০২

মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।