গাজায় ইসরাইলি আগ্রাসন: ২০২৩ সাল থেকে এ পর্যন্ত নিহত ৭৩ হাজার ছাড়াল
আল-জাজিরার এজল্যাবসের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে ২০২৬ সালের ৩১ আগস্ট পর্যন্ত দীর্ঘ এই সংঘাতের সময়ে গাজ্জায় ইসরাইলি হামলায় ৭৩ হাজার ৪৫৬ ফিলিস্তিনি নিহত এবং ১ লাখ ৭৪ হাজার ৪৯৬ জন আহত হয়েছেন।
নিউজটি শুনুন
- আপলোড সময় : ০১-০৯-২০২৬ ১১:০১:৩৫ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ০১-০৯-২০২৬ ১১:০১:৩৫ অপরাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ১০২ বার পঠিত
ছবি: সংগৃহীত
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে ২০২৬ সালের ৩১ আগস্ট পর্যন্ত গাজ্জায় হামলা চালিয়ে ৭৩ হাজার ৪৫৬ ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে ইসরাইল। আহত হয়েছেন আরও ১ লাখ ৭৪ হাজার ৪৯৬ জন।
নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০২
গাজ্জার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্যের ভিত্তিতে এই হিসাব প্রকাশ করেছে আল-জাজিরার এজল্যাবস।
আল-জাজিরার প্রকাশিত হিসাব অনুযায়ী, নিহতদের মধ্যে ২১ হাজার ৫০০ শিশু রয়েছে। এ ছাড়া ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনো হাজারো মানুষ আটকে আছেন। ফলে নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।
হতাহতের এই সংখ্যা গাজ্জার মোট জনসংখ্যার তুলনায়ও বড়। হিসাব অনুযায়ী, গাজ্জার প্রতি ৩৩ জন বাসিন্দার মধ্যে অন্তত একজন নিহত হয়েছেন। আর প্রতি ১৪ জনের মধ্যে অন্তত একজন আহত হয়েছেন।
যুদ্ধবিরতির পরও নিহত ১ হাজার ৩২০:
ইসরাইল ও হামাসের মধ্যে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পরও গাজ্জায় হামলা ও হতাহতের ঘটনা বন্ধ হয়নি। ২০২৫ সালের ১০ অক্টোবর যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর থেকে ইসরাইলি হামলায় অন্তত ১ হাজার ৩২০ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন ৪ হাজার ৩৮৫ জন। এ সময় ৮১৫টি লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।
আল-জাজিরার হিসাবে, যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর গাজ্জায় প্রায় প্রতিদিনই সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। তাদের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, যুদ্ধবিরতির ৩২৬ দিনের মধ্যে ২৯০ দিনেই ইসরাইলি হামলা, নিহত বা আহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে।
ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনো লাশ:
গাজ্জার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ধ্বংসস্তূপের নিচে ও বিভিন্ন সড়কে এখনো অনেক মানুষের লাশ পড়ে আছে। উদ্ধারকারী ও অ্যাম্বুলেন্স দল সব এলাকায় পৌঁছাতে পারছে না। এ কারণে হতাহতের প্রকৃত সংখ্যা আরও বেশি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরাইলে হামাসের হামলার পর গাজ্জায় সামরিক অভিযান শুরু করে ইসরাইল। এরপর থেকে উপত্যকাটিতে ব্যাপক প্রাণহানি ও ধ্বংসযজ্ঞের ঘটনা ঘটে।
গাজ্জার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ হিসাবে, নিহত ও আহত মিলিয়ে সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সংখ্যা ২ লাখ ৪৭ হাজার ৯৫২।
সূত্র: আল জাজিরা
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।