ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া অতিরিক্ত ওষুধ সেবন করলে হতে পারে কিডনির ক্ষতি
অপ্রয়োজনীয় ও অনিয়ন্ত্রিত ওষুধ গ্রহণ কিডনির স্বাভাবিক কার্যক্রমে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে
- আপলোড সময় : ২২-০৮-২০২৬ ১১:০৫:০৩ পূর্বাহ্ন
- আপডেট সময় : ২২-০৮-২০২৬ ১১:০৫:০৩ পূর্বাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ৮৫ বার পঠিত
প্রতীকী ছবি- ( সংগৃহীত)
সামান্য ব্যথা, জ্বর বা অন্যান্য শারীরিক সমস্যায় অনেকেই চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়াই ওষুধ সেবন করে থাকেন। প্রয়োজনের অতিরিক্ত বা অনিয়ন্ত্রিতভাবে ওষুধ গ্রহণ কিডনির ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
কিডনি মানবদেহের একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ, যা রক্ত থেকে বর্জ্য ও অতিরিক্ত তরল ছেঁকে বের করে দিতে সাহায্য করে। অনেক ওষুধ শরীরে প্রবেশের পর কিডনির মাধ্যমে নির্গত হয়। ফলে দীর্ঘদিন বা অতিরিক্ত মাত্রায় ওষুধ সেবন করলে কিডনির ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি হতে পারে।
ব্যথানাশক ওষুধে সতর্কতা প্রয়োজন
কিছু ব্যথানাশক ওষুধ দীর্ঘদিন বা অতিরিক্ত মাত্রায় গ্রহণ করলে কিডনির ক্ষতির ঝুঁকি বাড়তে পারে। বিশেষ করে যাদের আগে থেকেই কিডনি-সংক্রান্ত সমস্যা রয়েছে, তাদের আরও বেশি সতর্ক থাকা প্রয়োজন।
নিজে নিজে ওষুধ সেবনের ঝুঁকি
অনেকেই পরিচিত কারও পরামর্শে বা পুরোনো প্রেসক্রিপশন দেখে ওষুধ সেবন করেন। কিন্তু একই উপসর্গের পেছনে ভিন্ন কারণ থাকতে পারে। তাই চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ওষুধ গ্রহণ সবসময় নিরাপদ নাও হতে পারে।
পর্যাপ্ত পানি পানও গুরুত্বপূর্ণ
কিছু ওষুধ সেবনের সময় পর্যাপ্ত পানি পান করা প্রয়োজন হয়। শরীরে পানিশূন্যতা থাকলে কিডনির ওপর চাপ আরও বাড়তে পারে।
চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে চলুন
ওষুধের ধরন, মাত্রা এবং কতদিন সেবন করতে হবে—এসব বিষয়ে চিকিৎসকের নির্দেশনা মেনে চলা উচিত। এতে ওষুধের কার্যকারিতা যেমন ভালোভাবে প্রকাশ পায়, তেমনি অপ্রয়োজনীয় পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার ঝুঁকিও কমে।
কোনো ওষুধ দীর্ঘদিন বা নিয়মিত সেবনের প্রয়োজন হলে অবশ্যই চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে থাকা উচিত। সচেতনতা ও সঠিক ব্যবহারের মাধ্যমে কিডনিসহ শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গগুলোকে সুস্থ রাখা সম্ভব।
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।